Friday, December 6, 2013

অতিথি পাখির ওপর শকুনি দৃষ্টি

অতিথি পাখির ওপর শকুনি দৃষ্টি
 ড.ফোরকান আলী
দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে অতিথি পাখির আগমনে প্রকৃতি প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে পাখি শিকারিদের শকুনি দৃষ্টি পড়েছে পাখির ওপর। দেশের শত শত মুক্ত জলাশয়, হাওর-বাঁওড় ও বিল-ঝিল পাখির জন্য অভয়াশ্রম ঘোষিত হলেও চোরা শিকারিদের জন্য তা নস্যাৎ হতে বসেছে। প্রতি বছর শীত মৌসুমে ভয়াবহ শীতের প্রকোপ থেকে রা পেতে অন্যান্য দেশ থেকে আমাদের দেশে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসে। শীত কমে গেলে তারা আবার নিজ গন্তব্যে ফিরে যায়। দেশে পাখি শিকার বন্ধে প্রচলিত আইন থাকা সত্ত্বেও সে আইনের প্রতি শিকারিরা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাখি নিধনযজ্ঞে মেতে উঠছে। তাদের বিষটোপে অতিথি পাখির সঙ্গে সঙ্গে দেশীয় প্রজাতির পাখিও মারা পড়ছে। বিষক্রিয়ার শিকার হচ্ছে বক, হাঁস, কবুতর ও ঘুঘু পাখিও। এমনিতেই জমিতে ব্যাপকভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের কারণে দেশের অনেক উপকারী পাখি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ঝোপ-জঙ্গলে এখন আর আগের মতো পাখির কলকাকলি শোনা যায় না। দেশের সবচেয়ে বড় হাওর হাকালুকি ও টাংগুয়ায় সিদ্ধ ধানের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে টোপ বানিয়ে হাওর ও তার আশপাশে ফেলার ফলে অসংখ্য অতিথি পাখির মৃত্যু ঘটছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের গৃহপালিত হাঁসও এর শিকার হচ্ছে।
মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত এ হাওরগুলোয় অতিথি পাখি আগমনে মাছ প্রচুর পরিমাণে খাদ্য পাওয়ায় তা মাছের বংশ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। হাওর অঞ্চলের হোটেলগুলোয় অতিথি পাখির মাংসের ব্যাপক চাহিদা থাকায় শিকারিরা পাখি শিকার করে হোটেলে সরবরাহ করছে। অতিথি পাখি ধরা, খাওয়া ও নিধন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও আইনের প্রয়োগের অভাবে পাখি নিধন বন্ধ হচ্ছে না। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।


†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267

0 comments:

Post a Comment