Sunday, July 5, 2015

প্রাণবৈচিত্র্যের প্রতি আমাদের আচরণ আত্মঘাতী

প্রাণবৈচিত্র্যের প্রতি আমাদের আচরণ আত্মঘাতী
ড.ফোরকান আলী
আমরা এখনও সমানে ধ্বংস করে চলেছি। আমাদের বনসম্পদ, বৃক্ষসম্পদ। অথচ এই বৃক্ষকুলই আমাদের বন্ধুর মতো ছায়া দেয়। পরিবেশকে দেয় ভারসাম্য। এই নিধনযজ্ঞের পুরোভাগে রয়েছে আমাদের সরকার। আমাদের ‘বনখেকো’ বন কর্মকর্তারা। জনসংখ্যার চাপে এবং নতুন বসতি স্থাপনের প্রয়োজনে হয়তো বা কিছু বনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু বনাঞ্চলের লুটপাটÑ তা পার্বত্য চট্টগ্রামেই হোক। সুন্দরবনেই হোকÑ কর্তৃপক্ষের যোগসাজশ ছাড়া কখনোই সম্ভব নয়। শৈশবে পিতামহীকে ঘিরে হারিকেনের টিমটিমে আলোয় তার রহস্য বৈচিত্র্যভরা স্মৃতিচারণ শুনতাম। প্রয়াত স্কুল শিক্ষিক এর কথা বিশেষ করে উঠে আসত পিতামহীর বর্ণিল বর্ণনায়। গ্রামের স্কুল শিক্ষিক হলেও অনেক প্রসার ছিল তার, দূর-দূরান্তে তাকে যেতে হতো শির্ক্ষাথীদের দেখতে। এ কাজটি তিনি করতেন পায়ে হেটে। স্কুল শিক্ষিক’র স্মৃতি ঝাপসা ভাসে মনেÑ দীর্ঘদেহী হালকা গড়নের শ্মশ্রুম-িত মানুষটিকে না জানি কি দারুণ লাগত! কিন্তু তার মেটো পথে হাটার কথা আমার মনে পড়ে না। একটু বয়স বাড়লে গ্রামীণ অভিজাতদের হাটতে আর দেখা য়ায় না। এছাড়া মাঝে মাঝে ঘোড়ার গাড়িতে মাষ্টার মশাই চড়তেন। সারাদেশ জুড়ে শুধু অভিজাত নয়, সবার অপরিহার্য ঘোড়ার গাড়িতে কে না চড়েছে! তাও এখন দৃষ্টিসীমার বাইরে উধাও। তাহলে?
তাহলে এখন আমাদের সন্তানরা ঘোড়ার কথা জানবে জীবনানন্দের কবিতায়। সেই যে ‘মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায় কার্তিকের জো¯œার  প্রান্তরে’Ñ তাও যদি তারা কবিতা অনুরাগী হয়! নৈসর্গিক পরিবর্তন এবং গতিবেগের প্রতিযোগিতায় এক জীবনকালের মধ্যেই সেখান থেকে বিদায় নিয়েছে ঘোড়া। শৈশবের স্বপ্নলোকের ঘোড়া এবং জো¯œার প্রান্তরের মতো তাদের চারণক্ষেত্রগুলোও আমাদের জীবন থেকে অন্তর্হিত হয়েছে। অধুনা যন্ত্রযান বিস্তার লাভ করার আগে চলত নদীনালায় নৌকা এবং ভুড়ভুড়ে ধুলোর মেঠোপথে গরু বা ঘোড়ার গাড়ি।শহরের রাস্তায় যুগল ঘোড়ায় টানা কোচ গাড়িগুলো ছিল রীতিমতো রাজসিক ব্যাপার। আমাদের শৌখিন পূর্বপুরুষরা ঘোড়ায় চড়ে কুটুমবাড়িতে যেতেন। শক্ত হাতে লাগাম টেনে বাগ মানাতেন দুর্বিনীত এই পশুকে। চৌকস পুরুষদের এও ছিল এক প্রকারের শৌর্য। আশ্চর্য হয়ে ভাবি কী ক্ষিপ্রগতিতে আমাদের জীবন থেকে এসব কিছুই হারিয়ে গেল। আমাদের সন্তান এরপর ঘোড়া দেখবে প্রদর্শনীতে। ওদের কথা পড়বে বইয়ের পাতায়। অথবা রূপকথার ‘আর আসে না রাজার কুমার’ পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় উড়ে। হয়তো এর সবকিছুই বাস্তবে ছিল না, কিন্তু একটি রহস্যময়তার ‘স্বপ্নলোক’ সৃষ্টিতেই বা দোষ কি! এই উপক্রমণিকা সত্ত্বেও কিন্তু কোন প্রাণীবিশেষের স্তুতিবাদ এই নিবন্ধের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য, একটি সচেতনতা সৃষ্টি যে, দ্রুত আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এমন অসংখ্য প্রজাতি। যেগুলো এতদিন আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করেছে। আমাদের জীবনকে ভরিয়ে রেখেছে বৈচিত্র্যেÑ তা প্রাণিজগতের হোক বা উদ্ভিদ জগতের। কত কি যে আমরা ইতিমধ্যেই হারিয়েছি। তা বুঝি যখন মনে হয় যেন কতকাল ধরে দেখিনি নির্জন পুকুর পাড়ে কোন বাঁশের ডগায় নিমগ্ন মাছরাঙা পাখি। বাঁশঝাড়ের আলো-আঁধারিতে ডাহুকের বিচরণ অথবা যেন কতদিন শুনিনি গভীর রাতে হুতুম পেঁচার ডাক বা অলস দুপুরে অদূরেই কোথাও কাঠঠোকরার অবিরাম ঠোকরের শব্দ। আরও স্তব্ধ হয়ে গেছে শেয়ালের ডাক। যা শুনে রাতের প্রহর গুনত আমার পূর্বপুরুষরা। অসংখ্য শিশুর মনোরঞ্জন করত শেয়াল প-িতের উপাখ্যান। তাদের কল্পনার অনেকটা জুড়ে আছে এই প্রাণীটি। কিন্তু আমাদের আগামী প্রজম্ম কি প্রাণীটিকে আদৌ বাস্তবে দেখবে? মাত্র তিন যুগ আগে এই রাজধানীতে বসে শেয়ালের ডাক শোনা যেত। তারও আগে ষাটের দশকে নির্মীয়মাণ গুলশান, বনানী ও মহাখালী এলাকায় নির্দ্বিধায় এরা বিচরণ করত। এখন প্রত্যন্ত পাড়াগাঁয়েও এদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। কেননা এদের আর কোন আবাসন অবশিষ্ট নেইÑ নেই কোন খাদ্য খোরাক। তাই এরা প্রায় চোখের সামনে বিলুপ্ত হয়ে গেল। ভাগ্যিস এরা মানুষের কোন খাদ্য নয়। নইলে অনেক আগেই এদের বিলুপ্তি ঘটত। প্রাণিজগতের বিচিত্র সব প্রজাতির সঙ্গে সহাবস্থানের ভেতর দিয়ে আমাদের জীবনের পরিপূর্ণতা। কেননা প্রকৃতির রাজ্যে এরা শুধু আমাদের প্রতিবেশী নয়। আমাদের স্বজন ও বন্ধুও বটে। আমাদের জীবন থেকে এদের বিতাড়ন করে আমরা কি আর কখনও সেই পরিপূর্ণতার স্বাদ পাব! নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিকূলতার মুখে এরা লোকালয় থেকে দূরে চলে গেছে। সেখানেও আমাদের বৈরিতা, হিংসা ও লোভ থেকে এরা অব্যাহতি পায়নি। দ্রুত নগরায়ন ও আধুনিকায়নের সঙ্গে সঙ্গে গাছগাছালি, ঝোপঝাড়, একটু নির্জনতার মতো প্রাণীকুলের স্বাভাবিক আবাস হিসেবে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকেনি। পশ্চাৎপসরণের পথেও প্রাণীকুল শিকার হয়েছে আমাদের লোভ, স্বার্থপরতা ও লালসার। ওদের জন্য নিভৃত নিবাস বলে এখন আর কিছু বাকি নেই। প্রকৃতির অকৃপণ, অবারিত অবদান বৃক্ষকুল ও প্রাণীকুলের নিধনযজ্ঞ যদি এমনইভাবে অব্যাহত থাকে। সত্বরই দেখব, আমরা শুধু ইট, পাটকেল, কংক্রিট এবং লোহালক্কড় পরিবৃত্ত হয়ে বেঁচে আছি। দেখব, আমরা প্রকৃতির মমতার আবরণ থেকে নগ্ন, নিরাপত্তাহীন। এমনভাবে বেঁচে থাকার দুর্ভোগ আমরা ইতিমধ্যেই পোহাতে শুরু করেছি। এই সেদিনও, ষাটের শতকেও আমাদের বনাঞ্চল ছিল দেশের আয়তনের বিশ শতাংশের অধিক। আজকে তা নেমে এসেছে নয় শতাংশে। বেসরকারি সূত্র অনুযায়ী তা আরও কমÑ মাত্র সাত শতাংশ। তাহলে বুঝতে হবে, কী দ্রুততার সঙ্গে এবং কী নির্মমভাবে আমরা অরণ্য নিধন করে চলেছি। এর ফলে আমাদের পরিবেশ সংকট ইতিমধ্যেই প্রকট রূপ ধারণ করেছে। ঐতিহ্যগতভাবে রিমঝিম বৃষ্টির এই বাংলাদেশেও আমরা এখন খরা ও পানি সংকটের শিকার। সংকুচিত হয়েছে বৃষ্টির মৌসুম এবং প্রলম্বিত হয়েছে খরার সময়কাল। বনাঞ্চল সংকোচনের ফলে বিলুপ্তির মুখোমুখি হয়েছে অনেক প্রাণী ও গাছগাছালি। যাদের লালন করে বনাঞ্চল। বৃক্ষনিধনের সঙ্গে সঙ্গে অনেক পাখপাখালি হারিয়েছে তাদের আশ্রয়স্থল। বন ও বৃক্ষনিধনের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি অনুভূত আমাদের দ্রুত অবনতিশীল পরিবেশের ওপর। বৃক্ষনিধনের পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি সত্যিই বিপুল। ব্যাপক হারে কর্তিত বৃক্ষের গোড়া থেকে উৎক্ষিপ্ত পলকা মাটি ভরিয়ে দিচ্ছে আমাদের নদীবক্ষ। পলিতে ভরে যাচ্ছে আমাদের অসংখ্য বিল, হাওর ও জলাভূমি। প্রবহমান পানির জন্য নদীবক্ষের ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় হচ্ছে উপর্যুপরি বন্যা ও নদীভাঙন। উপকূল এলাকায় বৃক্ষনিধন বৃদ্ধি পাওয়ায় জলোচ্ছ্বাস বা সাইক্লোনের তীব্রতা বাড়ছে। সর্বোপরি একটি বৃক্ষ বিবর্জিত বাংলাদেশ বায়ু-লের উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। সেই উষ্ণতার কারণে সমুদ্র স্ফীতির সবচেয়ে বড় শিকার হবে বাংলাদেশ নামের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপটি। যা নাকি সমুদ্রবক্ষের প্রায় সমান্তরাল। তবু আমাদের মধ্যে নেই কোন উৎকণ্ঠা, কোন উদ্বেগ। এখনও আমরা সমানে ধ্বংস করে চলেছি আমাদের বনসম্পদ, বৃক্ষসম্পদ। অথচ এই বৃক্ষকুলই আমাদের বন্ধুর মতো ছায়া দেয়, পরিবেশকে দেয় ভারসাম্য। এই নিধনযজ্ঞের পুরোভাগে রয়েছে আমাদের ‘বনখেকো’ বন কর্মকর্তারা। জনসংখ্যার চাপে এবং নতুন বসতি স্থাপনের প্রয়োজনে হয়তোবা কিছু বনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু বনাঞ্চলের লুটপাটÑ তা পার্বত্য চট্টগ্রামেই হোক, সুন্দরবনেই হোকÑ কর্তৃপক্ষের যোগসাজশ ছাড়া কখনোই সম্ভব নয়। এছাড়া পরিকল্পিতভাবে যে বৃক্ষসম্পদ নষ্ট করা হয়, তার দায়ভাগ শতকরা একশ’ ভাগই সরকারের। সম্প্রতি যে সচেতন গোষ্ঠীর প্রতিরোধে ওসমানী উদ্যান সংলগ্ন বৃক্ষরাজিকে নিশ্চিত ধ্বংস থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। তাদের অবশ্যই সাধুবাদ জ্ঞাপন করতে হয়। কিন্তু ওইটুকুই যথেষ্ট নয়। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজš§কে একটি পরিবেশগত ধ্বংসলীলা থেকে বাঁচাতে দেশব্যাপী দুর্বার পরিবেশ আন্দোলন প্রয়োজন। এই আন্দোলনের আওতায় শুধু বৃক্ষসম্পদই আসবে নাÑ আরও আসতে হবে আমাদের নদী-খাল-বিলের সংরক্ষণ। কেননা এসব কিছু মিলিয়েই আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের সংরক্ষণ নিশ্চিত করবে আমাদের প্রাণিসম্পদের সংরক্ষণ। কেননা এতে করেই ওরা ফিরে পাবে ওদের নিভৃত নিবাস। অস্তিত্বের হুমকির মুখে যেসব প্রাণীÑ তারা জলচর, স্থলচর বা উভচরই হোকÑ তাদের জন্য বনাঞ্চলের বা জলাধারের পুনরুদ্ধারই যথেষ্ট নয়। আজকের অগ্রসর প্রযুক্তির যুগে তাদের কোন আবাসনই দুর্ভেদ্য নয়। কোন আবাসেই তাদের নিরাপত্তা নেই। নিরাপদ নয় আমাদের প্রাণীকুল এমনকি শ্বাপদসংকুল গভীর অরণ্যেও। সেখানে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে দুর্বৃত্তের কালো থাবা। লোভাতুর এই দুবর্ৃৃত্তরা সুন্দরবনের গহিন অভ্যন্তর থেকে সংগ্রহ করে বিরল প্রজাতির চামড়া, হাড়, মজ্জা আর্ন্তজাতিক বাজারে বিক্রির জন্য। বিরল প্রাণীদের সংরক্ষণের জন্য সরকারি একটি অধ্যাদেশ থাকা সত্ত্বেও কেউ তার পরোয়া করে না। তাই এদের সংরক্ষণও পরিবেশ আন্দোলনের অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাব। কী দৃষ্টিতে আমরা এই অবলা প্রাণীদের দেখব? প্রকৃতির রাজ্যে তাদেরও যে একটা অধিকার, তা শনাক্ত করার মধ্যে বহুলাংশে নিহিত আছে তাদের নিরাপত্তা।এ প্রসঙ্গে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা পাঠকের সঙ্গে শেয়ার করার লোভ সংবরণ করতে পারছি না। দুই হাজার সালের প্রারম্ভে আমি আমাদের ডরমিটরি সংলগ্ন এক ফসলি মাঠ এবং অপর পাশে ছিল কিছু এলাকা জংলা। যার ভেতর দিয়ে রাস্তা চলে গিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। একদিন অবাক হয়ে দেখলাম সারা এলাকা নানা প্রজাতির একপাল হরিণের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। মাঠসংলগ্ন উল্লেখিত জংলা স্থানটি থেকে নিঃশব্দে বেরিয়ে এসেছে সে দেশের বৃহদাকার হরিণÑ প্রথমে একা, অতঃপর জোড়ায় জোড়ায়, তারপর পাল ধরে। এতগুলো মানুষের উপস্থিতির কোন পরোয়াই নেই তাদের। তাদের আচরণেও নেই কোন জড়তা বা ভয়ভীতি। তারপর সন্ধ্যা নামলে ওরা একই রকম নিঃশব্দে ফিরে যেত ওদের আবাসনে। আমি জানালা দিয়ে দেখতাম আর ভাবতাম, এমন নিরাপত্তার আশ্বাস ওদের কাছে এলো কোথা থেকে? এত সাহস এরা সঞ্চয় করল কোথায়? এখন আমাদের দেশের অবস্থা কিন্তু একেবারেই উল্টো। অবলা প্রাণীকে নিরাপত্তার আশ্বাস দেয়া তো দূরের কথা, আমরাই ওদের এক নম্বর শত্রু। এদেশে পরিবেশ বিতর্কে বৃক্ষ বা অরণ্য নিধনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে প্রাণী নিধন। গ্রামগঞ্জে, লোকালয়ে সাপ, ব্যাঙ, নেউল, বেজি, গিরগিটি ইত্যাদি উজাড় করে এখন আমরা বনে-জঙ্গলে ধাবমান। রয়েল বেঙ্গল টাইগার থেকে শুরু করে চিত্রা হরিণ, এমনকি কুমির-কচ্ছপ পর্যন্ত একশ্রেণীর ঘাতক ব্যবসায়ীর ভয়ে সন্ত্রস্ত। অতিথি পাখিদের নরম বুক তাক করে লক্ষ্য ভেদ করে নিষ্ঠুর শিকারিরা। এই অতিথি পাখিরা আমাদের আর বিশ্বাস করে না। ত্রাসের মধ্যে শীতের মৌসুম কোন মতে কাটিয়ে আশাহত এই পাখিরা ফিরে যায় স্বদেশে বা অন্য কোন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে। আমাদের প্রাণবৈচিত্র্য ফুরিয়ে যাওয়ার আগে আমরা যদি সতর্ক না হই। তবে একদিন আমাদের অস্তিত্বই হুমকির সম্মুখীন হবে। তাই এই মুহূর্তে বড় প্রয়োজন একটি পরিবেশ সচেনতা সৃষ্টির এবং এ কথার উপলব্ধি যে, এটা কোন মামুলি সমস্যা নয়। বৃক্ষকে সন্তানের মতো লালন এবং প্রাণিজগতের সদস্যদের স্বজন হিসেবে গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে আমাদের পরিবেশ সচেতনতা শাণিত হোক। লেখক: গবেষক ও সাবেক অধ্যক্ষ

0 comments:

Post a Comment