Wednesday, November 20, 2013

উজিরপুরে সন্ধ্যা নদীর গ্রাসে বিস্তীর্ণ জনপদ

উজিরপুরে সন্ধ্যা নদীর গ্রাসে বিস্তীর্ণ জনপদ
 ফোরকান আলী
উজিরপুরের সন্ধ্যা নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হয়েছে শতাধিক বাড়িঘর ও অর্ধশত দোকানপাট। এ ছাড়া ফসলি জমি, ফলদ, বনজ বৃলমঘ, মাছের ঘের ও উজিরপুর-সাতলা পাকা সড়ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। চতলবাড়ী বাজারের মানিক মৃধা, জয়নাল ফকির, হাকিম হাওলাদার, খলিল হাওলাদার, হারুন অর রশীদ হাওলাদারের দোকানসহ ৫০টি দোকানঘর গত ৩ দিনে নদীগর্ভে গেছে। নদী তীরবর্তী উত্তর সাকরাল এলাকায় অবস্থিত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সমবায় ব্যাংক, আ. মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ব্রিজ হুমকির মুখে। এ ছাড়া ওই গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবার নদীভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। সরেজমিন দেখা গেছে, সাকরাল এলাকার নদীভাঙন রূপ ভয়াল আকার ধারণ করেছে। সেখানে সন্ধ্যার অব্যাহত ভাঙনে প্রায় ২৫০টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। ভাঙনের শিকার অসংখ্য অসহায় মানুষ পরিবার নিয়ে বেড়িবাঁধ, রাস্তাঘাট, খেলার মাঠ, অপরের জায়গায় ও আত্মীয়স্বজনের বাড়ি আশ্রয় নিয়েছে। নদীভাঙন আতঙ্কে উত্তর সাকরাল গ্রামের নদীর পাড় ঘেঁষা মানুষ বসতঘর, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি অন্যত্র সরিয়ে নিতে ব্যস্ত রয়েছে। নদী পাড়ের মানুষের সংখ্যা সেখানে প্রতিদিনই বাড়ছে। এ বছর সন্ধ্যা রুদ্রমূর্তিতে আবির্ভূত হয়ে উত্তর সাকরাল গ্রামের পশ্চিম-উত্তর প্রান্তে দণি সাকরালের শেষ প্রান্তের বলু মিস্ত্রির বাড়ি ও চথলবাড়ী বাজারসহ উত্তর সাকরাল গ্রামের ৮০টি পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি গ্রাস করে নেয়। এর ফলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে দণি সাকরাল গ্রাম। বর্তমানে নদীর তীর ঘেঁষা উত্তর সাকরাল গ্রামে নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার পশ্চিম অংশে ৬টি ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম উজিরপুর-সাতলা সড়কের সাকরাল এলাকার ৩ কিলোমিটার রাস্তা নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে উপজেলা বিল অঞ্চলখ্যাত সাতলা, হারতা, জল্লা, ওটরা ও বড়াকোঠা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ২ লাখ লোকের উপজেলা ও জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।


†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267




0 comments:

Post a Comment