ড.ফোরকান আলী
জীববৈচিত্র্যের ক্রমবর্ধমান বিপন্ন অবস্থা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য ভাবনার বিষয়। তাই বিভিন্ন সাংগঠনিক নামে তারা সংরণবাদী হিসাবে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে ব্রিটিশ সরকারের বন্যপ্রাণী সংরণবাদী মনোভাবে তারা মোটামুটি সন্তুষ্ট। কেননা আড়াই শতাব্দী পর বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী বিভার তারা নরওয়ে থেকে সংগ্রহ করে সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের বেশ কয়েকটি জলাভূমি এলাকায় অবমুক্ত করেছে। বিলুপ্ত বা বিপন্ন প্রজাতি রায় তারা আরো নানাবিধ উদ্যোগ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে স্কটল্যান্ডের বনাঞ্চলে বিচরণকারী লাল হরিণ। বিরল প্রজাতির এ লাল হরিণ গত এক শতাব্দীতে বিপন্ন অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। কর্তৃপ এ প্রজাতির হরিণ রায় জাপানি এক প্রকার হরিণের সঙ্গে ক্রস বিডিং বা শংকরজাত এক প্রকার হরিণ প্রজননের ব্যবস্থা করে। তাতে আশাব্যঞ্জক ফলও পাওয়া গেছে। তবে প্রাণী বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন একটি উদ্বেগজনক তথ্য। তাদের মতে, ক্রসবিডিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে এক সময় স্কটল্যান্ডের জন্য রেড ডিয়ার বা লাল হরিণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী স্কটল্যান্ডের কিন্টায়ারে বন্য হরিণের ওপর সমীক্ষা চালান। মলিকুলার ইকোলজি নামক জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তারা উল্লেখ করেন, উদ্বেগজনক তথ্য। এতে বলা হয়েছে, উনবিংশ শতাব্দীতে জার্মানি এক প্রকার হরিণ এনে স্থানীয় অর্থাৎ স্কটল্যান্ডের লাল হরিণের সঙ্গে ক্রসবিডিং করা হয়। তাতে দেখা যায়, কোথাও কোথাও শংকরজাত হরিণের সংখ্যা বেড়েছে ৪০ ভাগ। তাদের আশঙ্কা ব্রিডিং কর্মকান্ড অব্যাহত থাকলে শংকরজাত হরিণের সংখ্যা লাল হরিণের চেয়ে অধিক হয়ে যাবে। এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের বিশেষজ্ঞ গবেষক হেলেন সেন বলেন, ক্রসবিডিংয়ের ফলাফলে আমরা উদ্বিগ্ন। এতে লাল হরিণ হয়তো এক সময় বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অবশ্য ইতিমধ্যে এ প্রজাতির হরিণ রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রসবিডিং আপাতত সতর্কতার সঙ্গে করা উচিত। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা দরকার। জাকিরুল ইসলাম সূত্র: বিবিসি ওয়েবসাইট
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment