শিÿা জীবন : শিশুদের সঙ্গে নির্দয় ব্যবহারের ভয়ংকর দিক
আলী ফোরকান
শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। সভ্যতাকে আরো সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার অগ্রদূত। তাই দেখা গেছে, যে দেশ বা জাতি তাদের শিশুদের অনুক‚ল পরিবেশে বেড়ে উঠার সুযোগ করে দিয়েছে-ইতিহাসে তারাই তত বেশি উৎকর্ষ সাধন করেছে। মোদ্দাকথা- শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের জন্য-পারিপার্শ্বিক অনুক‚ল পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যত্যয় ঘটলে জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধারদের ব্যক্তি-জীবনে নানা প্রতিক‚লতায় পড়তে হয়। তেমন কিছু বিষয়েরই অবতারণা করেছেন একদল বিজ্ঞানী। তাদের ভাষায়, স্কুল অর্থাৎ, শিÿা জীবনের শুরুতে যে সব শিশু শিÿক বা অভিভাবকদের অতিরিক্ত বকুনি তথা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয় পরবর্তী জীবনে তারা নানা মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে। এমনকি জীবনের ছন্দপতনের জন্যও একে ÿেত্র বিশেষে দায়ী করা হয়ে থাকে।
একদল কানাডীয় বিজ্ঞানী ১৩ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক বিভিন্ন বয়সের ৩৫০০জন ব্রিটিশের ওপর দীর্ঘদিন সমীÿা চালান। এ সময় তারা শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সকলের কাছে স্কুল জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন, করেন এ সম্পর্কে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে উলেøখ করা হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা শিÿক বা অভিভাবকের কাছে বিশেষ করে শিÿাকে কেন্দ্র করে তিরষ্কার ÿেত্রবিশেষে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কর্মজীবনে তার প্রভাব পড়েছে। কেউ লেখাপড়ার পাঠ আগে ভাগেই চুকিয়ে সাময়িক ভাবে কর্মে নিয়োজিত হয়েছেন। পরবর্তী জীবনে তাই স্থায়ী পেশায় পরিণত হয়েছে। একই কারণে কাঙিÿত ক্যারিয়ার গড়ে ওঠেিেন। যার প্রভাব পড়েছে অর্থনৈতিক ÿেত্রে। ফলাফল অর্থ সংকটের টানা পোড়েন খাবি-খাওয়া, অপরিণত বয়সে বিয়ে, সন্তান গ্রহণ, অবসাদগ্র¯Íতা, মানসিক চাপ এমনকি বিয়ে বিচ্ছেদ। অত:পর ছন্নছাড়া জীবন। মনোবিজ্ঞানীরা তাই শিÿক ও অভিভাবকদের এ ব্যাপারে সতর্ক পদÿেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
0 comments:
Post a Comment