ফোরকান আলী
রাজধানীর বেদখল হয়ে যাওয়া খালগুলো পুনরুদ্ধার অভিযান বন্ধ রয়েছে। ফলে অবৈধ দখলদাররা উচ্ছেদকৃত স্থানে ফের অবৈধ দখল প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। নতুন করে ডুমনি, হাইক্কা, রূপনগর, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন খালের কোন না কোন অংশ ভরাট ও দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে করে খাল উদ্ধার অভিযান শুরুতেই হুমকির মুখে পড়েছে। অবশ্য ঢাকা জেলা প্রশাসন ও ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি জরিপ তালিকায় রাজধানীর ৪৭টি খালের অস্তিত্বের কথা বলা হলেও বাস্তবে ৩৬টির হদিস পাওয়া গেছে। সিএস ও এসএ নকশার সাহায্যে অন্যান্য খাল চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। খালগুলো উদ্ধারে কর্তৃপ ফের মাঠে নামবে। এদিকে রাজধানীর হারিয়ে যাওয়া খালগুলো উদ্ধারে সরকার প্রধানের কঠোর নির্দেশনা সত্ত্বেও খাল-বিল-জলাশয় ভরাট অব্যাহত রয়েছে। এসব উদ্ধারে সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা বিােভ, সমাবেশ, মিছিল, মিটিং, মানববন্ধন করেও তা রা করতে পারছে না। বিশেষ করে ঢাকা শহরের পূর্বাঞ্চলে একাধিক আবাসিক প্রকল্প গড়ে উঠলেও সরকারি কোন বিধি-বিধান মানা হচ্ছে না। সেখানে বিনা বাধায় একের পর এক সরকারি খাল ভরাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডুমনি নামের প্রাকৃতিক জলাধারটি একটি সরু খালে পরিণত হয়েছে। উক্ত খালটি বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। বালু নদী থেকে উৎপত্তি এই ডুমনি খালটি রাজধানীর বারিধারা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, খিলতে ও আশপাশের এলাকাসহ পূর্বাঞ্চলে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিরাট ভূমিকা রেখে আসছিল। ভূমি দস্যুদের আগ্রাসনে দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার আয়তনের খালটি প্রতিদিনই একটু একটু করে দখল হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, পূর্বাচল এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত ডুমনি খালটি একটি অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জলাধার। এই খাল বন্যা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে এবং এলাকার কৃষি ও জীবন ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের বন্যায় এই খালের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে আছে। ডুমনি খালের সিংহ ভাগই দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন হাউজিং কোম্পানি। বর্তমান খালের প্রায় ৬০ ভাগ দখল হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। যা নগরবাসীর দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডুমনি খাল রক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোঃ শামীম হোসেন জানান, খালটি উদ্ধার ও অবৈধ দখল বন্ধে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন মিছিল, মিটিং, মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করে আসছে। এ ব্যাপারে ঢাকার জেলা প্রশাসক, সরকার প্রধানের নির্দেশ মোতাবেক রাজধানীর সিংহভাগ খালই চিহ্নিত করা করেছেন। ডুমনিসহ রাজধানীর প্রতিটি খাল উদ্ধারে সরকার বদ্ধপরিকর।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৭টি খালের সরকারি তালিকা থাকলেও বাস্তবে খুব কম খালই চোখে পড়ে। যা সরু ড্রেনেজ লাইনে পরিণত হয়েছে।নতুন করে দখল হচ্ছে ডুমনি, হাইক্কার খাল, রূপনগর, কল্যাণপুর খাল।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment