পরিবেশ বিপর্যয় ও টেকসই উন্নয়ন
আলী ফোরকান
পরিবেশের বিপর্যয়। প্রাকৃতিক সম্পদের অপরিমিত ক্ষয়। এটি নতুন কোন বিষয় নয়। প্রাগৈতিহাসিক হতেই এটি হয়ে আসছে। মানব সভ্যতার শুরুতেই এর সুত্রপাত। তবে তীব্রতা লাভ করেছে শিল্প বিপ্লবোত্তর। শিল্পায়ন, নগরায়ন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব, সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতার কারণে এর তীব্রতা বাড়ে। পাশ্চাত্যের ভোগসর্বস্ব এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর দারিদ্র পীড়িত অর্থনীতি ও এর জন্য দায়ী। কিন্তু এবিষয়ে মানুষের সচেতনতা ঘটেছে অনেক পরে। ১৯৫০ এর মাঝামাঝি মানব জীবনের উপর ভৌত পরিবেশের পরিবর্তনগত প্রভাব দেখা দেয়। তখন প্রথম এনিয়ে কার্যকরী চিন্তা ভাবনা শুরু হয়। কিন্তু এ ভাবনার কোন সমন্বিত ভিত্তি ছিলনা। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষকদের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। এছাড়া মানুষের চিন্তা ভাবনা পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোর পরিবেশ দূষণের সৃষ্ট স্বাস্থ্যসমস্যা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বিনষ্ট হওয়া ইত্যাদির উপরই কেন্দীভূত ছিল। ১৯৭২ সালে ডনেলা মিডোজ ও ডেনিস মিডোজ প্রণীত দখরসরঃং ড়ভ এৎড়ঃিয’ প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এক তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়। গবেষণাধর্মী উক্ত গ্রন্থে তারা বলেন,‘পৃথিবীর সম্পদের উৎস যেমন সীমাবদ্ধ; তেমনি তার দূষণ সহ্য ক্ষমতাও অসীম নয়। তারা ভবিষ্যৎবাণী করেন যে- জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে এক শতাব্দীরও কম সময়ে পৃথিবীতে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটবে। বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণের যে তাগিদ এসেছে, গ্রন্থটি প্রকাশের ও স্টকহোমের সম্মেলনের পর থেকে। উন্নয়ন প্রবাহ মানব সভ্যতার প্রত্যাশা এবং ধারণার মতোই প্রাচীন। তবে উন্নয়নের উপর গবেষণা স¤প্রতিকালের । পূর্বে উন্নয়ন বলতে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ধরা হত। উন্নয়নবাদীরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন ধারাকে ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। সবোর্চ্চ শিল্পায়নের পরও বিশ্বের অনেক দেশে নীরব দারিদ্র, দূর্ভিক্ষ, বন্যা, ক্ষরা, ভূমিক্ষয়, বিশ্ব উষ্ঞায়ন, গ্রীণ হাউজ এর প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দেয়। তখন বিশেষজ্ঞরা উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। এসময়ই উন্নয়নবাদীরা উন্নয়নের সাথে পরিবেশের বিষয়টিকে যুক্ত করেন। পাশ্চাত্য চেতনায় যে উন্নয়ন ভাবনা ও পরিবেশ চেতনা তার পরিবর্তিত রূপ হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন। একারণে টেকসই উন্নয়ন ধানণার সাথে দুটি প্রত্যয় জড়িত।
১. উন্নয়ন ধারণার পরিবর্তন। ২. পরিবেশ ধারণার পরিবর্তন।
১.উন্নয়ন ধারণার পরিবর্তন: উন্নয়নের ধারণা নিয়ে সতন্ত্রভাবে চিন্তা-ভাবনা শুরু হয় ১৯৫০ দশক থেকে। যখন সাম্রাজ্যবাদীদের নিকট থেকে উপনিবেশগুলো একে একে স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৯৬০-এর দশকে ঞযব ঋরৎংঃ টহরঃবফ ঘধঃরড়হং উবাবষড়ঢ়সবহঃ উবপধফব ; এর মাধ্যমে উন্নয়ন ধারণা সম্পর্কে আর্ন্তজাতিক সহযোগিতা ও নীতিমালা গ্রহণ করে। সেখানে বলা হয় - অনুন্নত দেশ সমূহের যে সকল উন্নয়ন সমস্যা তার দ্রুত সমাধান করতে হবে। এজন্য উন্নত দেশের অথ,প্রযুর্ক্তি এবং অভিজ্ঞতাকে উন্নয়নশীল দেশে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া উন্নয়নশীল বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কাঙ্কিত পর্যায়ে পৌঁছাতে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করতে হবে। উন্নয়ন ধারণার দ্বিতীয় ক্ষেত্রটি হলো ১৯৭০ এর দশক। ঐ সময়ের ঞযব ঝবপড়হফ টহরঃবফ ঘধঃরড়হং উবাবষড়ঢ়সবহঃ উবপধফব- পর্যালোচনায় দেখা যায়,সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক উন্নতি এবং এঘচ (এৎড়ংং ঘধঃরড়হধষ চৎড়ফঁপঃ) অর্জন করার পরও উন্নয়নের সকল সুফল পৃথিবীর সর্বত্র সমান ভাবে অর্জিত হচ্ছেনা। বরং ব্যর্থতাই বেশি। উদাহরণস্বরূপ ১৯৭০ সালে ব্রাজিলে মোট জাতীয় আয়ের ((ঞঘও ) মাত্র ৬.৫ ভাগ ভোগ করেছে ৪০ ভাগ গরীব জনগোষ্ঠী। আর (ঞঘও) প্রায় ৬৬.৭ ভাগ ভোগ করেছে মাত্র ২০ ভাগ ধনীক শ্রেণী। ঞযব ঞযরৎফ টঘ উবাবষড়ঢ়সবহঃ উবপধফব বা ১৯৮০ এর দশকের উন্নয়ন ধারাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেনা করা হয়। সেখানে উন্নয়ন ধারণার বিষয়গত পর্যালোচনা ও আর্ন্তজাতিক সহযোগিতার বিষয়টি জোরালো ভাবে বিবেচনা করা হয়। এসময় উন্নয়নকে সমাজের সামাজিক ও বস্তুগত উভয় দিকের সাথে যুক্ত করা হয়। জনগোষ্ঠী এবং অবস্থানের সাথে একটি যোগসুত্র তৈরি করা হয়। উন্নয়নের ধারণাকে শুধু মাত্র অর্থনৈতিক নয় ; বরং এর পাশাপাশি কৃষি, শিল্প , প্রাকৃতিক সম্পদ, জনসংখ্যা, যোগাযোগ, ব্যবসা বাণিজ্য ইত্যাদিও পারস্পরিক ও সমম্বয় সহযোগিতার মাধ্যমে বিবেচনা করা হয়।
২. পরিবেশ ধারণার পরিবর্তন: পরিবেশগত ধারণার বিকাশটি উন্নয়ন ধারণার মতই তিনটি সময়ের প্রেক্ষিতে বিবেচ্য। যদিও প্রকৃতি ও পরিবেশের সাথে মানুষের সম্পর্ক অতি নিবিড় এবং বিভিন্ন ধরণের । তবুও সচেতনভাবে ঊহারৎড়হসবহঃ’ প্রত্যয়টিকে প্রথম বিবেচনা করা হয় ১৯৬০ এর দশকে। ১৯৬০ এর দশকে মধ্যম শ্রেণীর শেতাঙ্গ আমেরিকানদের মধ্যে ঊহারৎড়হসবহঃধষরংস নামে একটি আন্দোলন ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করে। যেখানে বায়ু দূষণের ইস্যুকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের তত্ত¡াবধানে (সুইজারল্যান্ডে) অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরিবেশের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১৯৭২ সালে টহরঃবফ ঘধঃরড়হং পড়হভবৎবহপব ড়হ ঃযব ঐঁসধহ ঊহারৎড়হসবহঃ (স্টকহোমে অনুষ্ঠিত) সম্মেলনে পরিবেশগত সমস্যা বোঝাতে চড়ষষঁঃরড়হ ড়ভ ঢ়ড়াবৎঃু শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যেখানে উন্নয়নশীল বিশ্বের খড়পশ ড়ভ পষবধহ ডধঃবৎ ও ঝধহরঃধঃরড়হ মত অনেক সমস্যাকে উল্লেখ করা হয়। আর টেকসই উন্নয়ন (ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ) ধারণাটি এরও অনেক পরে আসে। এ শব্দ যুগল প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৯৮০ সালে ওহঃবৎহধঃরড়হধষ টহরড়হ ভড়ৎ ঃযব ঈড়হংবৎঠধঃরড়হ ড়ভ
ঘধঃরঁৎব ধহফ ঘধঃঁৎধষ জবংড়ঁৎপবং (ওটঈঘ) র্শীষক ডড়ৎষফ ঈড়হংবৎাধঃরড়হ ঝঃৎধঃবমু পধৎৎুহম ভড়ৎ ঃযব ঊধবঃয প্রতিবেদনে। উক্ত প্রতিবেদনে ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ কে প্রথমে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করা হয়। ১৯৯২ সালের জুন মাসে ব্রাজিলের রিওডি জেনেরোতে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন। এই সম্মেলন বিশ্বের উন্নয়ন এবং পরিবেশ প্রশ্নে একটি মাইল ফলক। এযাবৎকাল গৃহীত সকল প্রচেষ্টা, উদ্যোগ শ্রমের সমম্বিত ফসল হচ্ছে এ সম্মেলন। এ সম্মেলনে বিশ্বের ১৭০টি দেশের সরকার প্রধান ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এসম্মেলনে সফল অর্জন সমূহ হচ্ছে;
অমবহফধ ২১. - নামে একবিংশ শতাব্দীর বিশ্ব অর্থনীতিকে টেকসই উন্নয়নের পথে ফেরৎ আনার একটি অপঃরড়হ ঢ়ষধহ.
-ঈষরসধঃব পযধহমব ঈড়হাবহঃরড়হ-যার প্রধান উদ্দেশ্য বিশ্বের ভূমন্ডল এবং নিম্ন আবহাওয়ার উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য গ্রীণ হাউজ গ্রাসকে চিহিৃত করা হয়। এর ব্যবহার ১৯৯০ সালের স্তরে রাখার কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
ইরড়ফরাবৎংরঃু ঈড়হাবহঃরড়হ –এর মাধ্যমে জাতীয় সরকারসমূহ জৈবিক প্রজাতি, প্রাণী এবং পরিবেশগত ধ্বংস রোধের পদক্ষেপ নেয়ার অঙ্গীকার প্রদান করেছে।
১৯৯২ ও ২০০২ সালের ধরিত্রী সম্মেলনে অর্থনৈতিক উন্নয়নে দরিদ্র দেশগুলোকে সহায়তার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে শেষ হয়। চুড়ান্ত ঘোষণাপত্রে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে -২০১৫ সালের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, পয়:নিস্কাশন, দারিদ্র দূরিকরণ ও ধনী দেশের বাজারে কৃষি পণ্যের অধিকতর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। বিশ্বের প্রায় ২’শটি দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর উৎস স¤প্রসারনে একমত হয়েছেন। নারী শিক্ষা,স্বাস্থ্য অধিকার সম্মেলনে অধীকতর গুরুত্ব পায়। ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ (টেকসই উন্নয়ন): টেকসই উন্নয়ন হচ্ছে আন্ত: ও অন্ত: প্রজম্মগত সমতা। এটির স্বীকৃতি ভিন্ন পরিবেশগত সমস্যার সমাধানে বাস্তব অগ্রগতি অর্জন সম্ভব নয়। কেননা যে কোন জাতি বা প্রর্জম্ম বিদ্যমান প্রাকৃতিক সম্পদের বিপর্যস্তকরণ,অ-নবায়নযোগ্য সম্পদের ধ্বংস সাধন, নবায়নযোগ্য সম্পদের (কাঠ,মৎস্যসম্পদ) অ-টেকসই উৎপাদনের মাধ্যমে তার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের বিনিময়ে বর্তমান সম্পদের ভোগ সর্বোচ্চকরণ করতে পারে। এছাড়া এর মাধ্যমে সার্বিক টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত পারে। টেকসই উন্নয়ন শুধুমাত্র পরিবেশ সংরক্ষণের তাগিদই প্রদান করেনা। এটি নতুন এক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ইংগিত করে। যা পৃথিবীর সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের পুনরায় ক্ষতি সাধন করে না। বিশ্বের ধারণযোগ্য ক্ষমতার সাথে আপোস করবেনা। বিশ্বের গুটিকয়েক সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর পরিবর্তে সকল মানুষের জন্য সুবিধা সৃস্টির অঙ্গীকার করে।
ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ: শব্দটি বর্তমান বিশ্বের বহুল আলোচিত শব্দ। বর্তমানে উন্নয়ন বলতে ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ -কে বোঝায়। ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ একটি সামগ্রীক শব্দ। সমগ্র বিশ্বের আলোকে এটিকে বিবেচনা করা হয়। কোন অঞ্চল বা নির্দিষ্ট দেশকে এখানে বিবেচনা করা হয় নি। মূলত: ডঈঊউ ( ডড়ৎষফ ঈড়হভবৎবহপব ড়ভ ঊহারৎড়হসবহঃ ধহফ উবাবষড়ঢ়সবহঃ-১৯৮৭) প্রতিবেদন প্রকাশের পর এটি সামগ্রিকতা অর্জন করে। ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ এর ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি সম্পদ ও সুযোগ সুবিধা সুষম বন্টন হবে। মানুষের মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাপকহারে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশসমূহের মধ্যে বৈষম্য হ্রাস, জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ করতে হবে। বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধির বিষয় গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় আনতে হবে। এছাড়া শিল্প-কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে পরিবেশনীতিমালা ও পরিবেশ প্রভাব সমীক্ষা করতে হবে। নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীদের অংশ গ্রহণ, প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণসহ অন্যান্য সকল বিষয়কে ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ-এর সাথে অঙ্গীভূত করা হয়। অর্থাৎ সামাজিক, রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, পরিবেশগত ও ধর্মীয় দিক থেকে উন্নতি সাধন করাই ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ.
ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ একটি সামগ্রিক বিষয় হিসেবে বর্তমানে একটি প্রশ্ন সর্বাদিক গুরুত্ব পাচ্ছে আর তা হলো- ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ প্রকৃত পক্ষে সম্ভব কিনা ? তবে এটি একটি বিশ্বব্যাপী বির্তকের বিষয়। সঠিক রাজনৈতিক সিন্ধান্ত গ্রহণ করা, ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য দুর করা, উন্নত দেশসমূহ কতৃক ব্যাপক হারে উন্নয়নশীল দেশসমূহে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করা। এছাড়া নারী-পুরুষ ও ধনী-দরিদ্র সকল স্তরের মানুষের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ব্যাপক হারে বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এবং সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধার সুষম বন্টনের মাধ্যমে ঝঁংঃধরহধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ- সম্ভব করে তোলা যায়
0 comments:
Post a Comment