Wednesday, November 27, 2013

খাল দখলমুক্তকরণ আর উপো নয়

খাল দখলমুক্তকরণ আর উপো নয়
ফোরকান আলী
নদ-নদীর নাব্যতা রা সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠকে রাজধানীর চারটি খাল দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাজধানী ও এর আশপাশে অবস্থিত ছয়টি খালের মধ্যে চারটি খালই বর্তমানে দখল হয়ে গেছে। দখলকৃত খালগুলো হচ্ছেÑ কাটাসুর, কল্যাণপুর ‘ক’ ও ‘গ’ এবং রামচন্দ্রপুর খাল।রাজধানীতে খাল বা নদী যেভাবেই দখল হোক, তা একদিনে হয়নি। আস্তে আস্তে খাল দখল করে ভরাট করা হয়েছে, বাড়িঘর-স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে, নদী ভরাটের মাধ্যমে বেসরকারি প্লট করে বিক্রি করা হয়েছে। থানা-পুলিশ, সেটেলমেন্ট অফিস, জেলা প্রশাসন, রাজউকের আওতার বাইরে ছিল না বিষয়টি। আর কে না জানে, অবৈধ কাজ সাধারণ মানুষ করে নাÑ করে প্রভাবশালীরা। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকেও অনেকে অবৈধ কাজ হাসিল করে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, অবৈধ দখল উচ্ছেদে নামলেই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য শোনা যায়। উচ্ছেদের কাজ চলতে চলতে থেমে যেতেও দেখা যায়। উচ্ছেদকর্মীরা শক্ত প্রতিরোধের মুখেও ফিরে আসে। এভাবে চললে খাল বা নদী উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হবে এমন আশা করা যায় না।
প্রভাবশালীদের রক্তচুর চেয়ে সরকারি নির্দেশ বড়। তাই যাতে সরকারি কাজে প্রভাবশালীদের প থেকে হস্তপে করা না হয় এবং কোনো ধরনের তদবির-পাত্তা দেয়া না হয় সে বিষয়টিও খোলামেলাভাবে নির্দেশনায় রাখতে হবে। এর আগে সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল যে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ নদী বুড়িগঙ্গা, বালু ও তুরাগের অবৈধ স্থাপনা উদ্ধার কাজ শুরু হয়ে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে। রাজধানী ও এর আশপাশের দখলকৃত খালগুলোর েেত্র এর পুনরাবৃত্তি রোধ করা চাই। রাজধানীর পরিবেশ রায় খালগুলোর প্রয়োজন ছিল। বর্তমানে রাজধানী ও এর আশপাশের খাল-নদীগুলোর বেশিরভাগ দখল হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় পানি অপসারণে অসুবিধা দেখা দিয়েছে মারাত্মকভাবে। নিচু এলাকার পানি বেরিয়ে যেতে না পারায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এ ছাড়াও খালগুলো বেঁচে থাকলে জলপথে চলাচলে সুবিধা হতো। এসব বিবেচনা করেই খাল উদ্ধারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এখন দরকার নির্দেশ কার্যকর করা। এ কাজ করা সম্ভব হলে নগরবাসীর জন্য তা হবে  স্বত্তিদায়ক।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267


0 comments:

Post a Comment