Saturday, December 7, 2013

জীববৈচিত্র্য: বিপন্ন এখন আটলান্টিকের নীল টুনা

জীববৈচিত্র্য: বিপন্ন এখন আটলান্টিকের নীল টুনা
ড.ফোরকান আলী
সামুদ্রিক জীব বৈচিত্র্য রায় নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ ও প্রাণিপ্রেমী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল কমিশন ফর দ্যা কনজারভেশন অব আটলান্টিক টুনাস (আইসিসিএটি)। যদিও ‘টুনা’ নামক এক প্রকার সামুদ্রিক মাছ রার্থে তাদের মূল আন্দোলন সংগ্রাম তথাপি সংগঠনটি কেবল টুনায়ই সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিবেশ পরিবেশের যাবতীয় বিষয় তারা সদাসোচ্চার। তাদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ফলে সম্প্রতি আটলান্টিক অঞ্চলে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। কেন না তাদের দাবির প্রতি একমত হয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।আটলান্টিকের নীল জলরাশিতে বাস করে হাজারো প্রজাতির জলচর প্রাণী। যার মধ্যে রয়েছে-মানুষের খাওয়ার উপযোগী হরেক পদের মৎস্য ছাড়াও ঝিনুক, কচ্ছপ ইত্যাকার আরো বহুজলজ প্রাণী। সামুদ্রিক পরিবেশ বিপন্ন হওয়ার কারণে এমনিতেই ইতিমধ্যে কয়েক হাজার প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে। মহাবিপন্ন তালিকায় রয়েছে আরো কয়েক হাজার। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা জলবায়ু পরিবর্তনের চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী পঞ্চাশ বছরে বিদ্যমান প্রাণ বৈচিত্র্যের অধিকাংশই বিলুপ্তির খাতায় নাম লেখবে। তাই আইসিসিএটির দাবি আটলান্টিকে টুনা শিকার বন্ধ করা হোক। বন্ধ করা হোক এর বাণিজ্যিক সকল কর্মকাণ্ড। কিন্তু টুনা শিকারী ও ব্যবসায়ীদের তাতে মোটেই নাড়া দিতে পারেনি, বরং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যেই মহাসমারোহে টুনা শিশুর ও বিপণন কাজ চালিয়ে গেছে। তাদের বক্তব্য-সমুদ্রে বাস করে হাজারো প্রজাতির জলজ প্রাণী। তার মধে টুনা একটি। তাছাড়া এর উৎসও অফুরান। যত শিকার হবে ততই আপনা-আপনি বংশ বিস্তার করবে। শিকার নিধনের কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই। সম্প্রতি সমুদ্র গবেষক ও প্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে টুনার সম্ভার। সে তুলনায় বংশ বিস্তার ঘটছে না। এমতাবস্থায় টুনা শিকার বন্ধের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সকল কর্মকান্ড বন্ধের দাবি সময়ের প্রোপটে খুবই যুক্তিসঙ্গত।আশার কথা ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ এতে সমর্থন ব্যক্ত করেছে। এতে আটলান্টিকের নীল টুনা সংরণের পথ অনেকটাই সুগম হবে বলে জানিয়েছেন সামুদ্রিক গবেষকরা।
সূত্র : বিবিসি ওয়েবসাইট।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267




0 comments:

Post a Comment