Friday, November 22, 2013

সোয়াইর নদীর এখন কোন চিহ্ন নেই

সোয়াইর নদীর এখন কোন চিহ্ন নেই
 ফোরকান আলী
পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ এবং গৌরীপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের খরস্রোতা সোয়াইর নদীর এখন কোন চিহ্ন নেই। সেই নদীটি পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন এক শ্রেণীর দখলদারদের কবলে। সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে স্থায়ী পাকা স্থাপনা এবং এখনো চলছে নদীর উপর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ির দালান নির্মাণ। আবার কোন কোন স্থানে নদী ভরাট করে সেখানে বাসাবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন বর্ষার সময় পানি নিষ্কাশন হতে না পাড়ায় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এই সোয়াইর নদী দখলমুক্ত করা এবং এবং নদী খননের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এলকাবাসীর দাবির প্রেেিত এবং নদী দখলমুক্ত করার জন্য সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতিক জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে নদী দখলমুক্ত করার জন্য জনগণ দাবি জানালে সোয়াইর নদী দখলমুক্ত করা এবং খনন কাজ শুরুর সিদ্বান্ত গ্রহণ করা হয়। এসময় সেখানে ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ নূরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান এরশাদ হোসেন মালু এবং নির্বাহী কর্মকর্তা হায়দার আলী, ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় লোকজন। এই প্রেেিত শ্যামগঞ্জ বাজারের পিছন দিকে থেকে শুরু করে শ্যামগঞ্জ কলেজ, বাজারের দণিাঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী গৌরীপুর এলাকার মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া এবং এক শ্রেণীর ভূমিদস্যু কর্তৃক দখলকৃত এই নদীর উপর নির্মিত পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে নদীকে দখলমুক্ত করা এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে উদ্ধার অভিযান শুরু করার জন্য সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের লোকজন নদী এলাকা পরিদর্শন করেন। এদিকে নদীর উপর ও আশেপাশের এলাকায় বাড়ি নির্মাতারা জানায় যে, তারা সরকারের নিকট থেকে লিজ নিয়ে এখানে বাসা-বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এখন ভাঙ্গা হলে তারা আর্থিকভাবে তিগ্রস্ত হবেন। উল্লেখ্য, এই সোয়াইর নদী ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র থেকে সৃষ্ট হয়ে গৌরীপুর এবং শ্যামগঞ্জের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নেত্রকোনার কংশ নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। কিন্তু পলি পড়ে এই নদী ভরাট হয়ে যাবার পর এক শ্রেণীর ভূমিদস্যু নদী দখল করে এখানে বেআইনীভাবে বাড়িঘর নির্মাণ করে। আমরা আশাকরি এসব দখলদারদের উচ্ছেদ করে নদীকে বাঁচাবেন।


†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267





0 comments:

Post a Comment