ইছামতি খাল সংস্কার না হওয়ায় গুয়াখোলা গ্রামবাসীর দুর্ভোগ
ফোরকান আলী
দীর্ঘ ২০ বছরেও সমস্যার কোন সুরাহা হয়নি গুয়াখোলা গ্রামবাসীর। ইছামতি খাল বর্ষায় কচুরীপানায় ভর্তি হয়ে যাওয়ায় এবং শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যাওয়ায় দুরবস্থায় কাটছে তাদের জীবন। সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের গুয়াখোলা গ্রামের পার্শ্ববর্তী ইছামতি খালটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোন কাজেই আসছে না। ইছামতি নদীর শেষ প্রান্ত হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষায় খালে প্রচুর কচুরীপানা এসে জমা হয়।
অপরদিকে খালটি খননের অভাবে শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যায়। তখন এলাকাবাসীর নৌচলাচল তো দূরের কথা গৃহস্থালীর কাজকর্ম ও গোসল করার পানিটুকু পর্যন্ত খালে থাকে না। তখন কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় খালটি। এমনকি শুষ্ক মৌসুমে গ্রামের কোথাও আগুন লাগলে সামান্য পানি যোগান দিতে পারে না এ খালটি। উক্ত খালটি সরকারি বিধায় এলাকার কেউ দায়িত্ব নিয়ে কচুরীপানা পরিষ্কার কিংবা খননের দায়িত্ব নেয় না। নেয়া সম্ভব নয় বলে জানান এলাকাবাসী। অন্যদিকে সরকারিভাবেও খালটি সংস্কার ও সংরণ করা হয় না। ফলে স্থানীয় জনসাধারণের দুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে এবং সংস্কারের অভাবে মৎস্য সম্পদের প্রসার ঘটছে না। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী জানান, সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে দ্রুত পদপে নিতে হবে নতুবা স্থানীয় কোন ব্যক্তি বা সংগঠনকে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব দিতে হবে।
ফোরকান আলী
দীর্ঘ ২০ বছরেও সমস্যার কোন সুরাহা হয়নি গুয়াখোলা গ্রামবাসীর। ইছামতি খাল বর্ষায় কচুরীপানায় ভর্তি হয়ে যাওয়ায় এবং শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যাওয়ায় দুরবস্থায় কাটছে তাদের জীবন। সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের গুয়াখোলা গ্রামের পার্শ্ববর্তী ইছামতি খালটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোন কাজেই আসছে না। ইছামতি নদীর শেষ প্রান্ত হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষায় খালে প্রচুর কচুরীপানা এসে জমা হয়।
অপরদিকে খালটি খননের অভাবে শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যায়। তখন এলাকাবাসীর নৌচলাচল তো দূরের কথা গৃহস্থালীর কাজকর্ম ও গোসল করার পানিটুকু পর্যন্ত খালে থাকে না। তখন কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় খালটি। এমনকি শুষ্ক মৌসুমে গ্রামের কোথাও আগুন লাগলে সামান্য পানি যোগান দিতে পারে না এ খালটি। উক্ত খালটি সরকারি বিধায় এলাকার কেউ দায়িত্ব নিয়ে কচুরীপানা পরিষ্কার কিংবা খননের দায়িত্ব নেয় না। নেয়া সম্ভব নয় বলে জানান এলাকাবাসী। অন্যদিকে সরকারিভাবেও খালটি সংস্কার ও সংরণ করা হয় না। ফলে স্থানীয় জনসাধারণের দুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে এবং সংস্কারের অভাবে মৎস্য সম্পদের প্রসার ঘটছে না। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী জানান, সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে দ্রুত পদপে নিতে হবে নতুবা স্থানীয় কোন ব্যক্তি বা সংগঠনকে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব দিতে হবে।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment