শিÿানীতি হোক অসঙ্গতিমুক্ত
আলী ফোরকান
জাতীয় শিÿানীতি বা¯Íবায়ন হতে যাচ্ছে।। এটা খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। শিÿানীতির পÿে-বিপÿে অনেক সমালোচনা হবে এটাই স্বাভাবিক। কারো জন্যে এটা ভালো এবং কারো জন্যে খারাপও হতে পারে। তবে বৈষম্য এবং অসঙ্গতি যাতে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। মূলধারার কতিপয় বিষয় সকল ÿেত্রেই রাখা উচিত হবে। আর পদোন্নতির ÿেত্রে তৃতীয় বিভাগ/ শ্রেণী বর্জনপূর্বক একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি প্রশিÿণের ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। অর্থাৎ প্রশিÿণের ফলাফলের সঙ্গে পদোন্নতির একটা যোগসূত্র গেঁথে দেয়া দরকার। প্রশিÿণে যারা সর্বোচ্চ মেধা স্থান লাভ করেছেন বা করবেন তাদের পদোন্নতির ÿেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া বাঞ্ছনীয়।
বেসরকারি শিÿকদের এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাত্র ১০০ টাকা বাড়িভাড়া এবং ১৫০ টাকা চিকিৎসাভাতা প্রদান করা হয়। এখানে বাড়িভাড়া জাতীয় বেতন স্কেলের ন্যূনতম ২০% এবং চিকিৎসাভাতা কমপÿে ৫০০ টাকা দেয়া উচিত। বেসরকারি শিÿাপ্রতিষ্ঠানের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিগণ বেতনস্কেলের ৫০% উৎসবভাতা পান আর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা ও শিÿকগণ ২৫% উৎসবভাতা পেয়ে থাকেন। এÿেত্রে সবাইকেই বেতনস্কেলের ১০০% উৎসবভাতা দেয়া উচিত।
বেসরকারি কলেজ-শিÿকদের টাইমস্কেল এবং ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা জরুরিভিত্তিতে করা উচিত। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লÿ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর মতো বিজ্ঞান শিÿক ও শিÿার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার। ভারতে বিজ্ঞান শিÿকদের দেড়গুণ বেতন দেয়া হয়। কারণ বিজ্ঞানশিÿায় খরচ অনেক বেশি এবং মেধাবী শিÿার্থীরাই বিজ্ঞান পড়েন। জাতীয় বাজেটে বিজ্ঞান শিÿার জন্যে আরও বেশি বরাদ্দ থাকা আবশ্যক। পরিশেষে বর্তমান সরকারের কাছে বৈষম্য ও অসঙ্গতিমুক্ত শিÿানীতি ও তার বা¯Íবায়ন কামনা করছি।
0 comments:
Post a Comment