ব্রহ্মপুত্র শুকিয়ে এখন মরা নদ
ফোরকান আলী
বিশাল ব্রহ্মপুত্র নদ আস্তে আস্তে শুকিয়ে মরা নদে পরিণত হচ্ছে। নদের চারপাশে যত দূর চোখ যায় শুধু ধু ধু বালুচর। পানি শুকিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের এমন করুণ অবস্থা হয়েছে যা দেখে কারো মনেই হবে না যে, এটাই প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র নদ। যে হারে পানি কমে গেছে তাতে স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় নদের স্রোতের গতিও কমে গেছে। নদের বুক চিরে জেগে উঠেছে অসংখ্য চর-ডুবোচর। নদ হারিয়ে ফেলেছে তার নাব্যতা। ব্রহ্মপুত্রের এমন করুণ অবস্থা বিরাজ করছে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার অংশে।
এদিকে নাব্যতা হ্রাস ও নদের বে অসংখ্য চর-ডুবোচর জেগে ওঠায় চিলমারী ও বালাসী ভাসমান তেল ডিপো বন্ধ হয়ে গেছে। তেলের জাহাজ চলাচল করতে না পারায় গত ৩ মাস ধরে উক্ত তেল ডিপো তেল শূন্য অবস্থায় রয়েছে। যাত্রী ও মালবাহী ইঞ্জিন চালিত নৌকা চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নৌপথের ওপর নির্ভরশীল রাজিবপুর, চিলমারী ও রৌমারী উপজেলার জনসাধারণ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। নদীতে পানি না থাকায় মাঝপথে আটকে যাচ্ছে নৌকাগুলো। ফলে সময় ব্যয় হচ্ছে দ্বিগুণ। পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। নৌকার মাঝিরা জানায়, অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অপরদিকে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ফলে বোরো েেত সেচ দিতে পারছে না কৃষক। হাজার হাজার একর জমির বোরো আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা আশাকরি সংশ্লিষ্ট কতৃপ বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে পদপে নিবেন।
ফোরকান আলী
বিশাল ব্রহ্মপুত্র নদ আস্তে আস্তে শুকিয়ে মরা নদে পরিণত হচ্ছে। নদের চারপাশে যত দূর চোখ যায় শুধু ধু ধু বালুচর। পানি শুকিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের এমন করুণ অবস্থা হয়েছে যা দেখে কারো মনেই হবে না যে, এটাই প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র নদ। যে হারে পানি কমে গেছে তাতে স্বাভাবিক প্রবাহ না থাকায় নদের স্রোতের গতিও কমে গেছে। নদের বুক চিরে জেগে উঠেছে অসংখ্য চর-ডুবোচর। নদ হারিয়ে ফেলেছে তার নাব্যতা। ব্রহ্মপুত্রের এমন করুণ অবস্থা বিরাজ করছে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার অংশে।
এদিকে নাব্যতা হ্রাস ও নদের বে অসংখ্য চর-ডুবোচর জেগে ওঠায় চিলমারী ও বালাসী ভাসমান তেল ডিপো বন্ধ হয়ে গেছে। তেলের জাহাজ চলাচল করতে না পারায় গত ৩ মাস ধরে উক্ত তেল ডিপো তেল শূন্য অবস্থায় রয়েছে। যাত্রী ও মালবাহী ইঞ্জিন চালিত নৌকা চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নৌপথের ওপর নির্ভরশীল রাজিবপুর, চিলমারী ও রৌমারী উপজেলার জনসাধারণ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। নদীতে পানি না থাকায় মাঝপথে আটকে যাচ্ছে নৌকাগুলো। ফলে সময় ব্যয় হচ্ছে দ্বিগুণ। পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। নৌকার মাঝিরা জানায়, অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অপরদিকে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ফলে বোরো েেত সেচ দিতে পারছে না কৃষক। হাজার হাজার একর জমির বোরো আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা আশাকরি সংশ্লিষ্ট কতৃপ বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে পদপে নিবেন।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment