নদী দখল ও হাইকোর্টের নির্দেশনা
ফোরকান আলী
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের ৪ নদী রায় হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্ববহ। বুড়িগঙ্গা, শীতল্যা, বালু ও তুরাগ নদীর তীর দখল এবং সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে কার্যকর পদপে নিতে সরকারকে এই নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট রিট আবেদনের পরিপ্রেেিত আদালত এ আদেশ দেন। এ আদেশ দেয়ার পাশাপাশি নদীগুলোকে আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং নদী তীরের অবৈধ স্থায়ী-অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুলনিশি জারি করা হয়েছে। এছাড়া নদীগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না আদালত তাও জানতে চেয়েছে।
পরিকল্পনা, অর্থ, নৌপরিবহন, ভূমি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডবিব্লউটিএর চেয়ারম্যান, ভূমি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বুড়িগঙ্গা, শীতল্যা, বালু ও তুরাগ নদীর তীর দখল, মাটি ভরাট এবং স্থায়ী-অস্থায়ী সব ধরনের নির্মাণ বন্ধে কার্যকর পদপে নেয়ার জন্যও তাদের প্রতি নির্দেশ দেয় কোর্ট। নদী প্রকৃতির এক অমূল্য দান। ইতিহাসবিদগণের মতে, নদীকে ঘিরেই গড়ে ওঠে এক একটি সভ্যতা। এ জন্য নদীর স্বাভাবিক অবস্থা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। জলাধার আইন ২০০০-এর ৫ ধারা অনুসারে নদীর স্বাভাবিক অবস্থা পরিবর্তন করা অবৈধ, বেআইনি। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা ভিন্ন। খোদ রাজধানী ঢাকা শহরের প্রায় অর্ধ শতাধিক খাল দখলদারদের দৌরাত্ম্যে নিশ্চিহ্ন। বুড়িগঙ্গা, শীতল্যার মতো বড় বড় নদীও এখন দখলদাররূপী হায়েনাদের গ্রাসের মুখে। অথচ নদী ভরাট ও দূষণের সমূহ ক্ষতি ও বিপদ সম্পর্কে সকলেই অবগত। কিন্তু ‘বাকির লোভে নগদ পাওনা’ কেউ ছাড়তে চায় না। নদীর সুদূরপ্রসারী উপকারিতার পরিবর্তে নদী দখল করে দালান-ইমারত নির্মাণ করে বিত্ত-বৈভব গড়ে তোলাতেই একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষীরা ব্যস্ত। অথচ যেভাবে নদী দখল চলছে তা রোধ করতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে নদীগুলো বাঁচানো যাবে না। আর নদী না বাঁচলে খোদ রাজধানী হয়ে পড়বে বসবাসের অযোগ্য।
এ কথা খুবই সত্যি যে, মতাধর ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন যে যেভাবে পেরেছেন আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নদী তীর ও এর অংশ দখল করে গড়ে তুলেছেন স্থায়ী স্থাপনা। আর দখলদারিত্ব ও তীরবর্তী স্থানের মাটি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে নদীগুলো হারিয়েছে তাদের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ। অবস্থা আজ এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে নদী দখল করে এর তীরবর্তী স্থানে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। শিল্পকারখানার বর্জ্যে নদীর পানি এমনই দূষিত হয়ে পড়েছে যে, তার রং পরিবর্তন হয়ে পড়েছে। এই পানি ব্যবহার করে চর্মরোগসহ অনেকেই দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাজধানী ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজে বুড়িগঙ্গার পানি ব্যবহার করে থাকে। দূষিত হওয়া সত্ত্বেও অনন্যোপায় হয়ে তারা এই পানি ব্যবহার করছে বছরের পর বছর। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর এই করুণ দশা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। নদীগুলোর এমনই করুণ দশা যে, সবুজ সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলাদেশে আজ মরু প্রবণতার আলামত দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞের মতে, নদ-নদী, জলাভূমি ও নৌপথের সংখ্যা যদি এভাবে কমতে থাকে তাহলে পরিবেশ দূষণসহ মরু প্রবণতা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এক সময় যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম ছিল নৌপথ। এখন নদী দখলের ফলে সেটিও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এক পরিসংখ্যান মতে গত ৪০ বছরে দেশের ১৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ হারিয়ে গিয়েছে। অনেক নদী উৎসমুখ বন্ধ হয়ে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছে। নাব্যতা হারিয়ে নদীতে নৌযান ও ফেরি চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে মানুষের হাতে নদীর অপমৃত্যু। জনসংখ্যাধিক্যের একটি দেশে নদী ভরাট করে বসতি স্থাপন, স্থাপনা নির্মাণ একটি সহজাত প্রবণতা হিসেবে বিবেচ্য হতে পারে। কিন্তু এটা যে কতো বড় ভয়াবহ ব্যাপার সেটি বুঝার ও দেখার দায়িত্ব যাদের তারা যদি সেটা পালন না করেন তাহলে দুঃখের আর সীমা থাকে না। শুধু তাই নয়, এটা সুস্পষ্টতই দায়িত্বের প্রতি চরম অবহেলা। নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে, যাদের ওপর এই মহান দায়িত্ব তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বিশেষ করে ঢাকার ওয়ার্ড কমিশনারদের মধ্যে কেউ কেউ এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। রক ভক হলে অবস্থা যা হয় নদী দখলের অবস্থা এখন তাই।
আশার কথা হচ্ছে হাইকোর্ট এ ব্যাপারে যুগান্তকারী রায় দিয়েছে। এটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা গেলেই নদীগুলোর অস্তিত্ব রা সম্ভব হবে। যে পরিবেশবাদীদের জনস্বার্থ রা মামলার রায়ে হাইকোর্টের ইতিবাচক নির্দেশনা পাওয়া গেছে সেই পরিবেশবাদীদেরও আরো সোচ্চার হতে হবে। জনমত গঠন করতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে নদী দখল, ভরাট, দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে। এ ছাড়া এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে সেটিরও যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও স্থাপনাগুলো অপসারণ করে নদীর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। অনেকেই আইনের ফাঁক গলে কোর্টের নির্দেশনা বা স্থগিতাদেশ নিয়ে তাদের অবৈধ দখলদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।
নদী দখল বন্ধে যে অন্ধনীতি অনুসরণ করা হয়েছিল ইতিপূর্বে আশার কথা হচ্ছে বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে সজাগ হয়েছে। অতীতের নদী দখলের প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে ইতিমধ্যেই নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে এক সংসদ সদস্যেও নেতৃত্বে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাইকোর্টের রুলনিশির পর সরকারের এই ত্বরিত পদপে সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। ঘোষিত কমিটি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে জনপ্রত্যাশা পূরণে সম হবেনÑ এটিই কাম্য।
ফোরকান আলী
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের ৪ নদী রায় হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্ববহ। বুড়িগঙ্গা, শীতল্যা, বালু ও তুরাগ নদীর তীর দখল এবং সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে কার্যকর পদপে নিতে সরকারকে এই নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট রিট আবেদনের পরিপ্রেেিত আদালত এ আদেশ দেন। এ আদেশ দেয়ার পাশাপাশি নদীগুলোকে আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং নদী তীরের অবৈধ স্থায়ী-অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুলনিশি জারি করা হয়েছে। এছাড়া নদীগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না আদালত তাও জানতে চেয়েছে।
পরিকল্পনা, অর্থ, নৌপরিবহন, ভূমি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডবিব্লউটিএর চেয়ারম্যান, ভূমি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বুড়িগঙ্গা, শীতল্যা, বালু ও তুরাগ নদীর তীর দখল, মাটি ভরাট এবং স্থায়ী-অস্থায়ী সব ধরনের নির্মাণ বন্ধে কার্যকর পদপে নেয়ার জন্যও তাদের প্রতি নির্দেশ দেয় কোর্ট। নদী প্রকৃতির এক অমূল্য দান। ইতিহাসবিদগণের মতে, নদীকে ঘিরেই গড়ে ওঠে এক একটি সভ্যতা। এ জন্য নদীর স্বাভাবিক অবস্থা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। জলাধার আইন ২০০০-এর ৫ ধারা অনুসারে নদীর স্বাভাবিক অবস্থা পরিবর্তন করা অবৈধ, বেআইনি। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা ভিন্ন। খোদ রাজধানী ঢাকা শহরের প্রায় অর্ধ শতাধিক খাল দখলদারদের দৌরাত্ম্যে নিশ্চিহ্ন। বুড়িগঙ্গা, শীতল্যার মতো বড় বড় নদীও এখন দখলদাররূপী হায়েনাদের গ্রাসের মুখে। অথচ নদী ভরাট ও দূষণের সমূহ ক্ষতি ও বিপদ সম্পর্কে সকলেই অবগত। কিন্তু ‘বাকির লোভে নগদ পাওনা’ কেউ ছাড়তে চায় না। নদীর সুদূরপ্রসারী উপকারিতার পরিবর্তে নদী দখল করে দালান-ইমারত নির্মাণ করে বিত্ত-বৈভব গড়ে তোলাতেই একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষীরা ব্যস্ত। অথচ যেভাবে নদী দখল চলছে তা রোধ করতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে নদীগুলো বাঁচানো যাবে না। আর নদী না বাঁচলে খোদ রাজধানী হয়ে পড়বে বসবাসের অযোগ্য।
এ কথা খুবই সত্যি যে, মতাধর ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন যে যেভাবে পেরেছেন আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নদী তীর ও এর অংশ দখল করে গড়ে তুলেছেন স্থায়ী স্থাপনা। আর দখলদারিত্ব ও তীরবর্তী স্থানের মাটি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে নদীগুলো হারিয়েছে তাদের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ। অবস্থা আজ এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে নদী দখল করে এর তীরবর্তী স্থানে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। শিল্পকারখানার বর্জ্যে নদীর পানি এমনই দূষিত হয়ে পড়েছে যে, তার রং পরিবর্তন হয়ে পড়েছে। এই পানি ব্যবহার করে চর্মরোগসহ অনেকেই দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাজধানী ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজে বুড়িগঙ্গার পানি ব্যবহার করে থাকে। দূষিত হওয়া সত্ত্বেও অনন্যোপায় হয়ে তারা এই পানি ব্যবহার করছে বছরের পর বছর। নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোর এই করুণ দশা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। নদীগুলোর এমনই করুণ দশা যে, সবুজ সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলাদেশে আজ মরু প্রবণতার আলামত দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞের মতে, নদ-নদী, জলাভূমি ও নৌপথের সংখ্যা যদি এভাবে কমতে থাকে তাহলে পরিবেশ দূষণসহ মরু প্রবণতা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এক সময় যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম ছিল নৌপথ। এখন নদী দখলের ফলে সেটিও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এক পরিসংখ্যান মতে গত ৪০ বছরে দেশের ১৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ হারিয়ে গিয়েছে। অনেক নদী উৎসমুখ বন্ধ হয়ে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছে। নাব্যতা হারিয়ে নদীতে নৌযান ও ফেরি চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে মানুষের হাতে নদীর অপমৃত্যু। জনসংখ্যাধিক্যের একটি দেশে নদী ভরাট করে বসতি স্থাপন, স্থাপনা নির্মাণ একটি সহজাত প্রবণতা হিসেবে বিবেচ্য হতে পারে। কিন্তু এটা যে কতো বড় ভয়াবহ ব্যাপার সেটি বুঝার ও দেখার দায়িত্ব যাদের তারা যদি সেটা পালন না করেন তাহলে দুঃখের আর সীমা থাকে না। শুধু তাই নয়, এটা সুস্পষ্টতই দায়িত্বের প্রতি চরম অবহেলা। নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে, যাদের ওপর এই মহান দায়িত্ব তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বিশেষ করে ঢাকার ওয়ার্ড কমিশনারদের মধ্যে কেউ কেউ এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। রক ভক হলে অবস্থা যা হয় নদী দখলের অবস্থা এখন তাই।
আশার কথা হচ্ছে হাইকোর্ট এ ব্যাপারে যুগান্তকারী রায় দিয়েছে। এটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা গেলেই নদীগুলোর অস্তিত্ব রা সম্ভব হবে। যে পরিবেশবাদীদের জনস্বার্থ রা মামলার রায়ে হাইকোর্টের ইতিবাচক নির্দেশনা পাওয়া গেছে সেই পরিবেশবাদীদেরও আরো সোচ্চার হতে হবে। জনমত গঠন করতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে নদী দখল, ভরাট, দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে। এ ছাড়া এ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে সেটিরও যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও স্থাপনাগুলো অপসারণ করে নদীর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। অনেকেই আইনের ফাঁক গলে কোর্টের নির্দেশনা বা স্থগিতাদেশ নিয়ে তাদের অবৈধ দখলদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।
নদী দখল বন্ধে যে অন্ধনীতি অনুসরণ করা হয়েছিল ইতিপূর্বে আশার কথা হচ্ছে বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে সজাগ হয়েছে। অতীতের নদী দখলের প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে ইতিমধ্যেই নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে এক সংসদ সদস্যেও নেতৃত্বে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাইকোর্টের রুলনিশির পর সরকারের এই ত্বরিত পদপে সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। ঘোষিত কমিটি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে জনপ্রত্যাশা পূরণে সম হবেনÑ এটিই কাম্য।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment