মানবজাতির বিলুপ্তি ঠেকাতে পৃথিবীর বিকল্প খুঁজতে হবে : হকিং
ড.ফোরকান আলী
আগামী দুই শতকের মধ্যে মানবজাতির বিলুপ্তি ঘটবে। তাই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রথিবী ছেড়ে অন্য কোন গ্রহে উপনিবেশ স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন হালের শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বিজ্ঞানবিষয়ক পোর্টাল বিগ থিংকে দেয়া এক সাাৎকারে প্রফেসর হকিং বলেন, পৃথিবীতে মানব অস্তিত্ব টিকে থাকার ব্যাপারে আমি আশাবাদী, তবে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আগামী কয়েক শতকের পরিপ্রেতি খুব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, সামনের সময়গুলোতে মানবজাতির জন্য আমি বড় ধরনের বিপর্যয় দেখতে পাচ্ছি। নিকট অতীতে এমন অনেক সময় আমরা অতিক্রম করেছি যখন স্পর্শ মাত্রই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল। ১৯৬৩ সালে কিউবার মিসাইল সমস্যা এর একটি উদাহরণ। ভবিষ্যতে এরকম আরও অনেক সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করেন হকিং। যেসব দেশ ও বিষয় এরকম হুমকিস্বরূপ আবির্ভূত হবে তাদের সঙ্গে সফল সমঝোতায় পৌঁছতে বিষয়গুলো বিজ্ঞতা ও সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
নিজেকে একজন আশাবাদী মানুষ হিসেবে উলেখ করে তিনি বলেন, আমরা যদি আগামী দু’শতকের মধ্যে এ বিপর্যয় এড়াতে পারি তাহলে আমাদের প্রজাতিকে বাঁচানো সম্ভব হবে। নিরাপত্তার জন্য মহাশূন্যে জায়গা খোঁজার আর প্রয়োজন হবে না। হকিং সতর্ক করে দিয়ে বলেন, মানুষ ক্রমাগত বিপজ্জনক সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি পৃথিবীর সীমিত সম্পদের ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে কোন কৌশলগত অগ্রগতি হয়নি। অথচ আমাদের জেনেটিক কোড বহন করছে স্বার্থপরতা ও আক্রমণান্তক বৈশিষ্ট্য। অবশ্য এ বৈশিষ্ট্যই অতীতে মানুষের অস্তিত্ব রার্থে কাজ করেছিল। এখন এ বৈশিষ্ট্যের কারণেই আগামী একশ’ বছরের মধ্যে আসন্ন বিপর্যয় এড়ানো কঠিন হয়ে যাবে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের এখন একটিই সুযোগ হাতে আছে আর তা হল পৃথিবী ছেড়ে মহাশূন্যের বিভিন্ন গ্রহে বসতি স্থাপনের চেষ্টা করা। ডেইলি মেইল পত্রিকা স্টিফেন হকিংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, গত একশ’ বছরে মানুষের উলেখযোগ্য অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে সামনে একশ’ বছর যদি তারা এই অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে না পারে তাহলে আমাদের একমাত্র ঠিকানা হবে মহাশূন্য। এএফপি, ফক্স নিউজ
ড.ফোরকান আলী
আগামী দুই শতকের মধ্যে মানবজাতির বিলুপ্তি ঘটবে। তাই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রথিবী ছেড়ে অন্য কোন গ্রহে উপনিবেশ স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন হালের শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বিজ্ঞানবিষয়ক পোর্টাল বিগ থিংকে দেয়া এক সাাৎকারে প্রফেসর হকিং বলেন, পৃথিবীতে মানব অস্তিত্ব টিকে থাকার ব্যাপারে আমি আশাবাদী, তবে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আগামী কয়েক শতকের পরিপ্রেতি খুব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, সামনের সময়গুলোতে মানবজাতির জন্য আমি বড় ধরনের বিপর্যয় দেখতে পাচ্ছি। নিকট অতীতে এমন অনেক সময় আমরা অতিক্রম করেছি যখন স্পর্শ মাত্রই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল। ১৯৬৩ সালে কিউবার মিসাইল সমস্যা এর একটি উদাহরণ। ভবিষ্যতে এরকম আরও অনেক সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করেন হকিং। যেসব দেশ ও বিষয় এরকম হুমকিস্বরূপ আবির্ভূত হবে তাদের সঙ্গে সফল সমঝোতায় পৌঁছতে বিষয়গুলো বিজ্ঞতা ও সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
নিজেকে একজন আশাবাদী মানুষ হিসেবে উলেখ করে তিনি বলেন, আমরা যদি আগামী দু’শতকের মধ্যে এ বিপর্যয় এড়াতে পারি তাহলে আমাদের প্রজাতিকে বাঁচানো সম্ভব হবে। নিরাপত্তার জন্য মহাশূন্যে জায়গা খোঁজার আর প্রয়োজন হবে না। হকিং সতর্ক করে দিয়ে বলেন, মানুষ ক্রমাগত বিপজ্জনক সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি পৃথিবীর সীমিত সম্পদের ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে কোন কৌশলগত অগ্রগতি হয়নি। অথচ আমাদের জেনেটিক কোড বহন করছে স্বার্থপরতা ও আক্রমণান্তক বৈশিষ্ট্য। অবশ্য এ বৈশিষ্ট্যই অতীতে মানুষের অস্তিত্ব রার্থে কাজ করেছিল। এখন এ বৈশিষ্ট্যের কারণেই আগামী একশ’ বছরের মধ্যে আসন্ন বিপর্যয় এড়ানো কঠিন হয়ে যাবে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের এখন একটিই সুযোগ হাতে আছে আর তা হল পৃথিবী ছেড়ে মহাশূন্যের বিভিন্ন গ্রহে বসতি স্থাপনের চেষ্টা করা। ডেইলি মেইল পত্রিকা স্টিফেন হকিংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, গত একশ’ বছরে মানুষের উলেখযোগ্য অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে সামনে একশ’ বছর যদি তারা এই অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে না পারে তাহলে আমাদের একমাত্র ঠিকানা হবে মহাশূন্য। এএফপি, ফক্স নিউজ
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment