Saturday, November 16, 2013

চাক্তাই খাল সংস্কার জরুরি

চাক্তাই খাল সংস্কার জরুরি
 ফোরকান আলী
চাক্তাই খালের পাকাকরণের কাজ সম্পন্ন হলেও নগরীর জলাবদ্ধতা দূর হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। চাক্তাই খালের প্রবেশমুখে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নগরী থেকে পানি কর্ণফুলীতে বেরিয়ে যেতে পারছে না। বিগত দেড় যুগ ধরে কয়েক দফায় খালের সংস্কার কাজের পর চাক্তাই খালের তলা ও পাশ পাকাকরণের কাজ সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। এ বাবদ এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংক, সরকার ও সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে সিটি কর্পোরেশনের সূত্র জানায়।
ইতিপূর্বে নগরবাসীর দুঃখ হিসেবে পরিচিত চাক্তাই খালের খননের কাজের দাবিতে নগরবাসী অনেক মিছিল-সমাবেশ করেছেন। খালের উভয় পাশে অবৈধ দখলদাররা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। খালে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ও বালি জমে প্রায় ভরাট হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে বর্ষাকালে নগরীতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সূত্র জানায়, চাক্তাই ভাঙ্গা পুল থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত দীর্ঘ ৫ কিলোমিটার চাক্তাই খালের দৈর্ঘ্য। নগরীর অসংখ্য খাল নালার মুখ চাক্তাই খালের সাথে সংযুক্ত। এ সমস্ত নালা নর্দমা ও খাল দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ময়লা-আবর্জনা চাক্তাই খালে গিয়ে পড়ছে। কর্ণফুলী নদীর পানি নির্বিঘেœ চাক্তাই খালে প্রবেশ করতে না পারায় খালের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে। এছাড়া পাহাড় কাটার বালি চাক্তাই খালে গিয়ে জমে থাকে। সিটি কর্পোরেশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চাক্তাই খালের প্রবেশ মুখ কর্ণফুলী নদীতে হওয়ায় এর রণাবেণের দায়িত্ব পড়েছে বন্দর কর্তৃপরে ওপর। সিটি কর্পোরেশনের এ ব্যাপারে কোন করণীয় নেই। তবে তিনি জানান, বন্দর কর্তৃপ এবং কর্পোরেশন সমন্বিত উদ্যোগ নিলে খালের প্রবেশ মুখ খনন করা যেতে পারে। সূত্র জানায়, চাক্তাই খাল সংস্কারের প্রথম কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। তখন মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাক্তাই খাল খনন কাজে প্রায় ৫ কোটি ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয় করেন। ১৯৯২-৯৩ অর্থ বছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে দ্বিতীয় দফায় চাক্তাই খালের সংস্কার কাজ শুরু হয়। তখন মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন মেয়র ছিলেন। ১০ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ব্যয় হয় ভূমি অধিগ্রহণ কাজে এবং ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা খালের দেয়াল নির্মাণ ও খনন কাজে ব্যয় হয়। পরে ২০০৩ সালে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে তৃতীয় দফায় খালের তলা ও পাশ পাকাকরণের কাজ শুরু হয়। ৫ কোটি টাকা ব্যয় সাপে এই সংস্কার কাজ সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সালেহ জানান, এটা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা না গেলে সুফল পাওয়া যাবে না। এছাড়া খালের উভয় পাশে ৪ ফুট করে জায়গা রয়েছে। এতে যদি সড়ক নির্মাণ করা যায় তাহলে মানুষের চলাচলের সুযোগ হবে এবং অবৈধ দখল থেকে রা পাবে।



†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267



0 comments:

Post a Comment