Tuesday, December 24, 2013

বিশ্ব থেকে দারিদ্র বিমোচনে উদ্যোগী বিশ্ব নেতৃবৃন্দ

বিশ্ব থেকে দারিদ্র বিমোচনে উদ্যোগী বিশ্ব নেতৃবৃন্দ
ড.ফোরকান আলী
বিশ্ব থেকে ুধা, দারিদ্র্য ও রোগ নির্মূলের নতুন কৌশল নির্ধারণের জন্য বিশ্ব নেতারা নিউইয়র্কে একত্রিত হয়েছেন। বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য নির্মূলের ল্েয এক দশক আগে ঘোষণা করা সহস্রাব্ধ উন্নয়নের ল্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে নতুন পথ বাতলাবেন তারা।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নেতৃবৃন্দ ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্ব থেকে চরম দারিদ্র্য নির্মূলের বিষয়টির আলোচনা করবেন।  জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন তার প্রতিবেদনে বলেন, আটটি দারিদ্র্যবিরোধী ল্য বাস্তবায়নে বিশ্ব নেতাদের এই আলোচনা সভা খুবই গুরুত্বত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বাড়তি প্রচেষ্টা না থাকায় অনেক দেশে আটটি ল্েযর মধ্যে কয়েকটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। জাতিসংঘ জানিয়েছে,  প্রায় ১৫০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এই আলোচনা সভায় যোগদান করবেন । 
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করে বান কি মুন বলেন, এটি উন্নয়ন প্রচেষ্টার ধীরগতির একমাত্র কারণ হতে পারে না। বিশ্ব নেতারা সহস্রাব্ধ উন্নয়ন ল্যমাত্রার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনেও এ বিষয় নিয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আলোকপাত করবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, চীনের প্রধানমন্ত্রী এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট আলোচনা সভায় পৃথক পৃথক পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বান কি মুন আরও জানান, এমডিজি প্রচারণায় নতুন মাত্রা আনার জন্য আরও অর্থ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এমডিজি তহবিলের জন্য ১০০ কোটি ডলার ঘোষণা করে। এছাড়া বিশ্বব্যাংক ৭৫ কোটি ডলার শিার জন্য বরাদ্দ করবে। অর্থাভাবে বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে শিশুশিার অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ‘গ্লোবাল ক্যাম্পেইন ফর অ্যাডুকেশন’। ২০১৫ সাল নাগাদ দারিদ্র্য ও ুধা দূরীকরণের জাতিসংঘ ল্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য বিশ্বনেতারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরুর  আগে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়। একশটিরও বেশি মানবাধিকার সংগঠনের জোট ‘গ্লোবাল ক্যাম্পেইন ফর অ্যাডুকেশন’ বিশ্বের ৬০টি দরিদ্র দেশের ওপর ভিত্তি করে রচিত প্রতিবেদনে বলেছে। বিশ্বে ৬ কোটি ৯০ লাখ শিশু এখনও শিার অধিকার থেকে বঞ্চিত। কিন্তু কেবল পড়ার সমতা নিয়ে যদি ওই শিশুরা স্কুল ত্যাগ করত তাহলে প্রায় ১৭ কোটি ১০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেত বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। ক্যাম্পেইনের প্রেসিডেন্ট কৈলাস সত্যার্থী বলেন, বিজ্ঞানীরা যদি জিনগতভাবে খাদ্যশস্যের উন্নয়ন ঘটাতে পারে এবং নাসা মঙ্গলগ্রহে অভিযান পরিচালনা করতে পারে তাহলে রাজনীতিকরা অবশ্যই বিশ্বের কোটি কোটি শিশুকে স্কুলে পাঠিয়ে একটি প্রজšে§র শিশুদের ভবিষ্যৎ বদলে দেয়ার মতো সম্পদ খুঁজে পাবেন। বৈশ্বিক দারিদ্র্য মোকাবিলার কৌশলকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন দাতব্য সংস্থা  ইউএসএইড প্রধান। নিউইয়র্কে শুরু হওয়া জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন ল্যমাত্রা সম্মেলনকে সামনে রেখে রয়টার্সকে দেয়া এক সাাৎকারে ইউএসএইডের প্রধান রাজিব শাহ জানান, মার্কিন প্রশাসন এ লড়াইয়ে নতুন পদেেপর জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে যা মিশ্র ফল বয়ে আনছে।  

0 comments:

Post a Comment