জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায়
ড.ফোরকান আলী
বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ল্েয আমাদের কালবিলম্ব না করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার,
এ কথা অনস্বীকার্য ২০০৯ সালে পিকট পাবলিকেশন কর্তৃক প্রকাশিত একটি সারগ্রন্থ থেকে জানা যায়, ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রের চেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের হিটরেট কম বা দতা (কার্যকারিতা) বেশি, অর্থাৎ জ্বালানি খরচ কম। উদাহরণস্বরূপ আধা মেগাওয়াট সিম্পল সাইকেল (গড়ফবষ ঠচঝও) ও ৪৬৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল (গড়ফবষ গচঈচ) দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দতা দেখানো হয়েছে যথাক্রমে ২০.৭% ও ৫৯.৫%। ওই পুস্তকে ২৫ থেকে ৩০ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন গ্যাস টারবাইনের ৩৫% থেকে ৪০% দতা দেখানো হয়েছে।
ভিন্ন একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, জার্মানির ১৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন গ্যাস জেনারেটর সিম্পল সাইকেলের (গড়ফবষ ১৬ঈগ৪৩) দতা ৪৭%। জ্বালানি সংকটের এই দিনে জ্বালানি সাশ্রয়ের খাতিরে আমাদের অধিক দতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন। জ্বালানি খরচ যত বেশি, উৎপাদন খরচ তত বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে সবার কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে। কেবল ধনিকশ্রেণীই তাহলে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগ করতে পারবে। এতে করে ধনী-গরিবের বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ওয়াদারও বিরোধী।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ২০০৭-০৮ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, সংস্থাটির ২০% থেকে ৪০.২% পর্যন্ত দতাসম্পন্ন বিভিন্ন মতার বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু আছে। গড় দতা দেখানো হয়েছে ৩১.৮১%। এই দতার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৫৯.৫% দতার বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্বারা প্রতিস্থাপিত হলে বর্তমান যে জ্বালানি দ্বারা ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় সেই জ্বালানি দ্বারা ৭ হাজার ৪৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই মোতাবেক ২০০৭-০৮ অর্থবছরের বিউবোর প্রায় ৭৮৮ কোটি টাকা (অর্থাৎ ৪৬.৪৮%) সাশ্রয় হতো। সংবাদে প্রকাশ, বিইআরসি সম্প্রতি ছোট ছোট বেশকিছু ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্ট (সিপিপি) থেকে বিদ্যুৎ কেনার অনুমতি দিয়েছে, যার ভেতর দেড় মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন ুদ্রাকৃতির ইউনিটও রয়েছে। ইউনিটগুলোর কার্যকারিতা কী রকম, তা সংবাদে প্রকাশ করা হয়নি। স্বাভাবিক অর্থে ওইগুলোর কার্যকারিতা বেশি হওয়ার কথা নয়।
সম্প্রতি ভাড়ায় ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের হিড়িক পড়েছে। জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় কম কার্যকারিতা এবং ত্রেবিশেষে রিকন্ডিশন প্লান্ট বসানোতে বেশি আগ্রহী। জ্বালানি খরচের বিষয়টি তারা ভ্রূপে করে না। কারণ সরকার জ্বালানি সরবরাহ করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ভোলায় ৩৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন সর্বশেষ ভাড়ায় যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে তা একটি রিকন্ডিশন্ড প্লান্ট এং তার দতা (বিশেষ সূত্র থেকে জানা) ২৯%। যেখানে বাজারে ৪৭% দতার সিম্পল সাইকেল গ্যাস জেনারেটর পাওয়া যায়, সেখানে ২৯% দতার ইউনিট বসিয়ে জ্বালানির কেন অপচয় ঘটানো হচ্ছে, তা বোধগম্য নয়।
বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ল্েয আমাদের কালবিলম্ব না করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, এ কথা অনস্বীকার্য। তাড়াতাড়ি গিলতে গিয়ে আমরা যেন বিষ গিলে না ফেলি, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জাতীয় স্বার্থে জ্বালানি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিকল্প নেই।
ড.ফোরকান আলী
বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ল্েয আমাদের কালবিলম্ব না করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার,
এ কথা অনস্বীকার্য ২০০৯ সালে পিকট পাবলিকেশন কর্তৃক প্রকাশিত একটি সারগ্রন্থ থেকে জানা যায়, ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রের চেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের হিটরেট কম বা দতা (কার্যকারিতা) বেশি, অর্থাৎ জ্বালানি খরচ কম। উদাহরণস্বরূপ আধা মেগাওয়াট সিম্পল সাইকেল (গড়ফবষ ঠচঝও) ও ৪৬৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল (গড়ফবষ গচঈচ) দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দতা দেখানো হয়েছে যথাক্রমে ২০.৭% ও ৫৯.৫%। ওই পুস্তকে ২৫ থেকে ৩০ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন গ্যাস টারবাইনের ৩৫% থেকে ৪০% দতা দেখানো হয়েছে।
ভিন্ন একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, জার্মানির ১৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন গ্যাস জেনারেটর সিম্পল সাইকেলের (গড়ফবষ ১৬ঈগ৪৩) দতা ৪৭%। জ্বালানি সংকটের এই দিনে জ্বালানি সাশ্রয়ের খাতিরে আমাদের অধিক দতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন। জ্বালানি খরচ যত বেশি, উৎপাদন খরচ তত বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে সবার কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে। কেবল ধনিকশ্রেণীই তাহলে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগ করতে পারবে। এতে করে ধনী-গরিবের বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ওয়াদারও বিরোধী।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ২০০৭-০৮ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, সংস্থাটির ২০% থেকে ৪০.২% পর্যন্ত দতাসম্পন্ন বিভিন্ন মতার বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু আছে। গড় দতা দেখানো হয়েছে ৩১.৮১%। এই দতার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৫৯.৫% দতার বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্বারা প্রতিস্থাপিত হলে বর্তমান যে জ্বালানি দ্বারা ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় সেই জ্বালানি দ্বারা ৭ হাজার ৪৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই মোতাবেক ২০০৭-০৮ অর্থবছরের বিউবোর প্রায় ৭৮৮ কোটি টাকা (অর্থাৎ ৪৬.৪৮%) সাশ্রয় হতো। সংবাদে প্রকাশ, বিইআরসি সম্প্রতি ছোট ছোট বেশকিছু ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্ট (সিপিপি) থেকে বিদ্যুৎ কেনার অনুমতি দিয়েছে, যার ভেতর দেড় মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন ুদ্রাকৃতির ইউনিটও রয়েছে। ইউনিটগুলোর কার্যকারিতা কী রকম, তা সংবাদে প্রকাশ করা হয়নি। স্বাভাবিক অর্থে ওইগুলোর কার্যকারিতা বেশি হওয়ার কথা নয়।
সম্প্রতি ভাড়ায় ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের হিড়িক পড়েছে। জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় কম কার্যকারিতা এবং ত্রেবিশেষে রিকন্ডিশন প্লান্ট বসানোতে বেশি আগ্রহী। জ্বালানি খরচের বিষয়টি তারা ভ্রূপে করে না। কারণ সরকার জ্বালানি সরবরাহ করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ভোলায় ৩৪ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন সর্বশেষ ভাড়ায় যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে তা একটি রিকন্ডিশন্ড প্লান্ট এং তার দতা (বিশেষ সূত্র থেকে জানা) ২৯%। যেখানে বাজারে ৪৭% দতার সিম্পল সাইকেল গ্যাস জেনারেটর পাওয়া যায়, সেখানে ২৯% দতার ইউনিট বসিয়ে জ্বালানির কেন অপচয় ঘটানো হচ্ছে, তা বোধগম্য নয়।
বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ল্েয আমাদের কালবিলম্ব না করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, এ কথা অনস্বীকার্য। তাড়াতাড়ি গিলতে গিয়ে আমরা যেন বিষ গিলে না ফেলি, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জাতীয় স্বার্থে জ্বালানি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিকল্প নেই।
†jLK: W.†dviKvb Avjx
M‡elK I mv‡eK Aa¨¶
36 MMbevey †ivo,Lyjbv
01711579267
Email- dr.fourkanali@gmail.com
0 comments:
Post a Comment