Friday, November 22, 2013

শিল্পবর্জ্যরে ভাগাড় তুরাগ ও বালু নদী

শিল্পবর্জ্যরে ভাগাড় তুরাগ ও বালু নদী
 ফোরকান আলী
বিভিন্ন কল-কারখানার বর্জ্যরে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে ঢাকার চারদিকে ঘিরে থাকা অন্যতম দুইটি নদী তুরাগ ও বালু। এর ফলে নদী দুইটির পানি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পানিতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের তীব্রতার কারণে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী মরে ভেসে উঠছে। আর এই নদীর পানি ব্যবহার করে এলাকাবাসী বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
দূষণে বেশি খারাপ অবস্থা রাজধানীর অন্যতম নদী তুরাগের। দুর্গন্ধের কারণে এই নদীর দুই তীর দিয়ে হাঁটাও দায় হয়ে পড়েছে । স্থানীয়রা জানান, মূলত টঙ্গী বিসিক এলাকার বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য তুরাগ নদীতে মিশে যাওয়ায় পানির এই দশা । নিয়মানুযায়ী ময়লা শোধনের জন্য প্রতিটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থাকার কথা থাকলেও তা নেই। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বর্র্জ্য সরাসরি চলে আসছে এই নদীতে। অনেক প্রতিষ্ঠান কৌশলে নদীর নিচ দিয়ে বর্জ্যরে পাইপ সংযুক্ত করেছে যাতে ওপর থেকে না দেখা যায়। এরকম নানাভাবে তুরাগের পানি দূষিত করা হচ্ছে। রাজধানীর উত্তরাংশের বালু নদীও বর্তমানে দূষণের চরমে পৌঁছেছে। রাজধানীর অভিজাত এলাকার বাসিন্দারাই দূষিত করছে এই নদীর পানি। জানা যায়, রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা এলাকায় যেসব পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার সবগুলোর বর্জ্যরে সংযোগ লাইন দেয়া হয়েছে ত্রিমোহনী এলাকায় যা গিয়ে পৌঁছায় এই বালুনদীতে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য নদীর পানির সাথে মিশেই দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়া গুলশান, বারিধারা এলাকার বাসাবাড়ির যাবতীয় আবর্জনাও সুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে আসে এই নদীতে। এসব দূষণের ফলে পানির রং বিবর্ণ হয়ে গেছে। দূষণে নদীটি বর্তমানে মাছ শূন্য । তুরাগ ও বালু উভয় নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, কতিপয় প্রভাবশালী ব্যাবসায়ীর কারণেই দূষিত হচ্ছে এই দুইটি নদীর পানি। যদি এখনই এই নদী দুইটির দূষণ প্রতিরোধে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তবে অচিরেই তা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267



0 comments:

Post a Comment