ফোরকান আলী
নদীকে কেউবা ‘গাঙ’ বলেন। নদী অর্থাৎ গাঙকে নিয়ে অনেক গান লেখা হয়েছে। যেমন- কণ্ঠশিল্পী আব্বাস উদ্দিন গেয়েছেন-‘আমার গহীন জলের নদী’; ‘একুল ভাঙে ওকুল গড়ে এইতো নদীর খেলা’; ‘ তোমার ভাইটাল সুরের সাথে সাথে কান্দে গাঙের পানিঃ. আরে ও রঙিলা নায়ের মাঝি’; ‘নদীর কূল নাই কিনারা নাইরে আমি কোন কূল হইতে কোন কূলে যাব-’; ‘ওরে ধল্লা নদীর পারে যাইয়া দরশন দিলরে’; ‘এই তুফানেতে কেউ গাঙ পাড়ি দিও নাঃ ও আমার দরদী আগে জানলে’; ‘আমায় লয়ে যাওরে নদী সেই যে কন্যার দেশঃ কুচ বরণ কন্যারে তার মেঘ বরণ কেশ’; ‘ঐ যে ভরা নদীর বাঁকে কাশের বনের ফাঁকে ফাঁকে’; ‘কূল নাই কিনার নাই নাইক গাঙের পানি ঃ আমায় ভাসাইলিরে’। অখিল বন্ধু ঘোষ গেয়েছন -‘শিপ্রা নদীর তীরে’, শচীনদেব বর্মন গেয়েছেন-‘তুমি হও চান্দরে বন্ধু আমি গাঙের পানি’; ‘কে ঘাস ভাটির গাঙে নাও বাইয়া’; হেমন্ত মুখোপাধ্যায় গেয়েছেন-‘ও নদীরে একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে’; শ্যামল মিত্র গেয়েছেন-‘সাত সাগর আর তেরো নদীর পারে আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে’; সুপ্রীতি ঘোষ গেয়েছেন- ‘তটিনী নদীর মতো নেশা জাগায় দুই তীরে ঃ.; আকাশে ল তারার দেয়ালি’ শ্যামল মিত্র গেয়েছেন-‘নদীতে ডুব দিয়ে সখি মুক্তো যদি পেতে চাওঃ;।
ভূপেন হাজারিকা এক গানে গঙ্গা নদী ও পদ্মা নদীকে নিয়ে গেয়েছেন-‘গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা’। এ ছাড়া নদীকে নিয়ে যেমন-সুরমা নদী, কর্ণফুলী নদী, মেঘনা নদী, রূপসা নদী, কুশিয়ারা নদী, মধুমতি নদী, আড়িয়াল খাঁ নদী, তিস্তা নদী, যমুনা নদীকে নিয়েও শিল্পীরা বহু গান গেয়েছেন। শচীনদেব বর্মনই গেয়েছেন-‘পদ্মার ঢেউরে ও মোর শূন্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যারে’। ফেরদৌসী রহমান গেয়েছেন-‘নদী তাই ঢেউয়ে টরমল ও রঙিলা’। আবদুল আলীম গেয়েছেন-‘আমার গাঁয়ের নদীর ঘাটে -ও বন্ধুরে’; ‘আমি নদীর ঘাটেরে বন্ধুঃ ভাটির গাঙ্গে ভাইটাল ঘুরে’। যমুনা নদীকে নিয়ে ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য গেয়েছেন ‘ঝাঁপ দিলি তুই মরণ যমুনায় - রাধে ভুল করে তুই’; ‘ও থর গহীন নদী উজান ধরে ভারী ঃজল ভরা কাঞ্চন কন্যা’। তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় গেয়েছন- ‘কাজল নদীর জলে ভরা ঢেউ ছলোছলে’। গীতা দত্ত গেয়েছেন -‘নদীর বুকে ঢেউয়ের কল্লোল মাতন তুলেছে’। সুপ্রীতি ঘোষ গেয়েছেন-‘তটিনী নদীর মতো নেশা জাগায় দুই তীরে ঃ আকাশে ল তারার দেয়ালী’। তালাত মাহমুদ গেয়েছেন-‘দু’টি পাখি দুটি তীরে মাঝে নদী বহে ধীরে’, ‘এইতো বেশ এই নদীর তীরে বসে গান শোনা’। নদীকে নিয়ে আরও গান আছে যেমন-নদীতে না যাইওরে বন্ধু নদীর ঘোলা পানি’; ‘নদী বাঁকা জানি চাঁদ বাঁকা জানি’; ‘তারাই গেল বাইয়ারে নদী- ঢেউ উঠছে সাগরে’। কমলা ধরিয়া গেয়েছন-‘তুই যদি গাঙ হোসরে বধূ তাইতে ডুবে মরি ঃ ওরে ও বিদেশি বন্ধু রোজ বেয়ে যাস তরী’। নদীকে নিয়ে আরও গান যেমন- ‘রূপালী নদীরে রূপ দেইখ্যা তোর, মনরে দুঃখ সুখের দোলায় দোলে ভবনদীর পানি’; গৃহকর্ম ত্যাজ্য করে আমি নদীর ঘাটেরে; ‘হাঙ্গোর কুমির বন্ধু আমার নদী কিসের ভয়, ‘ওরাই কৃষ্ণ বিনা প্রাণ বাঁচে না যমুনার ঐ জলেতে;- ‘তোমার ভাইটাল বাঁশির সুরের সাথে সাথে কান্দে গাঙের পানি, যমুনা কিনারে শাহ্জাহানে; ‘আমার গাঁয়ের নদীর ঘাটে’; ‘সেই চম্পানদীর তীরে’! ইত্যাদি আরও কত কি!
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment