Friday, December 6, 2013

শেরপুরে বন্য হাতি তাড়াতে বড়ইগাছ থেরাপি!

শেরপুরে বন্য হাতি তাড়াতে বড়ইগাছ থেরাপি!
ড.ফোরকান আলী
শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকায় ভারতীয় বন্য হাতি তাড়াতে বড়ইগাছ থেরাপি ব্যাবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেরপুর জেলা কৃষি অফিস। জানা গেছে, শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ি, ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী উপজেলার প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গারো পাহাড় এলাকা জুড়ে দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ভারতীয় বন্য হাতির আক্রমণে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সীমান্তবাসী। ইতিমধ্যে সীমান্তের ওইসব এলাকায় হাতির আক্রমণে শত শত একর জমির ধান, গাছপালা খেয়ে বিনষ্ট করেছে হাতির দল। হাতি তাড়াতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় অর্ধ শত ব্যাক্তি এবং আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছে আরো প্রায় অর্ধ শত ব্যাক্তি। সে সঙ্গে হাতির অত্যাচারের ভয়ে সীমান্ত লাগোয়া প্রায় শতাধিক বাঙালি-আদিবাসী ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। ফলে ওইসব এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত প্রায় ৮ হাজার একর আবাদি জমি পতিত পড়ে আছে। সীমান্তবাসী ইতিমধ্যে হাতি তাড়াতে লাঠি-সোটা, আগুনের মশাল ও জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুত জ্বালিয়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় বন বিভাগ ওইসব বনাঞ্চলে কাটাযুক্ত বেত বাগান গড়ে তুলছে যাতে হাতি কাটাঁর ঘায়ে বন পেরিয়ে লোকালয়ের গ্রামবাসী ও ফসলের উপর হামলা না করতে পারে। হাতি তাড়ানোর এসব প্রচেষ্টার পাশাপাশি শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ হাতি উপদ্রপ এলাকায় বড়ই গাছ রোপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে বড়ই গাছের কাটাঁর আঘাতে হাতি আর সীমান্ত ছেড়ে লোকালয় এবং সীমান্তে বসবাসরত মানুষের ফসলের জমি ও বাড়িতে হামলা না চালাতে পারে। এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক জানান, হাতি উপদ্রপ এলাকায় বড়ই গাছ রোপণের জন্য ইতিমধ্যে প্রায় ২ হাজার চারা তৈরী করা হয়েছে। হাতি বড়ই গাছ দেখে ভয় পায় এ দৃষ্টিকোণ থেকে পরিামূলকভাবে বড়ই গাছগুলো রোপন করা হবে। এছাড়া এ বড়ই গাছ থেকে সীমান্তের পুষ্টিহীন ও হত দরিদ্র মানুষ ভিটামিন সি’র অভাব পুরণ করতে পারবে এবং বড়ই বিক্রি করে সামান্য হলেও কিছু আয় করতে পারবে।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267




0 comments:

Post a Comment