প্রাণবৈচিত্র্যে
আরও দুশো নতুন প্রজাতি
ড.ফোরকান আলী
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের
একটি দল সম্প্রতি পা-পুয়া-নিউগিনির অগম্য জঙ্গল ও পাহাড়ে গবেষণামূলক অভিযান
চালিয়ে ২০০ নতুন প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন। এদের মধ্যে সবিশেষ
উলেস্নখযোগ্য হলো কমলারঙের একজাতের মাকড়সা, শিরদাঁড়ার মতো চেহারার
বুনো ফড়িং আর লম্বা নাকের এক ধরনের ব্যাঙ।এ আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন ওয়াশিংটন ডিসি'র কনজার্ভেশন
ইন্টারন্যাশনাল। এ প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা ২০০৯-এ পা-পুয়া- নিউগিনির অনধিগম্য
পাহাড় নাকানাই ও মুলার পাহাড়ের জঙ্গলে ২ মাস ধরে সমীক্ষামূলক অভিযান
চালিয়ে এসব প্রাণীর সন্ধান পান। এই বিজ্ঞানী গ্রুপটির মতে, ২৪ জাতের ব্যাঙ, বহু মাকড়সা এবং প্রায় ১০০
প্রজাতির পতঙ্গ ও ড্রাগনফ্লাইয়ের সন্ধান পেয়েছেন যাদের বিবরণ এ যাবৎ কোনো
বিজ্ঞান জানর্ালে ছাপা হয়নি। আসলে পা-পুয়া-নিউগিনির এই অঞ্চলটিতে মানুষের তেমন পায়ের পরশ
না পড়ায় এখানকার প্রাণীজগৎ অনেকটাই সমৃদ্ধ ও সংরক্ষিত অবস্থায় আছে বলেই মনে
করা হয়। মানুষ এখানে তেমন যাবার সাহস করতো না। কেননা এখানে ছিল এককালে
নরমুণ্ড শিকারী জনগোষ্ঠীর বাস আর ছিল গেরিলা সদৃশ ওরাংওটাং
বা নরবানর।
গবেষণা দলের প্রধান স্টিফেন রিচার্ডস বলেছেন, এসব আবিষ্কার থেকে জানা যায়, এ পৃথিবীর আমরা কতোটুকুই বা জানি। আজকের জগতে প্রাণবৈচিত্র্য ক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আমাদের কতোই না উদ্বেগ। আর তাই আমরা এই গবেষণা প্রকল্পটি হাতে নেই। এটা অনেকটাই ডারউইনের গ্যালাপাগোস দ্বীপমালায় যাবার মতো ঘটনা। এটা আমাদের বিশ্বপ্রকল্পেরই একটা অংশবিশেষ। পা-পুয়া-নিউগিনির একটা অংশ রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে যার আজকের নাম ইরিয়ান জায়া। আর বাকিটা এখন স্বাধীন একটা দেশ। এর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিউ ব্রিটেন দ্বীপে রয়েছে জঙ্গলাকীর্ণ নাকুনাই পর্বতশিরা। এখানেই গবেষকদল পেয়েছেন ২৪ প্রজাতির ব্যাঙ, দুটি নতুন স্তন্যপায়ী প্রাণী, নয় প্রকার নতুন প্রজাতির উদ্ভিদ। আর প্রায় শত প্রকার কীটপতঙ্গ, পিঁপড়া ও আনুমানিক ১০০ প্রকার মাকড়সা। এখানে প্রাপ্ত কিছু প্রজাতির লম্বা শিংওয়ালা ঘাস ফড়িং পাওয়া গেছে। ্এখানকার প্রজাপতি পৃথিবী বিখ্যাত। এখানে সবচেয়ে বেশি পাখীর প্রজাতির বাস। বলা চলে পা-পুয়া-নিউগিনি জীববৈচিত্র্যের অন্যতম বিশাল ভাণ্ডার।
কয়েকজাতের ঘাসফড়িং, অন্তত একজাতের পিঁপড়া আর একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী একেবারেই ভিন্ন যার পৃথিবীতে আর নজির এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। পা-পুয়া-নিউগিনির দক্ষিণাঞ্চলের মালভূমি এলাকায় সাগরতল থেকে ৮,৬২৫ ফুট উঁচুতে মূলার পর্বতে তাঁদের একটি শিবির স্থাপন করেছিলেন। এখানে যে ঘাসফড়িং তাঁরা আবিষ্কার করেছেন, সে হুমকিতে পড়েছে মনে করলে তার কল্পিত দুশমনকে ঠেকাতে লম্বা ও স্প্রিং-এর মতো চট করে খাড়া হয়ে ওঠা পা দিয়ে আঘাত হেনে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। 'আমরা আশা করছি, এসব বিস্ময়কর প্রজাতির প্রাণীর আবিষ্কারের ফলে পা-পুয়া- নিউগিনির নিউ ব্রিটেনের এই নাকানাল পার্বত্যাঞ্চলকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে মনোনয়ন পেতে একটা জোরদার যুক্তি খাড়া হয়ে যাবে, এ কথা বলেন স্টিফেন রিচার্ডস। হাজার হাজার বছর ধরে বিশুবীয় অঞ্চলের আগ্নেয়দ্বীপমালা পা-পুয়া- নিউগিনির খাড়া ও উচ্চ পর্বতমালার জঙ্গলাকীর্ণ অঞ্চলের আদি অধিবাসীদের মধ্যে নানা উপজাতির লোকদের মধ্যে লেনদেন হয়েছে। এসব অঞ্চলেই একদা বাস ছিল ভায়াবহ নরমুণ্ড শিকারীদের। আর এসব বর্বর নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক বাধার কারণে এখানে তেমন কোনো বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা ও গবেষণা পরিচালিত হতে পারেনি। চিার্ডস জানাচ্ছেন, আমরা যখন হেলিকপ্টারে করে নাকানাল পর্বতের একটি শৃঙ্গের কাছাকাছি একটা মাঠে অবতরণ করলাম তখন যে অসাধারণ দৃশ্য দেখার বিরল সৌভাগ্য আমাদের হয়েছে , তাতে আমরা বুঝতে পেরেছি এর আগে আর কখনও কোনো বিজ্ঞানীর পদচিহ্ন এখানে পড়েনি। আমরাই প্রথম।। ওখানে শৃঙ্গে দাঁড়িয়ে আমরা নিচের সাগরতট অবধি দেখলাম লেপামর বিস্তৃত চাষ। অর্থাৎ ওখানে মানুষের পদচারণা ঘটেছে দীর্ঘকাল। তবে এও দেখলাম, এই পামক্ষেত অনেক জায়গাতেই গ্রাস করেছে নাকানালের মূূল্যবান বনভূমি যেখানে রয়েছে অমূল্য প্রাণবৈচিত্র্য। তবে পর্বত যেখান থেকে খুব খাড়া ওপরে উঠে গেছে পাম সেখানে উঠতে পারেনি। আর সেটাও এক সৌভাগ্য। তবে এখানে লোকজন এখন রাস্তাঘাট তৈরি করতে শুরু করেছে। এখন মানুষ বনের আরও গভীরে প্রবেশ করবে।
গবেষণা দলের প্রধান স্টিফেন রিচার্ডস বলেছেন, এসব আবিষ্কার থেকে জানা যায়, এ পৃথিবীর আমরা কতোটুকুই বা জানি। আজকের জগতে প্রাণবৈচিত্র্য ক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আমাদের কতোই না উদ্বেগ। আর তাই আমরা এই গবেষণা প্রকল্পটি হাতে নেই। এটা অনেকটাই ডারউইনের গ্যালাপাগোস দ্বীপমালায় যাবার মতো ঘটনা। এটা আমাদের বিশ্বপ্রকল্পেরই একটা অংশবিশেষ। পা-পুয়া-নিউগিনির একটা অংশ রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে যার আজকের নাম ইরিয়ান জায়া। আর বাকিটা এখন স্বাধীন একটা দেশ। এর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিউ ব্রিটেন দ্বীপে রয়েছে জঙ্গলাকীর্ণ নাকুনাই পর্বতশিরা। এখানেই গবেষকদল পেয়েছেন ২৪ প্রজাতির ব্যাঙ, দুটি নতুন স্তন্যপায়ী প্রাণী, নয় প্রকার নতুন প্রজাতির উদ্ভিদ। আর প্রায় শত প্রকার কীটপতঙ্গ, পিঁপড়া ও আনুমানিক ১০০ প্রকার মাকড়সা। এখানে প্রাপ্ত কিছু প্রজাতির লম্বা শিংওয়ালা ঘাস ফড়িং পাওয়া গেছে। ্এখানকার প্রজাপতি পৃথিবী বিখ্যাত। এখানে সবচেয়ে বেশি পাখীর প্রজাতির বাস। বলা চলে পা-পুয়া-নিউগিনি জীববৈচিত্র্যের অন্যতম বিশাল ভাণ্ডার।
কয়েকজাতের ঘাসফড়িং, অন্তত একজাতের পিঁপড়া আর একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী একেবারেই ভিন্ন যার পৃথিবীতে আর নজির এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। পা-পুয়া-নিউগিনির দক্ষিণাঞ্চলের মালভূমি এলাকায় সাগরতল থেকে ৮,৬২৫ ফুট উঁচুতে মূলার পর্বতে তাঁদের একটি শিবির স্থাপন করেছিলেন। এখানে যে ঘাসফড়িং তাঁরা আবিষ্কার করেছেন, সে হুমকিতে পড়েছে মনে করলে তার কল্পিত দুশমনকে ঠেকাতে লম্বা ও স্প্রিং-এর মতো চট করে খাড়া হয়ে ওঠা পা দিয়ে আঘাত হেনে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। 'আমরা আশা করছি, এসব বিস্ময়কর প্রজাতির প্রাণীর আবিষ্কারের ফলে পা-পুয়া- নিউগিনির নিউ ব্রিটেনের এই নাকানাল পার্বত্যাঞ্চলকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে মনোনয়ন পেতে একটা জোরদার যুক্তি খাড়া হয়ে যাবে, এ কথা বলেন স্টিফেন রিচার্ডস। হাজার হাজার বছর ধরে বিশুবীয় অঞ্চলের আগ্নেয়দ্বীপমালা পা-পুয়া- নিউগিনির খাড়া ও উচ্চ পর্বতমালার জঙ্গলাকীর্ণ অঞ্চলের আদি অধিবাসীদের মধ্যে নানা উপজাতির লোকদের মধ্যে লেনদেন হয়েছে। এসব অঞ্চলেই একদা বাস ছিল ভায়াবহ নরমুণ্ড শিকারীদের। আর এসব বর্বর নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক বাধার কারণে এখানে তেমন কোনো বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা ও গবেষণা পরিচালিত হতে পারেনি। চিার্ডস জানাচ্ছেন, আমরা যখন হেলিকপ্টারে করে নাকানাল পর্বতের একটি শৃঙ্গের কাছাকাছি একটা মাঠে অবতরণ করলাম তখন যে অসাধারণ দৃশ্য দেখার বিরল সৌভাগ্য আমাদের হয়েছে , তাতে আমরা বুঝতে পেরেছি এর আগে আর কখনও কোনো বিজ্ঞানীর পদচিহ্ন এখানে পড়েনি। আমরাই প্রথম।। ওখানে শৃঙ্গে দাঁড়িয়ে আমরা নিচের সাগরতট অবধি দেখলাম লেপামর বিস্তৃত চাষ। অর্থাৎ ওখানে মানুষের পদচারণা ঘটেছে দীর্ঘকাল। তবে এও দেখলাম, এই পামক্ষেত অনেক জায়গাতেই গ্রাস করেছে নাকানালের মূূল্যবান বনভূমি যেখানে রয়েছে অমূল্য প্রাণবৈচিত্র্য। তবে পর্বত যেখান থেকে খুব খাড়া ওপরে উঠে গেছে পাম সেখানে উঠতে পারেনি। আর সেটাও এক সৌভাগ্য। তবে এখানে লোকজন এখন রাস্তাঘাট তৈরি করতে শুরু করেছে। এখন মানুষ বনের আরও গভীরে প্রবেশ করবে।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment