প্রাণিবৈচিত্র্য : জাফলং-এর নিশাচর বাদুড়
ড.ফোরকান আলী
বাদুড় চর্মপ, স্তন্যপায়ী ও নিশাচর প্রাণী। রাতের আঁধারে বিভিন্ন জায়গার বসত-বাগান বাড়ির যত্রতত্র স্থানে উড়তে এদের দেখা যায়। প্রতিদিন সন্ধ্যা-সায়াহ্ন থেকে রাতভর পর্যন্ত খাদ্যের অন্বেষণে বিভিন্ন জায়গায় তারা ঘুরে বেড়ায়। কেউ-কেউ এদের কলা বাদুড়ও বলেন। সাধারণত এসব বাদুড় বাংলাদেশের পাহাড়িয়া অঞ্চলের বন-বাদাড়, ঝোপ-ঝাড়, পান-সুপারি বাগান, কলাবাগান এমনকি ফল-মূলের বাগান, বটবৃ ইত্যাদি জায়গাতে এদের বিচরণ করতে দেখা যায়।
এসব স্থানের নারিকেল, সুপারির নির্যাস ফল-মূল ইত্যাদি চুষে খেয়ে তারা বাঁচে। ঐতিহ্যবাহী জাফলং বাজার কিংবা জাফলং জমিদার বাড়ির বট বাসনে বাদুড়দের আবাসিক স্থান রয়েছে। সুদূর সেই অতীত কাল থেকে। কালক্রমে ঐস্থানের বটরাজী ধ্বংস হয়ে যাবার কারণে ওরা এখন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। অনেক বাদুড় আবাসিক সমস্যায় ভুগছে। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে জাফলং-এ আগের মতন এদের আবাসিক পরিবেশ নেই। তদুপরি শিকারীদের বেধড়ক ধরÑপাকড়াও রয়েছে। খাদ্যেরও প্রচুর সংকট। তাই তারা অধিকন্তু আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে চলে যেতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কেউ কেউ রওনাও হয়ে গেছে। আবার অনেকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জৈয়ন্তিয়া ও গোয়াইনঘাটের বনায়ন অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে। তারা কেবল স্থানীয়ভাবে উড়ন্ত আর ঝুলন্তবস্থায় জাফলং-এর বটবাসনে অবস্থান করছে। বনজ সম্পদ আর বন্য প্রাণী ভ্রমণ পিপাসুদের নিকট আকর্ষণ প্রিয়। জাফলং যারা একসময় ভ্রমণে আসেন তখন তারা দর্শন মুহূর্তে এসবও অবলোকন করেন। তাই, ঐতিহ্যবাহী বাদুড় এই আবাসনটি সংরণ ব্যবস্থার বিরাট প্রয়োজনে স্থানীয় সহযোগিতাসহ বন ও পরিবেশ বিভাগের সুদৃষ্টি একান্ত কাম্য।
ড.ফোরকান আলী
বাদুড় চর্মপ, স্তন্যপায়ী ও নিশাচর প্রাণী। রাতের আঁধারে বিভিন্ন জায়গার বসত-বাগান বাড়ির যত্রতত্র স্থানে উড়তে এদের দেখা যায়। প্রতিদিন সন্ধ্যা-সায়াহ্ন থেকে রাতভর পর্যন্ত খাদ্যের অন্বেষণে বিভিন্ন জায়গায় তারা ঘুরে বেড়ায়। কেউ-কেউ এদের কলা বাদুড়ও বলেন। সাধারণত এসব বাদুড় বাংলাদেশের পাহাড়িয়া অঞ্চলের বন-বাদাড়, ঝোপ-ঝাড়, পান-সুপারি বাগান, কলাবাগান এমনকি ফল-মূলের বাগান, বটবৃ ইত্যাদি জায়গাতে এদের বিচরণ করতে দেখা যায়।
এসব স্থানের নারিকেল, সুপারির নির্যাস ফল-মূল ইত্যাদি চুষে খেয়ে তারা বাঁচে। ঐতিহ্যবাহী জাফলং বাজার কিংবা জাফলং জমিদার বাড়ির বট বাসনে বাদুড়দের আবাসিক স্থান রয়েছে। সুদূর সেই অতীত কাল থেকে। কালক্রমে ঐস্থানের বটরাজী ধ্বংস হয়ে যাবার কারণে ওরা এখন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। অনেক বাদুড় আবাসিক সমস্যায় ভুগছে। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে জাফলং-এ আগের মতন এদের আবাসিক পরিবেশ নেই। তদুপরি শিকারীদের বেধড়ক ধরÑপাকড়াও রয়েছে। খাদ্যেরও প্রচুর সংকট। তাই তারা অধিকন্তু আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে চলে যেতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কেউ কেউ রওনাও হয়ে গেছে। আবার অনেকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জৈয়ন্তিয়া ও গোয়াইনঘাটের বনায়ন অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে। তারা কেবল স্থানীয়ভাবে উড়ন্ত আর ঝুলন্তবস্থায় জাফলং-এর বটবাসনে অবস্থান করছে। বনজ সম্পদ আর বন্য প্রাণী ভ্রমণ পিপাসুদের নিকট আকর্ষণ প্রিয়। জাফলং যারা একসময় ভ্রমণে আসেন তখন তারা দর্শন মুহূর্তে এসবও অবলোকন করেন। তাই, ঐতিহ্যবাহী বাদুড় এই আবাসনটি সংরণ ব্যবস্থার বিরাট প্রয়োজনে স্থানীয় সহযোগিতাসহ বন ও পরিবেশ বিভাগের সুদৃষ্টি একান্ত কাম্য।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment