Friday, November 22, 2013

কক্রবাজারের পেক্য়ুা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস

কক্রবাজারের পেক্য়ুা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস
  ফোরকান আলী
কক্সবাজারের পেক্য়ুা উপজেলায় পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। উপজেলার সমুদ্র উপকূলবর্তী ইউনিয়ন মগনামা, উজানটিয়া, রাজাখালী, পেকুয়া সদর ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের মানুষ বর্ষা মৌসুম আসলেই চরম উৎকণ্ঠা ও জানমালের ক্ষতির আশঙ্কায় থাকে। পেকুয়ার উপকূলীয় এলাকার মানুষ বছরের প্রায় ৬/৭ মাস বৈরী আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় পেকুয়ায় বর্তমানে যে সমস্ত আশ্রয়কেন্দ্র আছে, তাও জনসংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল। জনসংখ্যার তুলনায় পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পেকুয়া উপজেলার প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল অসংখ্য ঘরবাড়ি, চিংড়ি ঘের ও কৃষিজমি। ক্ষতি হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।
স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা জানান, ১৯৯১ সালের পর বিদেশী কিছু এনজিওর অর্থায়নে পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কিছু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হলেও এখনো পর্যন্ত সরকারিভাবে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়নি। তাছাড়া এনজিওদের নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্র প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন মগনামা, রাজাখালী ও উজানটিয়ায় প্রায় ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের বসবাস। এসব এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র কাম সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে প্রায় ১২টি। এনজিওদের অর্থায়নে নির্মিত শেল্টার আছে প্রায় ৬টি। এসব আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয় নিতে পারে উপকূলের মাত্র ১৮ হাজার মানুষ। বাকিরা থাকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এছাড়া পেকুয়া সদর ইউনিয়ন এবং বারবাকিয়ায়ও প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের পর সরকার উপকূলীয় এলাকাসমূহকে ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে রা করার জন্য বন বিভাগের মাধ্যমে ঝাউবাগান তৈরি করে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কবল থেকে রা পাওয়ার জন্য যে প্যারাবন ও ঝাউবাগান তৈরি করা হয়েছিল তা বর্তমানে কিছু ভূমিগ্রাসীদের দখলে চলে যাওয়ায় পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। মগনামা বনবিট কর্মকর্তা জানান, পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারিভাবে প্রায় ৩০০ একর ভূমিতে প্যারাবন সৃজন করা হয়েছিল। কিন্তু ভূমিদস্যুদের লোলুপ দৃষ্টির কারণে সৃজিত প্যারাবন ধ্বংস হয়ে গেছে। মগনামার ইউপি চেয়ারম্যান জানান, সরকারি বন বিভাগের সৃজিত প্যারাবনগুলো যদি ধ্বংস না হতো তাহলে পেকুয়ার উপকূলীয় এলাকা ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তো না। এছাড়া উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ৮ কি.মি. বেড়িবাঁধ সাগরগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, এতে আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে পেকুয়ার উপকূলীয় এলাকা।পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, এ ব্যাপারে সরকারের সংশিশ্লষ্ট কর্তৃপকে অবহিত করেছি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে পর্যাপ্ত সাইকোন শেল্টার নির্মাণ করা হবে।আমরা আশাকরি সরকার জরুরি ভিত্তিতে উপকুলীয় অঞ্চলে সাইকোন শেল্টার নিমার্ণের পদপে নিবেন।



†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267



0 comments:

Post a Comment