Wednesday, November 27, 2013

নদী রায় হাইকোর্টের নির্দেশ উপেতি

নদী রায় হাইকোর্টের নির্দেশ উপেতি
 ফোরকান আলী
রাজধানী ঢাকার পাশর্¡বর্তী চার নদী (বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতল্যা ও তুরাগ) দখলমুক্ত করতে হাইকোর্টের দেয়া রায় বাস্তবায়ন করতে পারছে না সরকার। সবোর্চচ আদালত থেকে সরকারকে বেঁধে দেয়া সময় অনেক আগেই শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নদীর দখলমুক্ত করতে না পারায় একদিকে হাইকোর্টের রায়ের লঙন হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারের দুর্বলতার সুযোগে আবার নতুন করে নদী দখল শুরু করেছে দখলকারীরা।
২০০৯ সালের ২৫ জুন হাইকোর্ট নদীর দখলমুক্ত করতে আদেশ দেয়। সে হিসেবে আদেশের দুবছর পার হলেও সর্বোচচ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করতে পারেনি সরকার। আর এজন্য রিট আবেদনকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সরকারসংশি−ষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। এরই মধ্যে তিনি সরকারসংশি−ষ্টদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন।
হাইকোর্টের রায়ের পর থেকে নদী রায় বেশকিছু পদপে নেয় সরকার। নদীর সীমানা নির্ধারণ করতে জরিপ কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি বেশকিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে সম হয় সরকার। কিন্তু নদীর সীমানা পিলার স্থাপন শুরু হওয়ার পর এ বিষয়ে আর অগ্রগতি দেখা যায়নি। সামান্য কিছু এলাকায় এ পিলার স্থাপন করা হয়েছে। বেশিরভাগ এলাকা রয়েছে এর বাইরে। ফলে নতুন করে নদীর দখল শুরু হয়েছে। অবশ্য সরকারের নদী রার এ রায় বাস্তবায়ন ছাড়া কোনো উপায় নেই। কারণ রায় সংশোধন করতে সরকারের প থেকে আবেদন জানানো হলেও এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেয়নি আদালত।
২০০৯ সালের ২৫ জুন দেয়া আদেশে রায় বাস্তবায়নের জন্য ২০১০ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারকে সময় বেঁধে দেয়া আদালত। কিন্তু সে সময়ের মধ্যে সরকার রায় বাস্তবায়ন করতে না পারায় সময় বৃদ্ধির জন্য আদালতে আবেদন জানায়। এ আবেদনের পরিপ্রেেিত নতুন করে সরকারকে গত ৩০ মে পর্যন্ত (৬ মাস) সময় দেয় হাইকোর্ট। সে সময়ও শেষ হয়েছে। কিন্তু রায় বাস্তবায়নের কাজ ততটা সম্পন্ন হয়নি। হাইকোর্টের রায় থাকা সত্ত্বেও ঢাকার চার নদী বুড়িগঙ্গা, শীতল্যা, বালু ও তুরাগ রায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারসংশি−ষ্টদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে রিট আবেদনকারী আইনজীবী।
মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের প থেকে ওই নোটিশে বলা হয়েছিল, আগামী সাতদিনের মধ্য এর জবাব না দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিকলনা, পরিবেশ, নৌপরিবহন, যোগাযোগ, অর্থ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানসহ ১২ জনকে নোটিশ দেয়া হয়েছিল বলে অ্যাডভোকেট মনজিল।
মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিচ ফর বাংলাদেশের প থেকে দায়ের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেেিত ২০০৯ সালের ২৫ জুন হাইকোর্ট ঢাকার চার নদীর ভেতরের সকল স্থাপনা অপসারণ করাসহ নদী রায় কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়। সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের দেয়া ওই রায়ের পর ঢাকার নদী দূষণমুক্ত হবে এমনটি আশা করা হলেও তার বাস্তবায়ন আজো হয়নি। রায়ে আদালত নদীগুলোর জরিপ সম্পন্ন করতে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ মুনীগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী জরিপ কাজ সম্পন হয়েছে। কিন্তু রায়ে জরিপের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে চারটি নদীর পাড় দিয়ে সীমানা খুঁটি স্থাপন করতে বলা হলেও তা বেশিরভাগ এলাকায় হয়নি। এসব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরের এক বছরের মধ্যে নদী তীরে চলাচলের পথ ও বৃরোপণ করতে বলা হয়।


†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267


0 comments:

Post a Comment