ÿুদ্রঋণ শিল্পের মর্যাদা পাচ্ছে
আলী ফোরকান
বাংলাদেশেই জন্ম, বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের হাতে হাতে যতেœই বেড়ে ওঠা ÿুদ্রঋণ আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শাখা প্রশাখা মেলেছে। এরই মধ্যে ÿুদ্রঋণের তত্ত¡ও আমরা বেশ দÿতার সঙ্গেই নানা দেশে রপ্তানি করতে শুরু করেছি। তত্তে¡র সঙ্গে এর তাৎপর্যও রপ্তানি হচ্ছে সমান তালে। ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের ১১০টির বেশী দেশে আমাদের ÿুদ্রঋণের তত্তে¡ই কাজ চলছে। অবস্থাটা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে জাতিসংঘও তাতে উৎসাহী হয়েছে। জাতিসংঘের উদ্যোগেই ২০০৫ সাল ÿুদ্রঋণ বর্ষ হিসেবে সারা বিশ্বে পালন করা হয়েছে। তাতে ২১ ফেব্রæয়ারি মাতৃভাষা দিবসের মতো করে আরো একবার বিশ্বের প্রতিটি দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে ঘুরে এসেছে বাংলাদেশের নাম। বিশ্ব পরিমন্ডল বাদ থাক। দেশের মধ্যেও ÿুদ্রঋণ নিয়ে বিশেষায়িত মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। এইতো বৃহস্পতিবারই শেষ হল দেশ বিদেশের বিভিন্ন সংস্থার অংশ নেয়া দ্বিতীয় ÿুদ্রঋণ মেলা। চারদিনের মেলায় হাজার হাজার উৎসাহী জনগণ আরো কাছ থেকে দেখেছেন ÿুদ্রঋণের কর্মজগৎ আর পরিমন্ডলকে। এনজিও মানেই যেখানে সবাই মনে করেন বিদেশী সাহায্যনির্ভর একটি সংগঠন, সেখানে ÿুদ্রঋণের ÿেত্রে হিসেব একেবারেই উল্টো। প্রতিবছর ÿুদ্রঋণে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে তার মাত্র সাড়ে সাত শতাংশ বিদেশী সাহায্যের। বাকি পুরোটাই আসছে স্থানীয় বিনিয়োগ থেকে। কখনো সরকারী অনুদান, কখনো সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের সরাসরি বিনিয়োগ, আবার কখনো বা ÿুদ্রঋণের সংস্থাগুলোর নিজেদের অর্থেই চলছে এ কর্মযজ্ঞ। তাতে ÿুদ্রঋণকে শিল্প হিসেবেও বিবেচনা করছেন অনেকে। প্রথম দিকে অনেকেই বাঁকা চোখে তাকিয়ে তীÿ¦ সমালোচনা করেছেন। কিন্তু অর্থনীতিবিদরাও এখন বলছেন, ÿুদ্রঋণের শিল্পের ভেতরে শিল্প গড়ে তুলেছে দেশের দ্ররিদ্র জনগোষ্ঠী। শেষ হওয়া দ্বিতীয় ÿুদ্র ঋণের মেলায়ও পাওয়া গেছে এর প্রমাণ। মেলায় যে ১৩১টি স্টল ছিল তার প্রায় প্রতিটিতেই দেখা গেছে, শুধু নিজের ÿুদ্র অবলম্বনের জন্যই আর কেউ পণ্য উৎপাদন করছেন না। এখন স্থানীয় বাজার পেরিয়ে সেগুলো রাজধানীর বাজার দখল করা এবং একই সঙ্গে বিদেশে রপ্তানি করার লÿ্যইে চলছে কাজ। শেষ হওয়া মেলাতেই বিভিন্ন দেশের কোটি কোটি টাকার অর্ডার পেয়েছে সংগঠনগুলো। আয়োজকরা বলছেন, সংগঠনগুলোর কাছ থেকে কেউ হয়তো সামান্য পুঁজি নিয়েই শুরু করেছিলেন। কিন্তু উৎপাদনের পর এখন তাদের লÿ্য আন্তর্জাতিক বাজার। মেলার মাধ্যমে কাছ থেকেই উৎসাহীরা দেখেছেন এসব। বুঝে নিয়েছেন, ÿুদ্রঋণের ভেতর বাইরের সবটাই। শুধু পণ্য নিয়ে হাজির হওয়া নয়, বরং তাঁতের সুঁতোর টানে টানে কিভাবে ÿুদ্রঋণ একটি পরিবারকে এগিয়ে নিচ্ছে সে দৃশ্যও জীবন্ত হয়ে ওঠে মেলায়।
বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চারদিনের ÿুদ্রঋণ মেলায় অংশ নেয়া ‘সৃজনী বাংলাদেশ’-এর শিরিনা বেগম জানান, ইতালি এবং কানাডায় লালনের মুখোশ, একতারা, দোতরা, বেহালা সরবরাহের অর্ডার পেয়েছেন তিনি। রংপুর থেকে মেলায় অংশ নিতে এসেছিল আরডিআরএস বাংলাদেশ। তারা তাদের উৎপাদিত শতরঞ্জিসহ আরো কয়েকটি পণ্য সরবরাহের অর্ডার পেয়েছে সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডে। তাছাড়া দেশের ভেতরেও একই ধরনের পণ্য সরবরাহের অর্ডার শুরুতেই পেয়ে গেছেন তারা। এতো কেবল দু’টি নমুনা। এমনি করে প্রতিটি স্টলেই আশাতীত বিক্রি-বাট্টা হয়েছে। অর্ডার এসেছে আরো সরবরাহের। কিন্তু এতো সব তত্ত¡, দেশ-বিদেশে বি¯Íৃতি আর উৎসবের বাইরে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি আমাদের সামনে হাজির হচ্ছে তা হল প্রায় এক লাখ লোক এখন ÿুদ্রঋণের এক হাজার এনজিও’তে সরাসরি নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। আর এদের ঋণ নিয়ে যারা কাছ করছেন তাদেরকে ধরলে বি¯Íৃতি আরো ব্যাপকতা পায়। কুঁড়ি থেকে প্রস্ফুটিত হতে হতে আজ দেশে ÿুদ্রঋণের বাজার হয়ে গেছে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার। বাজার বড় হতে হতে ব্যক্তি পর্যায়েও ঋণের পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক। দুই-চার হাজার টাকার ঋণ এখন দুই-চার লাখ টাকায় চলে এসেছে। ÿুদ্রঋণের মেলায় যে কর্মযজ্ঞ দেখা গেছে তাতে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হয়েই আমাদের সামনে হাজির হয়েছে। মেলার আয়োজক পলøী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) জানিয়েছে, যেভাবে চলছে তাতে এখন আর কেউ এটিকে ÿুদ্রঋণ বলতে পারবেন না। মেলার শুরুর দিনে পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদও অর্থনীতির তত্তে¡র ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ব্যাপ্তিতে, কর্মকাণ্ডে এবং জনসচেতনতার দিক দিয়ে ÿুদ্রঋণ যে পরিমাণ বি¯Íার ঘটেছে যে এর নাম বদলে এটিকে এখন ‘ÿুদ্র ও মাঝারি ঋণ’ বলা উচিত। এখন আর শুধু আত্মকর্মসংস্থানের জন্য এই ঋণ দেয়া হচ্ছে না। বরং ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদন এবং কৃষি কাজেও বিনিয়োগ করা হচ্ছে ÿুদ্রঋণের মাধ্যমে। মেলার শুরুর দিনেই তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, ÿুদ্রঋণ শুধু গ্রামাঞ্চলের মানুষের ÿুধা-দারিদ্র্যই দূর করছে না, একই সঙ্গে গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ÿেত্রেও রেখেছে বড় অবদান। আর একারণেই ইউরোপ আমেরিকা অনেক দেশের চেয়ে আমাদের মাথাপিছু আয় কম হলেও সামাজিক উন্নয়নে আমরা অনেকটাই এগিয়ে গেছি। শিÿা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, জীবন-যাপনÐকোথায় এর বি¯Íার ঘটেনি। ফলে আমাদের জীবনযাত্রার মানেরও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলেও সমাজ বিজ্ঞানীদের উদ্ধৃতি তুলে আনেন তিনি। মেলা ঘুরে দেখা গেছে, একটা সময় বেকারত্বের বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরতে থাকা অনেক তরুণ-যুবাও এখন নিজেদের আত্ম-কর্মসংস্থানের পথ বাতলে নিয়েছেন ÿুদ্রঋণের মাধ্যমেই। পেছনে ফিরলে দেখা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়ের দশকে ÿুদ্রঋণের কাঠামো তৈরী হয়েছে। প্রথমে কুমিলøা বার্ডের জন্ম দেয়া প্রফেসর আখতার হামিদ খান ÿুদ্রঋণের একটি কাঠামো দাঁড় করান। আর আজকের নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস সেটিকে আধুনিকায়নের আলোতে নিয়ে আসেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ÿুদ্রঋণের যে বি¯Íার সেখানেও মুহাম্মদ ইউনূসের ধারেকাছে কেউ নেই। মোঃ শফিকুল হক চৌধুরী, ফজলে হোসেন আবেদ এবং কাজী ফারুকরাও এÿেত্রে বড় অবদান রেখেছেন। আজ ÿুদ্রঋণ নিয়ে মেলার আয়োজন হচ্ছে। এবং সেই মেলায় অংশ নিচ্ছে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ÿুদ্রঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান আশা, গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক এবং প্রশিকার মতো সংগঠনও। এর বাইরে মেলায় এবার দেশী-বিদেশী ৮২টি সংগঠন অংশ নেয়। আয়োজক পিকেএসএফ এর সদস্যভুক্ত সংগঠনই ছিল এর মধ্যে ৭০টি। মেলায় অংশ নেয়া সংগঠনগুলোই বলছে, চলিøশ বছর আগে যাত্রা করলেও ÿুদ্রঋণের এখন যেন যৌবন চলছে। তবে এভাবে আর বেশী দিন চলতে পারবে না বলেও আশংকা প্রকাশ করেছেন ÿুদ্রঋণের বিভিন্ন সংগঠন। তারা বলছেন, এনজিও’র রেজিস্ট্রেশনে এখন আর ÿুদ্রঋণকে ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতোই এখনে শক্ত কিছু দরকার যার ওপর ভিত্তি করে ÿুদ্রঋণ একটি ব্যাংকিং কাঠামো পেতে পারে। আশা’র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ এনামুল হক বলছেন, ÿুদ্রঋণের বিবেচনায় পাকি¯Íান আর আমাদের মধ্যে যোজন যোজন ব্যবধান। অথচ ২০০১ সালেই ওরা অধ্যাদেশ জারি করে ÿুদ্রঋণকে ব্যাংকিং সেক্টরে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশেও এখন এই ধারায় থানা, জেলা এবং বিভাগভিত্তিক ব্যাংক করার আন্দোলন জোরদার হচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে ব্যাংক করার অনুমতি পেলে সঙ্গে আবার একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশনও থাকতে হবে বলেও মতামত দেন ÿুদ্রঋণের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংগঠনের পরিচালকরা। সূত্র জানিয়েছে, পাকি¯Íানের এই শক্ত কাঠামোর ওপর নিজেদের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতেই সম্প্রতি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ÿুদ্রঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পাকি¯Íানের দিকে নজর দিয়েছেন। নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসও এর মধ্যে সেকারণেই পাকি¯Íান ঘুরে এসেছেন। ব্র্যাক এবং আশা’র একাধিক প্রতিনিধিও এর মধ্যে কয়েক দফা পাকি¯Íান সফর করে এসেছেন। ÿুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করার কার্যকর কৌশল খুঁজে বের করায় নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম দেখার জন্য কয়েক বছর আগেই বাংলাদেশে এসেছিলেন ২০০৮ সালের নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারী ক্লিনটন। কিছুদিন আগে তার আত্মজীবনী লিভিং হিস্ট্রিতে তিনি বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম দেখে তারও ইচ্ছে হয়েছিল গোটা আমেরিকায় ÿুদ্রঋণের এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার। রাজনৈতক ব্য¯Íতায় শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। তবে মাত্র ৫০ ডলার ঋণ নিয়ে শাড়ি-লুঙ্গি উৎপাদন করে সংসার চালানোর ব্যবস্থা করার যে পদ্ধতি সেটা হিলারিকে এতোটাই বিস্মিত করেছে যে, আজো তার ঘোর কাটেনি। ÿুদ্রঋণদানকারীদের আরো একটি সংগঠন ক্রেডিট এন্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ) বলছে, ঋণ দেয়া এবং তা পরিশোধ করার ÿেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকই যে কারো চেয়ে এগিয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই তারা এÿেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। তবে সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যানুসারে পিএকেএসএফ-এর ঋণ আদায়ের হার ৯৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে গ্রামীণ ব্যাংকের আদায়কৃত ঋণের হার ৯৯ দশমিক ০১ শতাংশ। ÿুদ্রঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে মহিলারাই যে নিরঙ্কুশভাবে এগিয়ে তা বলার আর কোন অপেÿাই রাখে না। মেলায়ও সেটি দেখা গেছে। মেলায় অংশ নেয়া ১৩১টি স্টলের প্রতিটিতেই মহিলাদের আধিক্যই দেখা গেছে। সম্প্রতি দু’একটি সংগঠন পুরুষদেরও এÿেত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে। তবে মজার ব্যপার হচ্ছে, ÿুদ্রঋণদানকারী এনজিওগুলোর কর্মীদের মধ্যে কিন্তু মহিলাদের হার খুবই নগণ্য। ৭০ দশমিক ৪২ শতাংশ পুরুষের বিপরীতে মহিলা কর্মী আছে ত্রিশ শতাংশেরও কম। কিন্তু মেলাতেই সংগঠকরা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে। এবারের ÿুদ্রঋণ মেলার আরো একটি আলোচিত বিষয় হল, ভোটার আইডি কার্ড। সংগঠনগুলো বলছেন, আইডি কার্ড বা ভোটার কার্ড নিয়ে এতো যে বিতর্ক, সেখানেও এনজিওগুলো অনেক এগিয়ে। গ্রামীণসহ অন্যান্য ÿুদ্রঋণের সংগঠন এরই মধ্যে তাদের দুই কোটি সদস্যকে পরিচয়পত্র দিয়েছে। ÿুদ্রঋণ যে পর্যায়ে রয়েছে সেই অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ২০০৬ সাল থেকে পরের পনের বছরে একটি লÿ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সিডিএফ বলছে, ২০১৫ সালের মধ্যেই পৃথিবীর ১৭৫ লাখ পরিবারকে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ার লÿ্য নিয়েই ÿুদ্রঋণদাতারা কাজ করছে। পরিবার প্রতি দিনে অন্তত এক ডলার আয়ের ব্যবস্থা করে দিতেই তারা লড়াই করছেন বলেও বলা হয়েছে। মেলার তৃতীয় দিনে সেরা ÿুদ্রঋণদানকারী তিনটি সংস্থাকে পুরস্কৃত করতে এসে তত্ত¡াবধাক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহমেদও এই কথাগুলো জোর দিয়ে বলেছেন। এদিন তিনি পুরস্কার তুলে দেন নাটোরের একসেস টু লাইভলি হুড অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন (আলো), শরীয়তপুরের ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এমভিএস) এবং যশোরের রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) কে। পরদিন ÿুদ্রঋণের ওপর দাঁড়িয়ে শান্তিতে নোবেল জেতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও পুরস্কৃত করে পিকেএসএফ। বাংলাদেশে বর্তমানে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার পাশাপাশি বেশকিছু ব্যাংকও ÿুদ্রঋণদাতাদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে। সরকারী চারটি ব্যাংক সোনালী, জনতা, রুপালী এবং পূবালী সবগুলো থেকেই ÿুদ্রঋণদাতাদের ঋণ দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া অনেকগুলো বেসরকারি ব্যাংকও এরই মধ্যে ঋণ দেয়া শুরু করেছে। এগুলো হচ্ছে রাজশাহী উন্নয়ন ব্যাংক, ব্যাসিক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সোসিয়াল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, ব্যাংক অব এশিয়া, পলøী দরিদ্র বিমোবচন ফাউন্ডেশন। তবে মেলায় এসকল ব্যাংকের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যায়নি।
0 comments:
Post a Comment