স্বশাসনের দুয়ার খুলতে হবে
রতনদ্বীপ
কেন্দ্রীয় সরকার তিন সদস্যের এক অরাজনৈতিক টিম তৈরি করল। কাশ্মীর ঘুরে কাশ্মীরের সব শ্রেণীর মানুষ কী চায় সে সম্পর্কে এক সমাধানের সূত্র খুঁজে বের করতে। তিন সদস্যের টিম তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। ফলে গত পাঁচ মাস ধরে কাশ্মীরে আর কোনো ঘটনা ঘটেনি
যাক, এবারের মতো ফাড়াটা কেটে গেল। কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস ভালোয় ভালোয় উতরে গেল। প্রতিবারের মতোই প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লির রাজপথজুড়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে এবারও আড়ম্বরের কোনো ত্র“টি ছিল না। এমনকি জম্মু ও কাশ্মীরের ট্যাবলোতে জাতীয় পোশাক পরে নাচ-গান করলেন সেখান থেকে আগত শিল্পীরা। এ মুহূর্তে দেশের ৬০টি জেলায় যে মাওবাদীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ও নির্বিচারে মানুষ আর পুলিশ খুন করছে তা দেশের এই সবচেয়ে বর্ণাঢ্য সমাবেশ ও উৎসব সমারোহ দেখে মনে হয় না। ভারতের কাছে দৈনন্দিন হত্যা, বোমাবাজি, দুর্নীতি (এখন তার ভালো নাম স্ক্যাম), সাত শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি এখন সব রুটিন ব্যাপার। তবে হ্যাঁ, এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের নেতা ড. মনমোহন সিংয়ের কপালে ভাঁজ ফেলেছিল বিজেপির ‘কাশ্মীর চলো’ অভিযান। শ্রীনগরের লালচকে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলতে চেয়েছিলেন তারা। এই একটা আইটেমই প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির অমন একটা বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানকে মাটি করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল।
কাশ্মীর নিঃসন্দেহে এখন ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য। যে কোনো ভারতীয় অবাধে কাশ্মীর যেতে পারে। কোনো পারমিট লাগে না অথচ এখনও অরুণাচল, মিজোরাম বা নাগাল্যান্ডে যেতে হলে ভারতীয়দের ইনার পারমিট লাগে। স্বাভাবিক সময় প্রতি বছর ৫০ লাখের মতো ভারতীয় পর্যটক শুধু ভূস্বর্গ দর্শন করতে যায়। হাজার হাজার কাশ্মীরি ভারতের বিভিন্ন স্থানে হয় ব্যবসা না হয় চাকরি করেন। কাশ্মীরেও একই ভারতীয় মুদ্রা। গত বছর ভারতীয় পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরিচালিত আইএএস পরীক্ষায় প্রথম হন একজন কাশ্মীরি। এ বছর দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে কাশ্মীরি তরুণ-তরুণীরা একটি সুন্দর ট্যাবলো বের করেছিলেন। ভারত সরকারের মন্ত্রিসভায় কাশ্মীর থেকে দু’দু’জন মন্ত্রীথ স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ ও বিকল্প জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী ডা. ফারুক আবদাল্লা। ভারতীয় লোকসভায় ও রাজ্যসভায় কাশ্মীর থেকে নির্বাচিত সাংসদরা নিয়মিত বসেন।
তবে সেই সঙ্গে এ কথাও ঠিক, কাশ্মীরকে ভারতে রাখতে এখনও কাশ্মীর উপত্যকায় এক লাখ ভারতীয় সৈন্য রাখতে হয়। কাশ্মীরই ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে সরকারি অফিসে খুব কমই জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যায়। আর প্রজাতন্ত্র দিবসে সেখানে প্রকাশ্যে ভারতীয় পতাকা তুলতে গেলে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা হুমকি দেয়, জাতীয় পতাকা তুলতে গেলে তার পরিণাম ‘ভয়াবহ’ হবে। কাশ্মীরই ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে পাকিস্তানপন্থিরা প্রকাশ্যে ঘোষণা করতে পারে, তারা চায় কাশ্মীরের পাকিস্তানভুক্তি। মোটামুটি তিন শ্রেণীর লোক বাস করে কাশ্মীরে- পাকপন্থি, যারা চায় কাশ্মীর পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হোক। আরেক দল চায় কাশ্মীর পাকিস্তান-ভারত কারও সঙ্গে থাকবে না। কাশ্মীর হবে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। আরেক দল মনে করে, যা আছে তাই থাক। ভারতে থাকার ফলে কাশ্মীরিদের লাভ ছাড়া ক্ষতি হচ্ছে না। কাশ্মীরের উন্নয়নের যা কিছু ব্যয়ভার সবই ভারত সরকার গ্রহণ করছে। অনেক নিত্যব্যবহার্য বস্তু ভর্তুকিতে পাওয়া যাচ্ছে। ভারত পাকিস্তানের চেয়ে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ। ভারতের সঙ্গে থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা অনেক বেশি। বিশেষ করে কাশ্মীরের প্রধান শিল্প পর্যটন ভারতের সঙ্গে থাকলেই সমৃদ্ধ হবে, হচ্ছেও। এদের মধ্যে স্বাধীনতাকামীরাই শক্তিশালী। পাকপন্থি ও স্বাধীনতাকামী প্রত্যেকেরই জঙ্গি মুখ আছে। তাই যেসব মানুষ সাতে-পাঁচে না থেকে খেয়ে-পরে বাঁচতে চায় তাদের সংখ্যাই বেশি। তারাই যে কোনো সরকারি চাকরির জন্য দলে দলে নাম লেখায়। তারা সরল, পরিশ্রমী, সাতে-পাঁচে না থেকে পরিশ্রম করে রোজগার করতে চায়। তাই তারা প্রথমত চায় শান্তি। কিন্তু কাশ্মীরে সশস্ত্র উগ্রপন্থি ও ভারত সরকারের সশস্ত্র বাহিনীথ দুয়ের দাপটে মারা যাচ্ছে এই উলুখাগড়ারা। প্রায় বছরখানেক ধরে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কাশ্মীরে সহিংস আন্দোলন চলছিল। আন্দোলনটা অদ্ভুত রকমের। তারা সশস্ত্র পুলিশ বা মিলিটারি দেখলেই পাথর ছুড়ে আহত করত। সশস্ত্র বাহিনীর হাতে বন্দুক। যদিও তাদের গুলি ছোড়া বারণ ছিল। কিন্তু বারবার আহত হওয়ায় বিধিনিষেধ না মেনে তারা ট্রিগার হ্যাপি হয়ে ওঠে। পুলিশের গুলিতে একে একে টিনএজার বিক্ষোভকারীরা মারা যেতে থাকে। এদের মধ্যে কিছু কিছু নিরীহ মানুষও ছিল। সব মিলিয়ে ১১২ জনের মতো তরতাজা তরুণ মারা যায় বছরখানেক ধরে চলতে থাকা এই বিক্ষোভ আন্দোলনে। এতে আন্দোলন আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদাল্লার তখন খুব খারাপ সময়। ভারতের সব খবরের কাগজ লিখছে ওমর অনভিজ্ঞ, অপদার্থথ এই আন্দোলন তিনি সামাল দিতে পারছেন না। তাকে বরখাস্ত করে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা হোক। দিলিহ্ম সে সময় কাশ্মীর থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করার কথাও ভেবেছে। কিন্তু গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, এতে ফল আরও খারাপ হবে। জিহাদিরা এতে শক্তিশালী হবে। সীমান্তের ওপর থেকে দলে দলে আরও জিহাদি ঢুকে পড়বে। তখন ভাবা হলো, সশস্ত্র বাহিনীকে এখন যেমন গুলি চালানোর অবাধ ক্ষমতা দেওয়া আছে এই আইনটি সংশোধন করা হোক। এই আইনটি আসাম-মণিপুরেও চালু আছে। মণিপুরে তো এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু আইন প্রত্যাহারে সেনাবাহিনীর তীব্র আপত্তি। তাদের কথা, আমাদের জওয়ানরা সীমান্ত রক্ষার জন্য, জিহাদিদের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য প্রাণ দিচ্ছে। কিন্তু সেনাবাহিনীর হাতে বিশেষ ক্ষমতাটুকু না থাকলে তারা কিছুই করতে পারবে না, শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মার খাবে।
দিলিহ্ম তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ়। বিরোধীরা মনমোহন সিংহের সরকারকে দুষছে। এত লোক রোজ মারা যাচ্ছে। লাগাতার ধর্মঘট আর কারফিউ চলছে। পর্যটন শিল্পে নাভিশ্বাস উঠছে। পুলিশ ও জনতা উভয়ই মারমুখী। সে এক অসহনীয় অবস্থা। দিল্লির কর্তারা সে সময় কাশ্মীরের সব নেতাকে ডাকলেন, এমনকি পাকিস্তানপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা গিলানিকেও ডাকা হলো। কিন্তু সমাধান সূত্র বের হলো না। তখন কেন্দ্রীয় সরকার তিন সদস্যের এক অরাজনৈতিক টিম তৈরি করল। কাশ্মীর ঘুরে কাশ্মীরের সব শ্রেণীর মানুষ কী চায় সে সম্পর্কে এক সমাধানের সূত্র খুঁজে বের করতে। তিন সদস্যের টিম তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। ফলে গত পাঁচ মাস ধরে কাশ্মীরে আর কোনো ঘটনা ঘটেনি।
কাশ্মীরকে নিয়ে বিজেপির রাজনীতি আজকের নয়। কাশ্মীরের সম্পর্ণ ভারতভুক্তির পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ১৯৫৩ সালে কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেখ আবদাল্লা। কাশ্মীরের ভারতভুক্তির প্রশ্নে তিনিই সেদিন নেহরুর সবচেয়ে বড় সমর্থক ছিলেন। পরে অবশ্য তিনি তার অবস্থান থেকে সরে এসে স্বাধীন কাশ্মীরের দাবি তোলেন। এ নিয়ে নেহরুর সঙ্গে তার বিরোধ পরিণামে তিনি কারাগারে নিক্ষিপ্ত হন। ১৯৫৩ সালে কাশ্মীর ভারতের মধ্যে থাকলেও তার কতগুলো স্বাতর্ন্ত্য ছিল। ভারতীয় নাগরিকদের কাশ্মীরে যেতে পারমিট নিতে হতো। জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ (তখন তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করে নতুন হিন্দুত্বঘেঁষা দল করেছেন- জনসংঘ এই সাবেক জনসংঘের নেতারাই ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি তৈরি করেন)। শ্যামাপ্রসাদ এক বিশাল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী নিয়ে ১৯৫৩ সালের ১১ মে এই একই সীমান্ত দিয়ে পারমিট আইন অমান্য করে কাশ্মীরে ঢুকতে গিয়েছিলেন। আবদাল্লা তাকে গ্রেফতার করে কাশ্মীরের নিশাতবাগে অন্তরীণ করে রাখেন। তার কিছুদিন পর ২৩ জুন অন্তরীণ অবস্থায় রহস্যজনকভাবে শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যু হয়। বাঙালির কাছে শ্যামাপ্রসাদ খুব জনপ্রিয় ছিলেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও সুভাষ চন্দ্র বসুর পর তিনিই পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র সর্বভারতীয় নেতা। তার মৃতদেহ কাশ্মীর থেকে কলকাতায় নিয়ে এলে শোকযাত্রায় যে ভিড় হয়েছিল তা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বাঙালির বিশ্বাস, শ্যামপ্রসাদকে বিষ দিয়ে হত্যা করেছিলেন আবদাল্লা। সেই ঘটনার ৫৭ বছর পর শ্যামপ্রসাদের উত্তরাধিকারীদের আবার কাশ্মীর অভিযান। আবার গ্রেফতার বরণ সুষমা স্বরাজ প্রমুখ নেতাদের। এখন কাশ্মীরের ক্ষমতায় আসীন শেখ আবদাল্লার নাতি ওমর আবদাল্লা। এবারে সঙ্গত কারণেই নেতাদের গ্রেফতার। কিন্তু না, ঠাকুরদার মতো নাতি এবার বিজেপি নেতাদের জেলে পাঠাননি। শ্রীনগরে সরকারিভাবে প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রবল পাহারার মধ্যে কুচকাওয়াজ ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়। ওমর মুক্ত করার অফার দিয়েছেন, ‘শ্রীনগরে এসে আমার পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন।’ ভারতে অনেকে মনে করেন, নবীন প্রজন্মের উদার দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী ওমর আবদাল্লার হাত ধরেই কাশ্মীরের শান্তি ফিরে আসতে পারে। কিন্তু ভারতে বিজেপির নেতাদের মতো অনেকে আছেন, যারা গায়ের জোরে কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে রাখতে চান আবার অরুন্ধতী রায়ের মতো লেখক ও বুদ্ধিজীবী ব্যক্তিও আছেন যারা মনে করেন কাশ্মীর কখনও ভারতে ছিল না। কাশ্মীরবাসীর হক আছে আÍনিয়ন্ত্রণের, স্বাধীন হওয়ার। বুদ্ধিজীবীদের গোপন এজেন্ডা আজও ধোঁয়াশা, ‘কাশ্মীর কোনো দিনও ভারতের অংশ ছিল না’থ এ কথা দিল্লিতে এক বক্তৃতায় বলায় অরুন্ধতীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা করা হয়েছে। সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের লব্ধ প্রতিষ্ঠ চিকিৎসক ডা. বিনায়ক সেনকে ছত্তিশগড় আদালত দেশদ্রোহিতার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। যদিও হাইকোর্টে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে এবং উচ্চতর আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ না টেকারই সম্ভাবনা। কেননা, নকশালদের গোপন কাগজপত্র তিনি কলকাতার এক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দিতেন, এই অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া যায় না। ডা. সেন একজন মানবাধিকার কর্মী ছিলেন। গরিব মানুষের ডাক্তার ছিলেন। অমর্ত্য সেনসহ নোবেল পুরস্কার পাওয়া আরও চারজন তার গ্রেফতারের প্রতিবাদ করেছেন।
অনেকের মতে, স্বাধীন মতামত দলন করে পুলিশ ও মিলিটারি দিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। সেখানকার জনগণের মধ্যে শান্তি ও শৃ´খলার বাতাবরণ তৈরি করতে হবে। মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও আসামে সাধারণ মানুষই আজ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। ওমর আবদাল্লার মতো তরুণ প্রজন্মের নেতাদের ওপর বিশ্বাস রেখে কাশ্মীরের তরুণ প্রজন্মকে বোঝাতে হবে, কোন ধরনের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা তাদের কাম্য। রাজনৈতিক-গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে তরুণ প্রজন্মকে শামিল করতে হবে। কাশ্মীরের বড় সমস্যা দারিদ্র্য আর বেকারত্ব। বড় শিল্প না হয় না-ই হলো। ছোট ছোট অসংখ্য শিল্প ও পর্যটন শিল্পের প্রসার আর শান্তির সপক্ষে লাগাতার আন্দোলন কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায়। সেটি আর্মিকে দিয়ে করা সম্ভব নয়। আর্মি সীমান্তে থাকুক কিন্তু শহরে নয়। আর চাই ধীরে ধীরে স্বয়ং শাসনের পথ উন্মুক্ত করাথ শুধু কাশ্মীর নয় ভারতের সব রাজ্যের জন্যই এটি দরকার। লেখক: সাংবাদিক
Sunday, April 26, 2015
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
0 comments:
Post a Comment