হারিয়ে যাচ্ছে সাধারণ পাখি
ড.ফোরকান আলী
পাখি প্রকৃতির এক অপার সৌন্দর্যের প্রতীক। সবুজ অরণ্যে পাখ-পাখালির কূজন এক মোহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে। তাড়িত মনকেও ণিকের জন্য করে তোলে আবেগময় উন্মাতাল। তাই প্রকৃতিপ্রেমী কবিদের অস্তিত্বে পাখির উপস্থিতি আরো বেশি করে ধরা দেয়। পাখি শুধু নন্দনতত্ত্বের খোরাকই যোগায় না। পাখি প্রকৃতিকে ফুলে-ফলে ভরিয়ে দেয়ার জন্যও বিরাট অবদান রেখে থাকে। কেননা ফুল ফসলের পরাগায়নে আরো স্পষ্ট করে বললে প্রজনন বা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিশেষ অবদান রাখে। যা অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে-মনুষ্যকূল তার এ পরম হিতৈষীকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে ফেলছে নিজেদের প্রয়োজনে। যা কিনা রীতিমতো আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের সামিল। তেমনই উদ্বেগজনক একটি বিষয়ের অবতারণা করেছে একটি পরিবেশবাদী সংস্থা। তাদের ভাষায়, অনুকূল আবাসস্থলের অভাবে পৃথিবীর সাধারণ পীকূল ক্রমেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। যার পরিণতি ভয়াবহ।পরিবেশবাদী সংস্থা বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনালের এক সমীা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ইউরোপে সাধারণ পাখির ৪৫ ভাগ ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার পরিসংখ্যান রীতিমতো উদ্বেগজনক। কেননা সেখানকার ৮০ ভাগেরও বেশি পাখি নিঃশেষ হয়ে গেছে। বলা হয়েছে গত ২৬ বছরে ইউরোপের ২০টি দেশের ১২৪টি প্রজাতির অন্ততঃ ৫৬টি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এেেত্র শস্য েেত বিচরণকারী পাখি বিলুপ্তির হার ৭৯ ভাগ। আফ্রিকার অবস্থাও নিতান্তই উদ্বেগজনক। শিকারীদের খপ্পরে পড়ে সেখানকার অসংখ্য পাখি প্রতি বছর নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এশিয়ার দেশগুলোতে অতিথি পাখি শিকারের প্রবণতা মারাত্মক। ফলে ৬২ ভাগ পাখি বিলুপ্ত হয়েছে শিকারীদের হাতে। গবেষকদের মতে শুধু শিকারীদের লোলুপদৃষ্টিই পাখি ধ্বংসের জন্য একমাত্র কারণ নয়। জীববৈচিত্র্য ধ্বংসও এেেত্র অন্যতম কারণ। প্রতিদিন পৃথিবীর কোন না কোনখানে জীববৈচিত্র্যের ওপর হাত পড়ছে। ফলে পাখি হারাচ্ছে তার বিচরণত্রে। খাদ্য সংকট এেেত্র ফেলছে আরো ভয়াবহ প্রভাব।বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানী তথ্য পরিবেশবাদী সংস্থাগুলোর মতে, সংশ্লিষ্ট সরকারগুলো জীববৈচিত্র্য রায় যে তহবিল গঠনের প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল ধরিত্রী সম্মেলনে-তা পূরণে ব্যর্থতাই পাখি বিলুপ্তিকে ত্বরান্বিত করেছে। তাদের ভাষায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১২২৬টি প্রজাতি বর্তমান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তারমধ্যে ১৯০টি প্রজাতি অচিরেই বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাদা পালকের ভারতীয় চিলের ৯৯ দশমিক ৯ ভাগ একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিশেষ করে শস্য েেত বিষটোপ এবং গবাদি পশু চিকিৎসায় প্রদাহরোধক ওষুধ ডাইকোফেনাক ব্যবহারের ফলে ভারতীয় সাদা চিলের অস্তিত্ব এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়। কারণ ডাইকোফেনাক জাতীয় ওষুধ সেবনকারী গবাদিপশুর বর্জ্য বিষাক্ত হয়ে যায়। যা ভণ করে মারা যায় চিল। পরিবেশবাদী সংস্থাগুলোর দাবি প্রতিশ্র“তি মোতাবেক সরকারগুলো যেন শিগগিরই তহবিল সংগ্রহের কাজ শেষ করে। তা না হলে জীববৈচিত্র্যের আশংকাজনক অবনতিতে পৃথিবী মনুষ্যবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে ক্রমান্বয়ে। তথ্যসুত্র:বিবিসি ওয়েবসাইট
ড.ফোরকান আলী
পাখি প্রকৃতির এক অপার সৌন্দর্যের প্রতীক। সবুজ অরণ্যে পাখ-পাখালির কূজন এক মোহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে। তাড়িত মনকেও ণিকের জন্য করে তোলে আবেগময় উন্মাতাল। তাই প্রকৃতিপ্রেমী কবিদের অস্তিত্বে পাখির উপস্থিতি আরো বেশি করে ধরা দেয়। পাখি শুধু নন্দনতত্ত্বের খোরাকই যোগায় না। পাখি প্রকৃতিকে ফুলে-ফলে ভরিয়ে দেয়ার জন্যও বিরাট অবদান রেখে থাকে। কেননা ফুল ফসলের পরাগায়নে আরো স্পষ্ট করে বললে প্রজনন বা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিশেষ অবদান রাখে। যা অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে-মনুষ্যকূল তার এ পরম হিতৈষীকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে ফেলছে নিজেদের প্রয়োজনে। যা কিনা রীতিমতো আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের সামিল। তেমনই উদ্বেগজনক একটি বিষয়ের অবতারণা করেছে একটি পরিবেশবাদী সংস্থা। তাদের ভাষায়, অনুকূল আবাসস্থলের অভাবে পৃথিবীর সাধারণ পীকূল ক্রমেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। যার পরিণতি ভয়াবহ।পরিবেশবাদী সংস্থা বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনালের এক সমীা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ইউরোপে সাধারণ পাখির ৪৫ ভাগ ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার পরিসংখ্যান রীতিমতো উদ্বেগজনক। কেননা সেখানকার ৮০ ভাগেরও বেশি পাখি নিঃশেষ হয়ে গেছে। বলা হয়েছে গত ২৬ বছরে ইউরোপের ২০টি দেশের ১২৪টি প্রজাতির অন্ততঃ ৫৬টি প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এেেত্র শস্য েেত বিচরণকারী পাখি বিলুপ্তির হার ৭৯ ভাগ। আফ্রিকার অবস্থাও নিতান্তই উদ্বেগজনক। শিকারীদের খপ্পরে পড়ে সেখানকার অসংখ্য পাখি প্রতি বছর নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এশিয়ার দেশগুলোতে অতিথি পাখি শিকারের প্রবণতা মারাত্মক। ফলে ৬২ ভাগ পাখি বিলুপ্ত হয়েছে শিকারীদের হাতে। গবেষকদের মতে শুধু শিকারীদের লোলুপদৃষ্টিই পাখি ধ্বংসের জন্য একমাত্র কারণ নয়। জীববৈচিত্র্য ধ্বংসও এেেত্র অন্যতম কারণ। প্রতিদিন পৃথিবীর কোন না কোনখানে জীববৈচিত্র্যের ওপর হাত পড়ছে। ফলে পাখি হারাচ্ছে তার বিচরণত্রে। খাদ্য সংকট এেেত্র ফেলছে আরো ভয়াবহ প্রভাব।বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানী তথ্য পরিবেশবাদী সংস্থাগুলোর মতে, সংশ্লিষ্ট সরকারগুলো জীববৈচিত্র্য রায় যে তহবিল গঠনের প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল ধরিত্রী সম্মেলনে-তা পূরণে ব্যর্থতাই পাখি বিলুপ্তিকে ত্বরান্বিত করেছে। তাদের ভাষায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১২২৬টি প্রজাতি বর্তমান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তারমধ্যে ১৯০টি প্রজাতি অচিরেই বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাদা পালকের ভারতীয় চিলের ৯৯ দশমিক ৯ ভাগ একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিশেষ করে শস্য েেত বিষটোপ এবং গবাদি পশু চিকিৎসায় প্রদাহরোধক ওষুধ ডাইকোফেনাক ব্যবহারের ফলে ভারতীয় সাদা চিলের অস্তিত্ব এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়। কারণ ডাইকোফেনাক জাতীয় ওষুধ সেবনকারী গবাদিপশুর বর্জ্য বিষাক্ত হয়ে যায়। যা ভণ করে মারা যায় চিল। পরিবেশবাদী সংস্থাগুলোর দাবি প্রতিশ্র“তি মোতাবেক সরকারগুলো যেন শিগগিরই তহবিল সংগ্রহের কাজ শেষ করে। তা না হলে জীববৈচিত্র্যের আশংকাজনক অবনতিতে পৃথিবী মনুষ্যবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে ক্রমান্বয়ে। তথ্যসুত্র:বিবিসি ওয়েবসাইট
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment