৪ নদীর দূষণরোধের প্রচারাভিযান ব্যয় ৭৫ লাখ টাকা
ফোরকান আলী
ঢাকার চার নদীর নাব্য রায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স। একই কমিটি এ চার নদীর পরিবেশ দূষণরোধে ৭৫ লাখ টাকার প্রচারাভিযান প্রকল্পও অনুমোদন করে। নদীগুলো হলোÑ শীতল্যা, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু। কমিটির সপ্তম সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান নৌপরিবহনমন্ত্রী। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, সংসদ সদস্য সানজিদা খাতুন, নৌপরিবহন সচিব আবদুল মান্নান হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, টাস্কফোর্সের কাজের পরিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ও যথাসময়ে অর্থছাড় না হওয়ার কথা জানান। আর এ কারণেই তাদের কাজের গতি কমে যাচ্ছে। বৈঠকে সীমানা পিলার স্থাপনের ব্যাপারেও জানতে চাওয়া হয় নৌমন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি জানান, চলতি বছর এ কাজ শুরু হচ্ছে না। আগামী বাজেটে অর্থছাড়ের পর এ ব্যাপারে কাজ শুরু হবে। তবে চলতি বছরের মধ্যেই এর টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।। অপরদিকে ঢাকা সংলগ্ন চার নদ-নদী দখলমুক্ত করার কাজ শুরু করতে চায় এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স। নদ-নদীর নাব্য এবং স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ রক্ষা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান একথা জানান। তিনি বলেন, অর্থ ছাড়ে দেরির কারণে এপ্রিলের মধ্যে সীমানা পিলার নির্মাণ ও স্থাপন করে তুরাগ, বালু, বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা দখলমুক্ত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার। শাজাহান খান বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে যথাসময়ে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।’ তিনি জানান, মাত্র দেড় মাসের মধ্যে দরপত্রসহ সব কাজ শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় আগামী অর্থবছরে এ বরাদ্দ নেয়া হবে। নতুন অর্থবছরের শুরুতেই জুলাই মাসে বরাদ্দ নিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হবে। জানা গেছে, গত তিন মাসে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ১০৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে মার্চে ১০টি, এপ্রিলে ৩৯টি এবং চলতি মে মাসে ৭০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে আমিন বাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত এলাকার মধ্যে প্রায় এক হাজার নদী উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। এত আয়োজন ও সভা,আলোচনার পরও কোনো সফল আমরা দেখতে পাইনি। আমরা আশাকরি এর বাস্তব রুপ।
ফোরকান আলী
ঢাকার চার নদীর নাব্য রায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স। একই কমিটি এ চার নদীর পরিবেশ দূষণরোধে ৭৫ লাখ টাকার প্রচারাভিযান প্রকল্পও অনুমোদন করে। নদীগুলো হলোÑ শীতল্যা, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু। কমিটির সপ্তম সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান নৌপরিবহনমন্ত্রী। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, সংসদ সদস্য সানজিদা খাতুন, নৌপরিবহন সচিব আবদুল মান্নান হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, টাস্কফোর্সের কাজের পরিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ও যথাসময়ে অর্থছাড় না হওয়ার কথা জানান। আর এ কারণেই তাদের কাজের গতি কমে যাচ্ছে। বৈঠকে সীমানা পিলার স্থাপনের ব্যাপারেও জানতে চাওয়া হয় নৌমন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি জানান, চলতি বছর এ কাজ শুরু হচ্ছে না। আগামী বাজেটে অর্থছাড়ের পর এ ব্যাপারে কাজ শুরু হবে। তবে চলতি বছরের মধ্যেই এর টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।। অপরদিকে ঢাকা সংলগ্ন চার নদ-নদী দখলমুক্ত করার কাজ শুরু করতে চায় এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স। নদ-নদীর নাব্য এবং স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ রক্ষা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান একথা জানান। তিনি বলেন, অর্থ ছাড়ে দেরির কারণে এপ্রিলের মধ্যে সীমানা পিলার নির্মাণ ও স্থাপন করে তুরাগ, বালু, বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা দখলমুক্ত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার। শাজাহান খান বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে যথাসময়ে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।’ তিনি জানান, মাত্র দেড় মাসের মধ্যে দরপত্রসহ সব কাজ শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় আগামী অর্থবছরে এ বরাদ্দ নেয়া হবে। নতুন অর্থবছরের শুরুতেই জুলাই মাসে বরাদ্দ নিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হবে। জানা গেছে, গত তিন মাসে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ১০৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে মার্চে ১০টি, এপ্রিলে ৩৯টি এবং চলতি মে মাসে ৭০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে আমিন বাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত এলাকার মধ্যে প্রায় এক হাজার নদী উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। এত আয়োজন ও সভা,আলোচনার পরও কোনো সফল আমরা দেখতে পাইনি। আমরা আশাকরি এর বাস্তব রুপ।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment