Friday, December 6, 2013

ঝুঁটিওয়ালা বিরল শকুনের সন্ধান

ঝুঁটিওয়ালা বিরল শকুনের সন্ধান
 ড.ফোরকান আলী
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ছোবল শুধু মানুষ ও বন্য জীবজন্তুর ওপরই পড়েনি। পীকুলও তার থেকে রেহাই পায়নি। তার প্রমাণ বিলুপ্ত অথবা বিপন্ন প্রজাতির বহু পাখি। এক সময় এশীয় দেশগুলোর বিশেষ করে ভারতবর্ষে ও আমাদের দেশে নানা প্রজাতির শকুন আকাশকে মুখরিত করে রাখতো। কোথাও মরা জীবজন্তুর দেহ পড়ে থাকলে তো কথাই নেই। হাজারো শকুনের দেখা মিলতো। কিন্তু আজ আর তেমনটি চোখে পড়ে না। তবে আশার আলো দেখা গেছে ভারতের হিমাচল প্রদেশে। প্রদেশটির বন সংরণ বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, বন্যপ্রাণী পর্যবেকের একটি দল সম্প্রতি চীন সীমান্তের কাছে হিমাচল প্রদেশে ঝুঁটিওয়ালা দুই শতাধিক শকুন দেখতে পেয়েছেন। যা দীর্ঘদিন ছিল লোকচক্ষুর অন্তরালে। ধরেই নেয়া হয়েছিল ঐ জাতীয় শকুন সম্ভবত বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তাঁর ভাষায়, বিরল প্রজাতির শকুনের বিশালকায় ঝাঁক দর্শন সত্যিকারেই তাৎপর্যপূর্ণ। তার ভাষায় এদের পাঁচটি প্রজাতির মধ্যে ভারতে চারটিই এখন বিপন্ন। ঝুঁটিওয়ালা শকুনের যে ঝাঁক দেখা গেছে তাও চীন সীমান্তের একেবারে কাছে। হিমাচল প্রদেশের প্রত্যন্ত লাহুয়াল স্পিট জেলায়। পী বিশেষজ্ঞদের ধারণা গোটা বিশ্বে ঝুঁটিওয়ালা এ প্রজাতির শকুনের সংখ্যা দুই থেকে দশ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাদের মতে, গবাদি পশুকে ব্যথা নিবারণকারী ওষুধ ডাইকোফেন সেবন করানোর ফলে মারাত্মক প্রভাবে পড়েছে শকুনের ওপর। কারণ একসময় ঐ সব গবাদি পশু মারা গেলে তাদের দেহাবশেষ ভণ করে শকুন। ডাইকোফেনের প্রভাবে বিষাক্ত হয়ে যাওয়া গবাদি পশুর উচ্ছিষ্ট খেলে এক পর্যায়ে বিষক্রিয়ায় মারা যায় শকুন। এমন করেই অসংখ্য শকুন মারা গেছে এশীয়, দেশগুলেতে। বিশেষ করে ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশ যেহেতু কৃষি প্রধান এলাকা। গবাদি পশু যেহেতু এ অঞ্চলের কৃষির চালিকা শক্তি তাই নানা প্রজাতির শকুনও মারা পড়েছে এ অঞ্চলেই বেশি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিপন্ন এ প্রজাতির শকুন রায় অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। একই মন্তব্য করেছেন, বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনালের মুখপাত্র। তিনি বলেছেন, যদি কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যায়, তাহলে আগামী দশ বছরের ব্যবধানে বিপন্ন প্রজাতির এ শকুনও বিলুপ্তির খাতায় নাম লিখাবে। যা প্রকৃতির জন্য খুবই খারাপ লণ।
 সূত্র: বিবিসি ওয়েবসাইট 
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267

0 comments:

Post a Comment