যেন আবার আমরা ”মানুষ” হই
প্রবাদপ্রতিম দলছুট অনুষঙ্গ: ” উন্নয়নের পূর্বশর্ত শিক্ষা” টিভি বিজ্ঞাপনের ন্যায় প্রতিনিয়ত মগজে শূল বিদ্ধ করে। বিদ্রোহী মন এখন আর প্রশ্ন তোলে না। সভ্যতার চালকবৃন্দ থেকে শুরু করে উজির নাজির এমনকি দিন মজুর, সকলেই অনমনীয় শব্দগুচ্ছের এ নির্মম গাথুনিকে মেনে নিয়েছেন এক বাক্যে। হয়ত জাতির মেরুদন্ড বলে, কিংবা উল্টো রথারেনাহী নৈসর্গিক সুখানুভবে বিভোর মুনি ঋষিদের স্বপ্ন ভঙ্গের কারন হবেন না বলে কিংবা হাজার ও যুক্তি তর্কের মুখে বুকের পাটা উঁচু করার সামথ্য নেই বলে, অথবা বরতে পারেন,রাষ্ট্রারোপিত অহেতুক ঝঞ্জাটি এড়াতে মেরুদন্ডহীনরা চুপিসারে এ সত্য বয়ান টি মেনে নিয়েই নিরন্ত হননি বরং স্বরগ্রামকে যথাসম্ভব উঁচুতে তুলে শিক্ষাকে জাতির মেরুদন্ড বানিয়ে মোসাহেবী ভাব দেখান। একটি বারের জন্য ও ভাবেন নি সেই মানুষদের কথা,যাঁরা জাতির শিক্ষা নামক মেরুদন্ডকে সোজা রাখতে গিয়ে নিজেদের মেরুদন্ড কাদা মাটিতে গুলিযে ফেলেছেন। পরম ত্যাগী এ বোদ্ধাদের (যাঁরা শিক্ষা দান করেন) চিন্তা বাদ দিয়ে, শিক্ষা,শিক্ষা বলে কোরাইশ গাইলেও দেশ উদ্ধার হবে, এমন টা আমরা মনে করি না। একটু পরিশ্রম করে খোঁজে দেখুন তো, (রাষ্ট্রযন্ত্রের চালকবৃন্দ) একবারের জন্য হলে ও শিক্ষার ঝুলি হাতে ভিক্ষুকের বেশে শিক্ষকের দরজায় কড়া নাড়েন নি, এমন কেউ আছেন কি না। দৃঢ় আস্থার সাথে বলছি, আপনাদের মতো অন্তত একজনকে ও খুঁজে পাওয়া যাবে না। পাওয়া গেলে কান কেটে হাতে ধরিয়ে দিন। হাসলেন! হাসবেনই তো! গুরুজনের পেটে লাথি, হাসতে হাসতে পরান যায়। শ্রদ্ভেয় গুরুজী, এমন কি গুরু মারা বিদ্যা শিখালেন, সবাই মিলে আজ আপনাদের অস্তিত্বকেই বিলীন করতে বসেছি। মিক্ষাগুরুর উরু ভেঙ্গে কী করে জাতির মেরুদন্ড সোজা থাকতে পারে, তা আমাদের বোধের বাইরে। তাই বিনয়ের সাথে বলছি, গুরুজী,আমাদের নতুন করে দীক্ষা দিন, যেন আবার আমরা ”মানুষ” হই।
0 comments:
Post a Comment