Sunday, November 17, 2013

বাউফলে নদী খাল মৃতপ্রায় এখন দখলের প্রতিযোগিতা

বাউফলে নদী খাল মৃতপ্রায় এখন দখলের প্রতিযোগিতা
   ফোরকান আলী
পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার এক কালের খরস্রোতা নদনদী এখন মরা খাল। খালগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কাজ, ব্যবসা বাণিজ্য, নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য। অনেক স্থানে চলছে অবৈধ দখলের প্রতিযোগিতা। খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে , পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ছোট-বড় শতাধিক নদী ও খাল ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। খালকাটা কর্মসূচি বাস্তবায়নের নামে বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহারের অভাবে ইতিমধ্যে একাধিক নদী ও খাল নৌযান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নদী ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় জনসাধারণ বর্তমানে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। যেমন পটুয়াখালীর বাউফলের এককালের খরস্্েরাতা আলকি নদীটি নাব্যতা হারিয়ে এখন মৃত প্রায়। উপজেলার প্রসিদ্ধ বাণিজ্যকেন্দ্র কালাইয়া হাটের খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ছাড়া কোন নৌযান প্রবেশ করতে পারছে না। ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপরে চেয়ারম্যান জনগুরুত্বপূর্ন ‘কালাইয়া খাল’ পরিদর্শন করেন।
দাশপাড়া ইউনিয়নের ‘ইলিশার খাল’ পুরোপুরিই মরে গেছে। বর্ষা মৌসুমে ‘ইলিশার খাল’ দিয়ে পানি নামতে না পাড়ায় ওই ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। একই ইউনিয়নের ‘মহিষাধি খাল’ পরিস্কারের অভাবে ক্রমেই ভরাট হয়ে যাচ্ছে। নাজিরপুর ইউনিয়নের চরমিয়াজান ‘কাটাভাড়ানি খাল’ মরে যাওয়ায় চরবাসীরা তাদের উৎপাদিত ফসল, সার ও বীজ সহজে বহন করতে পারছেন না। ওই খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে রোগাক্রান্ত চরবাসীরাও মূল ভূখন্ডের চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ‘কনকদিয়া-বগা খাল’ নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় ব্যবসায়ী সহ সংশ্লিষ্ট এলাকার চাকুরিজীবীদের লঞ্চযোগে যাতায়াত করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঝিলনা-ব্রাহ্মণ বিলের খালটি মরে যাওয়ায় কাছিপাড়া ও কনকদিয়া ইউনিয়নের হাজার হাজার একর জমির আউশ ও আমন ফসল জলাবদ্ধ হয়ে প্রতিবছর বিনষ্ট হয়।



†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267





0 comments:

Post a Comment