Sunday, June 28, 2015

তাঁর বাড়ি টুঙ্গিপাড়া-বাংলাদেশের সমান!



তাঁর বাড়ি টুঙ্গিপাড়া-বাংলাদেশের সমান!

ড.ফোরকান আলী
‘তাঁর কোন দেশের বাড়ি নেই / তাঁর বাড়ি টুঙ্গিপাড়া-বাংলাদেশের সমান!’-কবিতায় যাঁর সম্পর্কে এমন পংক্তি সাজানো হয়। যাঁর নেতৃত্বে ‘একদিন এ-ভূমি মাতৃগর্ভের ভ্রুণের মতো / অন্ধকারে ডুবে ছিল’ ব্যথাতুর কাব্য-গাথা থেকে বেরিয়ে আসে। পরাধীনতার  দীর্ঘ রজনীর অবসান ঘটায় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। স্বাধীন বাংলাদেশ শিরোনামে আর উড়তে থাকে সিক্ত রক্তে গ্র্রথিত হওয়া লাল-সবুজের পতাকা। প্রিয় পতাকার ছায়ায় প্রত্যয়ে-ভালোবাসার কণ্ঠে ধ্বণিত হয়। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি----’। জাতীয় সঙ্গীতের সুর সেই প্রিয় নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অর্ধ-শত বছরের ও বেশি আগে বা ১৯৫৪ সালে নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া থেকে নির্বাচিত হয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী হন। ইতিহাসের বাঁক বদলাবার সুযোগ পেয়েছিলেন। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের মধ্যে দিয়ে নতুন ইতিহাসের জনকও হয়েছিলেন। নিভৃত পল্লী টুঙ্গিপাড়া থেকে বাংলাদেশের সর্বত্র তিনি সমান ব্যঞ্জনায় উপস্থিত। তাই তাঁর নামে তাঁর নির্বচনী সূতিকাগার প্রথম নির্বাচনী এলাকায় একটি সড়কের কেন? একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারে। সমগ্র জীবন জুড়ে যিনি বিশ্বস্ততায় বুকের রক্তে প্রমান দিলেন বাংলাদেশ সেই প্রিয় নেতার নামে হোক না টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া। জকিগঞ্জ থেকে কালিগঞ্জ অবধি বেশুমার প্রতিষ্ঠান। সড়ক-সেতু-বিমান বন্দর। এতে একজন বাঙালিও দুঃখ পাবে না। খুশি হবে স্বীকৃতির জন্য। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় অন্য রাজনৈতিক নেতা কিংবা মনীষিদের নামে ও নামকরণ হলে তাতে বঙ্গবন্ধুর পরিধি আরো বাড়বে। শুধু বঙ্গবন্ধু নন, তাঁর তনয়া গণতন্ত্রের মানসকন্যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রূপকার, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামেও সড়ক-সেতু-প্রতিষ্ঠানের নাম হতে পারে। দল-মত-পথ নির্বিশেষে সকলের দেশ বরণ্য চরিত্রের কাছে ফিরে যেতে দোষ নেই। বরং তা গুণের, জাতি গঠনেও সহায়ক। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বাম-ডান-মধ্যপন্থীদেরও এ বিষয় উপলব্ধি করতে হবে। সাম্যক জ্ঞান লাভ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সম্মানিত পাঠাকের বিরক্তির জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এখন আর ভনিতা নয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক সময়ের নির্বাচনী এলাকা খুলনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে রাজনীতির যে মেরুকরণ হয় তা টুঙ্গিপাড়া-কোটালিপাড়া-গোপালগঞ্জ হয়ে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে পর্যন্ত টেউ লাগে। অথচ সুষম উন্নয়ন বঞ্চিত হয় খুলনা অঞ্চল।  পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হওয়ায় সবচেয়ে বড় খুশি খুলনার মানুষ। অথচ খুলনার মানুষ রাষ্ট্রপরিচালনার জন্য যারা সরকার গঠন করেছে তাদের আমলে তাদের দাবিকৃত রাজস্বসহ সকল পাওনা পরিশোধ করেছে। তারপরও অপরাজনীতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।  এই অশুভ বুদ্ধির ফলে, অপরিণামদর্শিতা হেতু আওয়ামীলীগ বিরোধী শিবিরের ছিটে ফোঁটা দু’চারজন দলীয় লোকও হারিয়েছে। তবু শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধু হত্যার একুশ বছর পর ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ প্রথম বার সরকার গঠন করে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নির্ভর সুষম উন্নয়ন নীতি নির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষও সুষম উন্নয়নের আশায় বুক বাঁধে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হবে। গ্রাম থেকে ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা সদর। উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে রাজধানী কিংবা সমগ্র দেশের যে কোন অঞ্চলে নিরাপদে ও সহজে পৌঁঁছে যেতে পারবে। কিন্তু খুলনার কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায়,শিল্প এলাকার মানুষ সুইসাইড বা  আত্মহননের কথা ভাবতে লাগলো। তারা জনশ্রুতি হয়ে ওঠা এক আত্মহননকারীর জীবনের ভয়ে পূর্ণিমার রাতে হ্যারিকেন নিয়ে আঙিনার গাছে গলায় রশি ঝুলিয়ে মরার কথাও স্মৃতির কার্ণিশে নিয়ে এলো। ভয় ভাঙা শুরু হলো। তাদের ধারনা  হলো জেনে-শুনে বিষপান থেকে মুক্তি পাবে এলাকাবাসী। কারণ যে যৎসামান্য সড়ক যোগাযোগ তা মৃত্যুকূপ। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সদর, মাদারীপুর, বরিশাল বা বাঁশবাড়িয়া হয়ে খুলনা-মংলা বন্দর, যাওয়া মানে ‘একটি শোক সংবাদ’ খামে পুরে যাওয়া। লাশ বা সরকারি হাসপাতালে আনীত অহত মানুষটি ব্যবচ্ছেদ শেষে কফিন হয়ে প্রিয়জনের সন্নিধ্য লাভ করা, অশ্রুসিক্ত হওয়া। কখনো কখনো সে সুযোগও হয় না। মানুষ নিজেও জানে তাকে মরতে হবে। তবে অপরিণত বয়সে কেউ মরতে চায় না। যে পরিস্থিতি শামাল দেয়া যায়। যে মুত্যু সচেতনতার ফলে কমিয়ে আনা যায়, যে মৃত্যু রোধ করা যায় (যেমন শিশু ও মাতৃমৃত্যু) সে মৃত্যু কারো কাম্য নয়। আত্মহননের জন্য যে হ্যারিকেন নিয়ে যায় সেও বাঁচতে চেয়েছিল আর বাঁচতে চাওয়া-ই স্বাভাবিক বরং বাঁচতে না চাওয়া অস্বাভাবিক। এমনকি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এমন মৃত্যু সংঘটন কোনো ধর্মগ্রন্থও সমর্থন করে না, প্রকৃতি বিরুদ্ধও। দেখতে দেখতে সাফল্য ব্যর্থতায় পাঁচটি বছর ইতিহাস হয়ে ওঠে বঙ্গবন্ধু পরবর্তী প্রথম আওয়ামী লীগ সরকারের। এরপর ২০০৮ সালে আবারও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদ্বিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলেও বঙ্গবন্ধুর মতো উদার চিত্তের অধিকারী হওয়ায় অন্য সরকার প্রধানদের মতো আঞ্চলিক উন্নয়নে ব্যাপকতর ভূমিকা রাখতে পারনেনি। নির্বাচনী এলাকার ভোটার জনসাধারণ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। একদিকে তারা প্রিয়নেত্রীর উপলব্ধির কথা বোঝে অন্যদিকে এলাকার সড়ক ব্যবস্থাপনার বেহাল অবস্থার কথা বোঝে। তারা এও বোঝে প্রিয়নেত্রীর বর্ণি-সোনাখালি-বাঘিয়া-চান্দা বিলের কথাও অজানা নয়। মৃত্তিকা সংলগ্ন মানুষ তিনি। তাই কষ্ট লুকাতে চায় এলাকাবাসী কিন্তু সড়ক  দুর্ঘটনা সংবাদ, স্বজনের কাছে ফিরে আসা কফিন, আহত নিকট জনের গোঙানি আর্ত চিৎকার তাদের বে-আব্রু করে তোলে। নিজের অজান্তে প্রতিবাদ মিছিলও করে। সাম্প্রতিক গণমাধ্যম ও পত্র-পত্রিকায় হামলা-মামলার শিকারের খবরও প্রকাশ হতে দেখা যায়। অথচ যারা প্রতিবাদ মিছিলে শরীক হলো তাদের যদি জিজ্ঞেস করা হয়। তোমরা কি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মিছিল করছ ? সোজা সম্মস্বরে উত্তর আসবে, না, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাদের নির্বচিত এম.পি। তাঁর বিরুদ্ধে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। আমরা চাই, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন রোধ হোক। সমগ্র দেশে সুষম উন্নয়ন নীতির আলোক কাজ করা হোক। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় অবহেলিত এই জনপদ প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার সড়ক যোগযোগ নিরাপদ, ঝুুঁকিমুক্ত ও সহজতর করা হোক। থুলনার শিল্প এলাকায় আবার মিলের হুইসেল শোনা যাক। সুষম উন্নয়নের স্বার্থে অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের স্বার্থে ভাগ্য বিড়ম্বিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া), গোপলগঞ্জ ও বৃহত্তর ফরিদপুর বিশেষ করে খুলনা, বরিশালের উজিরপুর, আগৈলঝাড়া, গৌরনদি, পিরোজপুরের অংশ বিশেষ, বাগেরহাটের চিতলমারী, মোল্লারহাট, নাড়াইল, মাদারীপুরের রাজৈর, কালকিনি এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে নিম্নোক্ত কাজ সমূহ সম্পন্ন করতে হবে। যথা-১. বঙ্গবন্ধুর মাজার ঘিরে যোগাযোগ বলায় প্রতিষ্ঠা করা, ২. মাজার থেকে সোনাখালী-গোপালপুরখানবাড়ি-ঘাঘর সড়ক নির্মাণ, ৩. মাজার থেকে বিদ্যমান সড়ক-রাস্তা বিশেষ করে বর্ষাপাড়া-তারাশি সড়ক নির্মাণ দ্রুত সমায়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, ৪. বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট-কোটলিপাড়া-গোপালগঞ্জ সড়ক সম্প্রসারণ ও নির্মাণ, ৫. বরিশালের উজিরপুরের-সাতলা-ধারাবাশাইল-তারাইল-টুঙ্গিপাড়া সড়ক নির্মাণ,৬.চিতলমারি-বাঁশবাড়িয়া-কুরপালা-কোটালিপাড়া-রাজৈর রাস্তার সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন, ৭. রাধাগঞ্জ-পীরেরবাড়ি-শশিকর-কালকিনি সড়ক নির্মাণ, ৮. বরিশালের সাতলা-বাঘধা-বেঁড়িবাধের  মতো গোপালগঞ্জের পাচুড়িয়া থেকে লেবুতলা- তারাইল- গোপালপুর খানবাড়ি- কাকডাঙ্গা চিতশি হয়ে তারাশি বেঁড়িবাধ নির্মাণ, ৯. গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে উন্নিত করা, ১০. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, ১১. বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর সোনাখালী-বর্নি বা বাঘিয়া বা চান্দার বিলে নির্মাণ করা, ১২.  প্রধানমন্ত্রীর দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা, ১৩. বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করা, ১৪. কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত হাসপাতালে রূপন্তর করা, ১৫. ই.পি.জেড স্থাপন করা, ১৬. কোটালিপাড়ার দু’টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারী করা, ১৭. উজিরপুর থেকে কোটালিপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া সড়ক নির্মাণ করা, ১৮. পদ্মা সেতু নির্মাণ, ১৯. বঙ্গবন্ধু দারিদ্র বিমচন কেন্দ্রকে একাডেমিতে রূপন্তর করা, ২০. কৃষি কলেজ স্থাপন করা, ২১.কোটালিপাড়ায় একটি নার্সিং ইনষ্টিটিউট দ্রুত চালু করা ২২. পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা করা, ২৩. বঙ্গবন্ধুর মাজার ঘিরে পর্যটন এরিয়া গড়ে তোলা প্রয়োজনে ইকো পার্ক স্থাপন, ২৪. পূর্ব গোপালগঞ্জ, দক্ষিণ পশ্চিম কোটালীপাড়া ও উত্তর টুঙ্গিপাড়ার মধ্যবর্তী এলাকা নিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন জোন গঠন করা। ২৫.খুলনায় বিমান বন্দরের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা। ২৬. খুলনার সার্বিক উন্নয়নে যর্থাত বরাদ্ধ দেয়া। এভাবে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করলে কারো কোন ক্ষোভ থাকবে না। বরং জাতীয় উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার মানুষের অংশ গ্রহণ আরো নিশ্চিত ও কার্যকর হবে। অবহেলিত এ জনপদের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে হলে উল্লেখিত সমস্যার সমাধান আশু প্রয়োজন। দ্বিতীয় মেয়াদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব ভার গ্রহণ করায় নির্বাচনী এলাকার মানুষ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রত্যাশী। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আইনের শাসান প্রাপ্তিতে বিশ্বাসী মানুষ যে আশা নিয়ে বুক বেধেছিল তা যাতে ভেঙে না যায়। তার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের নজর দেয়া জরুরি। দ্বিতীয় মেয়াদের অর্ধেক সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পথে। অর্থনৈতিকভাবে পশ্চাৎপদ, রাজনৈতিকভাবে সুবিধা বঞ্চিত ও উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ,খুলনা তথা দেশের সমগ্র সুষম উন্নয়ন বঞ্চিত অবহেলিত জনপদের উন্নয়নে বিশেষ নীতি প্রণয়ন ও দ্রুত কার্যকর আবশ্যক। কারণ কারো জীবন ও সম্পদ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই এবং এও একধরণের মানবাধিকার লংঘন। লেখক: গবেষক ও সাবেক অধ্যক্ষ

0 comments:

Post a Comment