Sunday, December 1, 2013

শিায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ছে

শিায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ছে
 ড. ফোরকান আলী
দেশে লেখাপড়ার মান বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে পরীার ফলাফলের ওপর। ফলে পাসের হার বাড়ছে। এ ধারাবাহিকতা থেকে মেয়েরাও বাদ নেই।
এবারের এইচএসসি পরীার ফলাফলে মেয়েরা ভালো করেছে। গত বছরের চেয়ে এবার ৪ হাজারের বেশী ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবার ৮টি বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ হাজার ৫শ’ ১২ জন। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ১৪ হাজার ৩শ’ ৬৪ জন। মেয়েদের সংখ্যা ১১ হাজার ১শ’ ৪৮ জন। অন্যদিকে গত বছর ৮টি বোর্ডে জিপিএ-৫ পায় ১৮ হাজার ২২২ জন। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ১০ হাজার ৫০২ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ৭ হাজার ৬৯০ জন।
আলভিন, তালবিন ও বিধু এবার এ প্লাস পেয়ে এইচএসসি পাস করেছে হলিক্রস কলেজ থেকে। বিজ্ঞান শাখার ছাত্রী বিধু চায় আগামীতে দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত করতে। উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগরীতে ফলাফলের ভাল তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে মেয়েদের কলেজ হলিক্রস।
হলিক্রস কলেজের অধ্য সিস্টার শিখা বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা পরিশ্রমী ও মেধাবী, তাই তারা উত্তরোত্তর ভাল করছে।’
শিা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলেন, সরকারী পর্যায়ে বিশেষ কিছু উদ্যোগ নেয়ায় মেয়েদের পড়াশুনায় ইতিবাচক পরিবর্তন হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সূত্র জানায়, গত ১৬ বছরে মাধ্যমিক চ্চরে শুধু ঢাকা শহর নয়, এবার গোটা বাংলাদেশেই মেয়েরা ভালো ফল করেছে।
মিঠাপুরের মেয়ে নূর তাজ এবার এইচএসসিতে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ। রিকশা শ্রমিক নূর মোহম্মদের কন্যা দরিদ্র পরিবারের মেয়ে নূর তাজ আগামীতে বিচারক হতে চায়। তবে এখন তার প্রধান চিন্তা কীভাবে সে পড়াশেনা চালিয়ে যাবে? কারণ তার দরিদ্র বাবার সামর্থ নেই তার পড়াশুনার খরচ চালানোর।
এদিকে সরকার øাতক পর্যন্ত শিার্থীদের বিনা বেতনে শিার ব্যবস্থা ও দরিদ্র মেধাবীদের বৃত্তি প্রদানে একটি সহায়তা তহবিল (ট্রাস্ট ফান্ড) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানা গেছে, সরকারী অনুদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রবাসীদের অর্থসহায়তায় এ তহবিল গঠন করা হবে। শিা মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, øাতক শ্রেণীতে অধ্যায়নরত শিাথীদের বৃত্তি দিতে ৩শ’ ৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। মেয়েদের অগ্রাধিকার দিয়ে এ প্রকল্পের আওতায় বৃত্তি প্রদান করা হবে। এ তহবিল যৌথভাবে পরিকল্পনা ও শিা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাচ্চবায়িত হবে।
এদিকে দেশের ৮টি শিা বোর্ডের ২০১০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীার ফলাফলে আটটির মধ্যে চারটি বোর্ড ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরে মেয়েদের পাসের হার বেশী। এ বছর আট বোর্ডে গড় পাসের হার ৭১ দশমিক ৮২ শতাংশ। মেয়েদের আলাদাভাবে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৮ ও ছেলেদের ৭১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
আট বোর্ডে এ বছর মোট পরীার্থী ছিল ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬২০ জন। মোট পাস করেছে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৭ জন। পরীার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ২ লাখ ৭৭ হাজার ৯৪৬ জন। পাস করেছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৭ জন। এবার ছাত্র পরীা দিয়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৬৭৭ জন । পাস করেছে ২ লাখ ১৭ হাজার ১৯০ জন।
এবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুর বোর্ডে ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে ভাল করেছে। ঢাকা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৭২ দশমিক ২৩ শতাংশ। ছাত্রদের ৭১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৭৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৭২ দশমিক ১৯ শতাংশ। দিনাজপুর বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।
শিাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, সামাজিকভাবে মূল্যায়িত হওয়ার কারণেই মেয়েরা পড়াশুনায় ভাল করছে। তিনি মেয়েদের শুধু সাধারণ বিষয়ে পড়াশুনার করেও ভোকেশনাল বিষয়ে লেখাপড়া করার উচিত বলে মনে করেন।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267


0 comments:

Post a Comment