Wednesday, November 27, 2013

পানিশূন্য জগন্নাথপুরের নদনদী

পানিশূন্য জগন্নাথপুরের নদনদী
 ফোরকান আলী
ক্রমেই রুদ্ধ হচ্ছে নদীর স্রোতধারা। জেগে উঠেছে চর। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও সংস্কারের অভাবে জগন্নাথপুর উপজেলার নদ-নদীতে দেখা দিচ্ছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। ক্রমেই শুকিয়ে যাচ্ছে ছোট-বড় মাঝারি নদ-নদীগুলো। প্রায় ২০টি ছোট-বড় মাঝারি নদ-নদীর পানি কমে কিছু কিছু স্থানে ছোটখাটো খালের সৃষ্টি হয়েছে। সেচ খালগুলো পানিশূন্য হয়ে যাচ্ছে একের পর এক। অগণিত পুকুর পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। ৫০টির মত শাখা নদ নদী ও খাল বিল এবং শত শত পুকুর ও ডোবার এ অবস্থা হয়েছে।
শুকনো মৌসুমের শুরুতে দেশী পদ্ধতির সেচ কার্য ক্রমাগত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার ইরি-বোরো ধান জমিতে চাষ হয় আশেপাশের খাল-বিল গর্ত পুকুর ও জলাশয়ের পানি দিয়ে। এভাবে পানির উৎসগুলোতে পানি না পাওয়া গেলে আগামীতে কমপে ৮০ ভাগ জমির চাষাবাদ বিঘিœত হবে। তবু কৃষকরা গ্রামে-গ্রামে শ্যালো ইঞ্জিন দ্বারা ধান েেত্র সেচ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে পদ্ধতিও তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে প্রায় বন্ধ হবার উপক্রম। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকায় পানি স্তর নীচে নেমে যাওয়ায় মাঝে-মধ্যে পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। উপজেলার নলজুর নদী, কাটা নদী, মোকামের ডালা, ইটাখলা নদী, ফেরী নদী, আলখানা নদী, মাগুরা নদীসহ প্রায় ২০টি নদীকে আর প্রকৃত নদী বলা যায় না। এসব নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নৌপথে মালামাল আনা-নেয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, হাওর এলাকায় প্রায় ৮০ ভাগ ফসলের জমিতে দেশী প্রদ্ধতিতে সেচ দেয়া হয়। এর মধ্যে প্রায় ২০ ভাগ জমির সেচের পানি নদী থেকে সরবরাহ করা হত। কিন্তু নদীতে পানি না থাকায় চলতি বছর এই উৎস থেকে আর পানি পাওয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কতৃপরে প্রতি আমাদের আবেদন। যাতে কৃষকের চাষে পানি পাওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছিৎ হয়।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267


0 comments:

Post a Comment